টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

২৫ সেপ্টেম্বর থেকে টানা ১১ দিন ইলিশ ধরা নিষিন্ধ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবদুল আলীম নোবেল…নানা দূর্ভোগে কাটছে কক্সবাজারের জেলেদের জীবন। অবহেলিত আর নীতি মালার আওতায় নেই এ বিশাল জনগোষ্ঠি। সরকারের তরফ থেকে পাচ্ছেন না তেমন কোন সুবিধা। অতচ দারিদ্র বিমোচন, খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনীতিতে এ বিশাল মৎস্যজীবীর অবদানের কথা সবাই স্বীকার করে। মৎস্যজীবীররা আয় যেমন করে,তেমনি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পুষ্টির যোগানও দেয়। মাছের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য পেশায় জড়িতরাও নান ধরনের সমস্যায় জর্জরিত। ক্ষুদ্রায়তনের মৎস্য খাতের সমস্যা সমধানের জন্য একটি নির্দেশিকা তৈরির চেষ্টা করছে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা(এফএও) বিশ্বের ১৯১টি দেশ এর সদস্য।

কোস্ট ট্রাস্ট কক্সবাজার আঞ্চিলিক অফিসের উদ্যেগে ২০ সেপ্টম্বর সকাল ১০ টায় জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে স্থায়িত্বশীল ক্ষুদ্রায়তন মৎস্য খাত সংক্রান্ত এফএও খসড়া নীতি মালা ও দেশের মৎস খাত সম্বন্ধে মতামত সংগ্রহ প্রক্রিয়া শীর্ষক আঞ্চিলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই কর্মশালায় সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদাউস আহাম্মদ। কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক শওকত আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য গবেষনা ইনষ্টিটিউট এর কর্মকর্তা ডঃ জহিরুল ইসলাম, বৈজ্ঞনিক কর্মকর্তা ডঃ আশরাফুল ইসলাম, কক্সবাজার সদর মৎস্য কর্মকর্তা ডঃ মইনু উদ্দিন, কোস্ট ট্রাস্ট টিম লিডার মকবুল আহাম্মদ, কোস্ট ট্রাস্টের এরিয়া ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা জেলে ও স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তির সাথে স্থায়িত্বশীল ক্ষুদ্রায়তন মৎস্য খাত সংক্রান্ত এফএও খসড়া নীতি মালা ও দেশের মৎস খাত সম্বন্ধে মতামত সংগ্রহ প্রক্রিয়া শীর্ষক অলোচনা হয়। ওই আলোচনায় জেলেদের বিভিন্ন সমস্যার কথা ওঠে আসে। তার মধ্যে জেলেদের নিরাপত্তা, সাগরে ওষুধ নেয়ার কথা, সরকারীভাবে কোন সুযোগ না থাকা, জেলে মারাগেলে মালিক পক্ষ ও সরকারের তরফ থেকে কোন সহায্য না পাওয়া, পাহাড় কাটার ফলে ক্ষুদ্র আয়তন মৎস্য খাত নস্ট হওয়া। তাছড়া ১৯৩১ সালের মৎস্য সম্পদ আইন, ১৯৮৩ সালের মৎস্য সামগ্রী আইন,২০১১ সালের হ্যাচারী আইন সর্ম্পেকে ও আলোচনা হয়। এছাড়া জেলা মৎস্য কর্মকর্তার ঘোষণা প্রত্রের সূত্রে জানা যায়, চলিত বছর ২৫ সেপ্টম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য ১১ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এআইন বাস্তবায়নের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌবাহিনী, কোস্ট র্গাড, বিমান বাহিনী, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‌্যাব, মৎস্য অধিদপ্তর,এবং স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ব্যাপকভাবে অভিযান পরিচালনা হবে। নিষিদ্ধ এই ১১ দিনে ইলিশ আহরণ থেকে মৎস্য সংশ্লিষ্ট সকলকে এই আইন রক্ষায় সচেষ্ট থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT