টেকনাফে ‘মানিলন্ডারিং’ বিষয়ক সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর আবু হেনা

প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১১:৪৭ : অপরাহ্ণ

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ …টেকনাফ সীমান্তে অস্বাভাবিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ব্যাংক কর্মকর্তাদের ‘মানিলন্ডারিং’ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্টিত হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ব্যাংক ও ফাষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এর যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করে।
জানা যায়, শনিবার ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে টেকনাফের একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ ব্যাংক ও ফাষ্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এর যৌথ উদ্যোগে মানি লন্ডারিং বিষয়ক ব্যাংক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অবহিতকরণ সভা অনুষ্টিত হয়। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর প্রধান আবু হেনা মো: রাজি হাসান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুর রউফ, জিএম মোহাম্মদ জাকির হোসেন চৌধুরী, ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ডিজিএম মো. শওকাতুল আলম, জিএম ও অপারেশনাল হেড মো. জাকির হোসাইনসহ টেকনাফের ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন। সভায় টেকনাফে অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন। অংশগ্রহনকারী ব্যাংকগুলো হচ্ছে সোনালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, আরব বাংলাদেশ ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও ফাস্ট সিকিরিউটি ইসলামী ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর প্রধান আবু হেনা মো: রাজি হাসান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক গুলোতে অস্বাভাবিক লেনদেন বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোর উদ্যোগ নিয়েছে। টেকনাফ সীমান্তে মাদক ও মানব পাচারের রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। তাই ব্যাংকিং চ্যানেলে অস্বাভাবিক লেনদেনের ঝুঁকি বাড়ছে। মানব পাচার এবং রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির ফলে এই ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য টেকনাফের ব্যাংক গুলোতে অস্বাভাবিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এই উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যাংকের স্ব-স্ব শাখা ঝুঁকি মুক্ত রাখতে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রতিটি একাউন্ট পরিচালনা করতে হবে। আয়ের সাথে সঙ্গতি নেই এমন একাউন্ট গুলোকে নজরদারীতে রাখতে হবে। কোন একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে সেই টাকা কোথায় যাচ্ছে কার কাছে যাচ্ছে তা মনিটরিং করে রিপোর্ট করতে হবে। নতুন একাউন্ট খুলতেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এনজিওদের অর্থের লেনদেন গুলোও সর্তকতার সাথে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলেই সর্তকতা অবলম্বন করলে অর্থ পাচার ও জঙ্গি অর্থায়ন প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেন’। ##


সর্বশেষ সংবাদ