মিয়ানমার বাংলাদেশ সীমান্তে নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্প

প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারি, ২০১৪ ৩:০৯ : অপরাহ্ণ

সীমান্ত ঢাকা ট্রিবিউন::::আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশের সীমানার কাছে চারটি অস্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করেছে মিয়ানমারের নাসাকা বাহিনী।
বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এর তথ্য অনুয়ায়ী ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমাšেত্মর জিরো লাইন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দুরে সালুডং নামক জায়গায় চারটি অস্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। ক্যাম্পগুলো নাইখ্যাংছড়ির ৪৫ নাম্বার সীমানা পিলারের কাছাকাছি সারাজামচরীর ঠিক উল্টো দিকে আষাড়তলীতে অবস্থিত।

বিজিবির তথ্য অনুয়ায়ী প্রতিটি ক্যাম্পে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ২৪ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে ২১ জানুয়ারি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করে বিজিবির অপারেশন বিভাগ।

এই ক্যাম্প স্থাপনের ব্যাপারে বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানায়, আšত্মর্জাতিক সীমানা আইন অনুযায়ী মিয়ানমার সেনাবাহিনী বাংলাদেশ সীমানার এত কাছে ক্যাম্প বসাতে পারেনা। এটি সরাসরি আইনের লঙ্ঘন।

বিজিবি ৩১ ব্যাটালিয়নের লে:কর্ণেল শফিকুর রহমান এই ধরনের পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এক চিঠির মাধ্যমে বলেছেন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী মিয়ানমার সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সীমানার এত কাছে ক্যাম্প স্থাপন করতে পারেনা। সেই হিসাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ১৯৮০ সালের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমানা আইন লঙ্ঘন করেছে।

বিজিবি কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশের সীমাšত্ম পার্শ্ববর্তী সাধারণ মানুষের জন্য এক ধরনের হুমকি।

এই বিষয়ে বিজিবি মহাপরিচালক মে:জে: আজিজ আহমেদ বলেন, ‘মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বাংলাদেশের সীমাšত্মবর্তী এলাকায় এই চারটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি। তবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলেছে তারা সেইসব এলাকায় রা¯ত্মা নির্মাণের জন্য ওই চারটি অস্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করেছে। তবে বিষয়টিকে আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। ইতিমধ্যে আমাদের গোয়েন্দা বিভাগ এই অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে।’

এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব সি কিউ কে মু¯ত্মাক আহমেদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। তাই আমি কোন মšত্মব্য করবনা।’ ঢাকা ট্রিবিউন

 


সর্বশেষ সংবাদ