টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

হ্নীলা চৌধুরীপাড়া সড়কের বেহাল দশা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

জসিম উদ্দিন টিপু, টেকনাফ = টেকনাফে উন্নয়ন বঞ্চিত অবহেলিত গ্রাম হ্নীলার রঙ্গিখালীর চৌধুরীপাড়া। এখানকার শতাধিক পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের রাস্তা নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রধান সড়ক যেটি উভয় দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ রোড়ের সাথে সংযুক্ত। এসড়কের দক্ষিণ প্রান্তের আরাকান রোড়ের সংযোগ ভাগের বিরাট অংশ ভাঙ্গা থাকায় দীর্ঘদিন ধরে লোকজনকে একমুখী চলাচল করতে হছ্ছে। যেটি দেশ বিভক্তের অনেক পরে বিগত মহাজোট সরকারের শেষের দিকে প্রধান সড়কটি কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নের আওতায় আনা হয়। ঐসময় সড়কটির শেষের দিকে কিছু অংশের কাজ বাকী থাকায় এক দিক দিয়ে প্রবেশ করে অন্যদিক দিয়ে বের হওয়া যাচ্ছে না। ফলে এখানকার জনসাধারণকে উল্টো পথে চলাচল করতে হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে পুরো গ্রামটি পানিতে নিমজ্জিত থাকে। অন্যদিকে গ্রামটির মাঝের রাস্তার অবস্থা খুবই নাজুক। এরোড় দিয়ে রাতে চলাচল করাতো দূরের কথা, দিনে চলাচল করাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় লোকজন জানায়, “মাঝের রোড়” সারা বছরই পানিতে ডোবা থাকে। উক্ত রোড়ে বড় বড় পাথর দিয়ে স্থানীয়রা ঝুঁকি নিয়ে কোনমত প্রয়োজনীয়তার খাতিরে যাতায়াত করছেন। উপজেলায় একেধারে রাখাইন পাড়া হিসেবে গ্রামটির খ্যাতি থাকলেও কারণে অকারণে এখানে উন্নয়নের ছোঁয়া তেমন লাগেনি। বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত লেঃ কর্ণেল মংকিউ চৌধুরীর স্মৃতি বিজড়িত “রঙ্গিখালী চৌধুরীপাড়া”র মানুষের চলাচলের পথ সুগম করতে এখানকার সড়ক ও উপ সড়ক উন্নয়নের আওতায় আনা সময়ের দাবীতে পরিণত হয়েছে। গ্রামটির কৃর্তি-মেধাবীদের অনেকে দেশের বিভিন্ন দপ্তরে দক্ষতা ও সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন কিছুতে অবদান রাখলেও রাখাইনদের চলাচলের সড়ক এখনো উন্নয়নের আওতায় না আসায় তারা অনেকটা ক্ষুব্ধ। চৌধুরীপাড়ার সড়ক উপসড়ক কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার আওতায় আনতে এলাকাবাসী সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।
ছিংচৌঅং, কেনী চৌধুরী,ক্যজউ জানান, প্রধান সড়ক এবং মাঝের রাস্তা সংস্কার এখানকার শতাধিক পরিবারের গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। মাঝের রাস্তা চলাচলের অনোপযোগী হওয়ায় রাখাইন পল্লীর শিক্ষার্থী সহ সর্বমহলকে কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে।
সমাজ সর্দার-পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ইউনিয়ন ম্যানেজার মন্টিং চৌধুরী ও ব্যবসায়ী চেনঅংগ্য জানান, প্রধান সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের শেষ প্রান্তে একটি টেকসই ব্রীজ বা বড় কালভার্ট নির্মাণ করলে সংযোগ সড়ক দিয়ে সহজে যাতায়াত করা যাবে। তারা ব্রীজ নির্মাণ ও প্রধান সড়কের বাকী কাজ পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে এমপি সহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অশোক বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ ভদন্ত উ জ্যোতিসারা ভিক্ষু প্রধান সড়কের অপূর্ণতা ও মাঝের রাস্তার কাহিল অবস্থায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ধর্র্মীয় কর্মসুচীতে অংশ নিতে লোকজনকে সড়ক দুটি ব্যবহার করতে হয়। যোগাযোগ এবং এখানকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সড়কগুলি কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নের আওতায় আনতে তিনি সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।##

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT