টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

হ্নীলায় হাউজ হোল্ডিং কার্য্যক্রমে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৩
  • ১২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Teknaf pic-14-06-2013জসিম উদ্দিন টিপু, টেকনাফ।

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের হাউজ হোল্ডিং কার্য্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায়, বর্তমান সরকার ডিজিটাল সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশের সবকিছুতে পরিবর্তন সাধনে বিভিন্ন প্রকার কর্মসূচী হাতে নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদকে সরকার ডিজিটালাইজিড্ করে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ জনগণ তথ্য সেবা থেকে শুরু করে প্রায় সব কিছুতে অপার সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারছে। জনগণকে সহজে টেক্্েরর আওতায় আনার জন্য গত সনের শুরুর দিকে সরকার ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থিত সব বসত-ঘর ডিজিটাল পদ্ধতিতে হোল্ডিং এর আওতায় আনার নির্দেশনা দেয়। তাতে দেশের প্রায় সব ইউনিয়নে এ কার্য্যক্রম পুরোধমে চলতে থাকে। কিন্তু টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের এতদিন হোল্ডিং কার্য্যক্রমের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। কক্সবাজার জেলায় হোল্ডিং কার্য্যক্রম পরিচালনার জন্য এসডিডিপি নামক এনজিও মন্ত্রাণালয় কর্তৃক অনুমোদন নিয়ে কাজ শুরু করে। এনজিওটি গত ফেব্রুয়ারী মাসে হ্নীলা ইউনিয়নে জেলার অন্যান্য ইউনিয়নের সাথে সামঞ্জস্য রেখে হোল্ডিং প্রতি ৫০ টাকা নিয়ে কাজ করার জন্য আবেদন করে। পরে মে মাসে হ্নীলা ইউনিয়নে অনেকটা দায়সারা ভাবে জনগণের সেবা পাওয়ার মৌলিক উপাদান হোল্ডিং কার্য্যক্রম একটি নাম সর্বস্ব এনজিওর নামে মন্থর গতিতে শুরু করে দেয়। সুত্রে জানাগেছে, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক অনুমোদন প্রাপ্ত এনজিওটি মন্ত্রাণালয়ের কোন প্রকার অনুমোদন না থাকা সত্তে¦ ও  ৫০টাকার পরিবর্তে তারা নিচ্ছে ৭০টাকা। অন্যদিকে মন্ত্রাণালয় কর্তৃক অনুমোদন প্রাপ্ত এসডিডিপি এনজিওকে ৫০টাকায় হোল্ডিং কার্য্যক্রম পরিচালনা করতে দেইনি বলে সংস্থাটি প্রকল্প পরিচালক মু: জাহাঙ্গীর আলম জানান। হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের সর্বশেষ খানা সার্ভে অনুযায়ী সর্বমোট ৭৭৫২ টি পরিবার, মসজিদ, ধর্মীয় উপসানালয়, সকল শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাউজ হোল্ডিং এর আওতায় আনা হবে। হোল্ডিং নম্বর যুক্ত নেইম প্লেইটটি সম্পূর্ন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিটি বাড়ী-ঘরে সরবরাহ করার কথা থাকলেও দায়িত্বরত মাঠকর্মী ও সুপার ভাইজাররা ঠিকভাবে সরবরাহ করছেনা। ইউনিয়নের কিছু কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে হোল্ডিং নম্বরের প্লেইট সরবরাহ করা হয়েছে। এতে সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষিত হচ্ছে। সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি হোল্ডিং নম্বরে ৫০ টাকা হারে নেয়ার বিধান আছে। কিন্তু নাম সর্বস্ব এনজিও “আমানা চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন” এর অদক্ষ মাঠ কর্মীরা প্রতিটি হোল্ডিং এর পিছনে ৫০ টাকার পরিবর্তে ৭০টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে। সুবিধা ও জনসাধরণের মন-মানসিকতা বুঝে শত শত টাকা নিয়ে নিচ্ছে। অনেকে এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে নালিশ দিয়েছে। প্রতিটি বাড়ীর হোল্ডিং নম্বর অনলাইনের আওতায় এনে জরিপকৃত বাড়ীতে ডিজিটাল নম্বর প্লেইট স্থাপনের নির্দেশনা উক্ত মাঠ কর্মীরা কোন মতেই মানছেনা। কিন্তু এসব অদক্ষ মাঠ কর্মীরা কোন প্রকার অনলাইনও বুঝেনা এবং ডিজিটাল নম্বর কি তাও বুঝেনা। তাতে সরকারের মহান উদ্দেশ্য মুখ তুভুড়ে পড়তে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মীর কাশেম জানান- কয়েকটি প্রতিষ্টান হোল্ডিং কার্য্যক্রম পরিচালনার জন্য আবেদন করলে আমি পরিষদের অধিকাংশ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে আমানা চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনকে প্রকল্পটি করার অনুমতি প্রদান করি। তবে আমি এ হোল্ডিং নম্বর প্লেইট ডিজিটাল ও অনলাইনের আওতায় আনতে হবে সে ব্যাপারে কিছুই জানিনা। হ্নীলা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ জরুরী ভিত্তিতে হোল্ডিং কার্য্যক্রমে অনিয়ম তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। #########################

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT