টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
মেয়াদ শেষ হলেও অব্যবহৃত মোবাইল ডাটা ফেরতের নির্দেশ মন্ত্রীর টেকনাফ পৌরসভার এক গ্রামেই ক্যাম্প পালানো ১৮৩ রোহিঙ্গা স্থানীয়দের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করছে মায়ের গর্ভে ১৩ সপ্তাহ্ বয়সী শিশুর নড়াচড়া হারিয়াখালী থেকে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে তথ্যকেন্দ্রের সহযোগিতায় মীনা দলের সদস্যদের নিয়ে ই-লার্নিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হ্নীলায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ টেকনাফের দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকা হতে ২ জন গ্রেফতার এসএসসির অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাউশির টেকনাফে’ ষষ্ঠ শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে একজনকে অপহরণ

হাড়ের জমজমাট ব্যবসা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৯৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হাড়ের জমজমাট ব্যবসা অনেকেই সেইভাবে চিনতে পারেন না। অথচ ‘হাড্ডি পট্টি’ বললে সহজেই চিনতে পারেন। রোড দুটির প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে ২০টির মতো ছোট বড় হাড় বিক্রির আড়ত গড়ে উঠেছে। কোরবানি উপলক্ষে এসব আড়তে জমে উঠেছে হাড়ের ব্যবসা।
গরু, মহিষ, ছাগলের হাড় ও মাথার চামড়া এখানে বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। এসব হাড় টোকাই এবং অন্যান্যরা ছোট ট্রাক ভর্তি করে ওখানে বিক্রি করতে নিয়ে যান।
বর্তমানে এই পট্টিতে প্রতিকেজি কাঁচা হাড় ৫ টাকা ও শুকনা হাড় ১২ টাকা দরে বিক্রি হয়ে থাকে। কাঁচা হাড় গুঁড়া করে বস্তা বন্দি করা হয। বস্তাবন্দি হাড় ওষুধ শিল্পে ব্যবহার করা হয় বলে আড়তদাররা জানান।
সব আড়তদারের আবার হাড় গুঁড়া করার মেশিন নেই এই পট্টিতে। হাতেগোনা কয়েক জনের আছে। তার মধ্যে একজন ভোলা মিয়া। তিনি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
ভোলা মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, ‘কোরবানির সময় হাড়ের ব্যবসা জমে ওঠে। আমরা এই সময় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার হাড় কিনে থাকি। তবে সরকার আমাদের কোনো ঋণ দেয় না। সরকার ঋণ দিলে এই ব্যবসা আরো ভালো মতো করা যেত।’
স্বাধীনতার পর থেকে এই ব্যবসা করলেও নিজের ভাগ্য তেমন বদলাতে পারেননি বলে জানান ভোলা মিয়া।
আড়তদাররা জানান, হাড় সাধারণত ক্যাপসুলের কভার, মুরগির খাবার, মাছের খাবার, মেলামাইন শিল্পে ও পোশাকের বোতাম তৈরির কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে।
‘হাড্ডি পট্টি’-তে গরুর মাথার চামড়া ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরু ও মহিষের অণ্ডকোষও ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরু ও মহিষের মাথার চামড়া জুতা শিল্পে ব্যবহার হয়ে থাকে এবং সবচেয়ে জমজমাট ব্যবসা হয়ে থাকে গরু ও মহিষের অণ্ডকোষের। এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ও রোদে শুকিয়ে বিশেষ সম্প্রদায়ের খাবার হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে বলে জানালেন আড়তদাররা।
তারা জানান, এগুলো সাধারণত চট্টগ্রামে চড়া মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়া মায়ানমার, চীন ও হংকংয়ে এগুলো রফতানি হয়ে থাকে।
‘হাড্ডি পট্টি’র এক আড়তদার বলেন, ‘আমরা এই ব্যবসা আদিবাসীদের কাছ থেকে শিখেছি। আমরা গরু ও মহিষের অণ্ডকোষ ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা মণ হিসেবে বিক্রি করে থাকি। এগুলো চীনা ও জাপানিদের সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।’
আড়তদাররা জানান, এবার গরু ও মহিষের শিং বিক্রি হচ্ছে না। হাড়ের ব্যবসার সঙ্গে প্রায় কয়েক শতাধিক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন।


হাড়

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT