উখিয়া-টেকনাফে ভাংছে সাজানো সংসার বাড়ছে পারিবারিক কলহ

প্রকাশ: ২৭ জুন, ২০১২ ১২:৫১ : অপরাহ্ণ

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা রমনীদের কারনে বাড়ছে পারিবারিক কলহ,বাড়ছে ২য় বিয়ের  রিতিনিতি। সাজানো সংসারে রোহিঙ্গা রমনীরা ২য় স্ত্রী হয়ে ১ম স্ত্রীর সাজানো সংসারে দাউদাউ করে জ্বালিয়ে দিচ্ছে অশান্তির আগুন। ১ম স্ত্রীর কষ্ঠার্জিত ৩০/৪০ বৎসরের  সংসার ভেঙ্গে তছনছ ও বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে একঘরে হয়ে শেষ জীবন পার করতে হচ্ছে অনেককে।  অল্পবয়সী রোহিঙ্গা সুন্দর যুবতিরা বাংলাদেশী যুবক বৃদ্ধদের টার্গেট করে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে যেকোন ভাবে স্ত্রীর অধিকার আদায় করে নেয়। অল্পবয়সী রোহিঙ্গা সুন্দর যুবতিকে খুশী করতে স্বামী বেচারা আত্মসর্ম্পন করে তার প্রেমের কাছে। তখন থেকে স্বামীসহ পরিবারের সব কিছু চলে ২য় স্ত্রীর ইশারায়। ১ম স্ত্রীর কষ্ঠার্জিত ৩০/৪০ বৎসরের  সংসারকরা স্বামীকে এর প্রতিবাদ ও ১ম স্ত্রীর অধিকার আদায়ের চেষ্ঠা করলে নেমে আসে শারিরীক,মানষিক নির্যাতন। তখন থেকে কলিজার টুকরো পিতার প্রধান শত্র“ হয়ে দাড়ায় নিজের ছেলে মেয়েসহ ১ম স্ত্রী। উখিয়া-টেকনাফে এরক ঘটনা এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে পড়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়-শাহপরীরদ্বীপ এলাকার মৌ.কলিম উল্লাহ একজন পেশায় আদম ব্যাপারী ও বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার নামে ভোয়া চাঁদা কালেক্সনকারী। ৩৫ বছর পূর্বে ইসলামী রিতি অনুযায়ী বিবাহ করে খুব সুন্দর সংসার গড়ে। ৮বছর পূর্বে মিয়ানমারের নুরুল্লাহ পাড়ার হাফেজ ওসমানের মেয়ে ও মালয়েশিয়া প্রবাসী মমতাজমিয়ার স্ত্রী আশেকবানুকে মালয়েশিয়া তার স্বামীর কাছে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশে এনে মোবারক নামের ১ সন্তানসহ বিয়ে করে গুপনে সংসার চালিয়ে যায় । এমন কি রোহিঙ্গা মহিলাকে মোটা টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রাম থেকে শাহাজাহানের ভাড়াঘর ,ছদু চৌধূরী রোড,দক্ষিন কাট্টলী,কাষ্টম একাডেমী,৪২১৯ পাহাড় তলী,চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এই ঠিকানায় পাশপোর্ট ও ন্যাশনাল আইডি কার্ড করে দিয়েছে । যার আইডি নং-১৫৯৫৫১১৬৬৬৪৭০। এখবর জানাজানি হলে উক্ত কলিম উল্লাহ  উপস্থিত বিচারক মৌ.মোহাম্মদ হাসানসহ সবার সামনে আশেকবানুকে বিবাহ করেনি এবং আগামীতে যখন যখন বিয়ে করবে তখন তখন ৩ তালাক বলে কাগজ পত্র সম্পাদন করে। এত কিছুর পরও ক.উল্লাহ সে রোহিঙ্গা মহিলার সাথে গোপনে সংসার করে জারজ সন্তানের জন্ম দিয়ে যাচ্ছে। তার ইসলাম বিদ্বেস চরিত্রের কারনে এলাকার আলেমদের সম্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে জানান অনেকে। তার ১ম স্ত্রী নুর হাওয়া বেগম স্বামীর অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় ১০ সন্তানসহ ৩৫ বৎসরের সংসার ত্যাগ করে অল্পবয়সী রোহিঙ্গা সুন্দর যুবতিকে নিয়ে আমিরাবাদ তেন্ডলপাড়ায় বসবাস করছে। বর্তমানে ১ম স্ত্রী সন্তান-সন্ততীদের নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করছে। এরকম অজস্র ঘটনা প্রতি মূহুর্তে ঘটছে আমাদের সমাজে। নিরবে নিবৃতে কাঁদছে কত মা বোন। সংসারহারা হয়ে ভূলুন্ঠিত হচ্ছে হাজারো মা বোনের ইজ্জত। এব্যাপারে কলিমুল্লাহর (০১৮১৭০৫৭৭৯৩) মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি রোহিঙ্গা মহিলার কথা স্বীকার করে বলেন আমার প্রয়োজনে আমি বিবাহ করেছে। ###


সর্বশেষ সংবাদ