টেকনাফে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মতবিনিময় সভা

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি, ২০২০ ১০:০৪ : অপরাহ্ণ

নুরুল হোসাইন***
টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের মতবিনিময় সভা আজ ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

জলদস্যু, সন্ত্রাস দমন, মাদক ও অস্ত্র গুলি উদ্ধারসহ সাহসিকতা বীরত্বপূর্ণ অবদানে কক্সবাজার জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ দৃষ্টান্তমূলক সেবার স্বীকৃতি হিসেবে কক্সবাজারের
জেলার পুলিশ সুপার মাসুদ হোসাইন ২য় বারের মত বিপিএম পদ লাভ করায় ও সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ অবদান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সহ দৃষ্টান্তমূলক সেবার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ২য় সর্বোচ্চ পদক আইজিপি ব্যাজ পদ লাভ করায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশের মুখপাত্র জেলাবাসির প্রিয়মুখ মিষ্টিভাষী মোঃ ইকবাল হোসেন, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফল ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও এএস আই সঞ্জিত সহ টেকনাফে তাঁদের জন্য জানুআরি মাসের শেষ দিকে উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের উদ্যোগে জাকঁজমক পূর্ণভাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হুদা সভাপতিত্বে যুগ্ন-সম্পাদক নুরুল হোসাইনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, টেকনাফ পৌর কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি মোঃ আলম বাহাদুর, হোয়াইক্যং কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি হারুন রশিদ সিকদার, হৃীলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি নজরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা,টেকনাফ সদর কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ডাঃ আব্দুল গনি, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম,বাহারছড়া কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি মোঃ আজিজ উল্লাহ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আয়ুব আলী,শাহপরীরদ্বীপের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ উল্লাহ সহ প্রমূখ।

সভায় বক্তারা বক্তব্যে বলেন, পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ। কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে গ্রাম, মহল্লা,পাড়া জনগণের সাথে সু- সর্ম্পক রেখে পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতা করা। টেকনাফ উপজেলার  বিভিন্ন স্থানে প্রায় সময় অপ্রীতিকর কিছু  তুচ্ছ ঘটনা ঘটে। যা মামলা হিসেবে আমলে না নিয়ে এসব ঘটনাগুলো কমিউনিটি পুলিশিং মাধ্যমে সমাধান করা হয়। এতে করে সাধারণ মানুষ আইনী জটিলতার হাত থেকে বাচঁতে পারে।

পুলিশ জনগণের বন্ধু। এই বিশ্বাস যাতে জনগণের মধ্যে  আস্থাভাজন হয় তার জন্য কমিউনিটি পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশের সংখ্যা এতই কম, যা দিয়ে টেকনাফ উপজেলার জনগণের শতভাগ নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব নয়। তাই কমিউনিটি পুলিশিং দরকার। এই সরকার জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেয় না। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় টেকনাফে জঙ্গীবাদ নির্মুল, সন্ত্রাস,মাদক প্রতিরোধ এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন করা হবে।


সর্বশেষ সংবাদ