টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

স্মার্টকার্ড বিতরণের শুরুতেই ভোগান্তি ইসির অব্যবস্থাপনা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

অব্যবস্থাপনা ও ভোগান্তির মধ্য দিয়েই শুরু হলো বহু প্রতীক্ষিত স্মার্টকার্ড বিতরণ। দশ আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি এবং বিদ্যমান লেমিনেটেড কার্ড জমা রেখে স্মার্টকার্ড দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গতকাল সোমবার বিতরণের প্রথম দিনেই দেখা দেয় সফটওয়্যার জটিলতা। ফলে অনেকেই স্মার্টকার্ড না পেয়ে খালি হাতে ফিরে গেছেন। এ ছাড়া ব্যাপক প্রচার না হওয়ায় অনেকেই বিতরণ কেন্দ্রে যাননি। নির্ধারিত এলাকার বাইরে থেকেও অনেককে ভিড় জমাতে দেখা গেছে বিতরণ কেন্দ্রে। বিতরণে অব্যবস্থাপনার পাপাশি স্মার্টকার্ডে ছাপা তথ্যেও ভুলের অভিযোগ করেছেন ভোটাররা। গতকাল সোমবার থেকে ঢাকার উত্তরার

১ ও ২ নম্বর সেক্টরে এবং রমনা থানার তিনটি ওয়ার্ডে কার্ড বিতরণের ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই দিন ঢাকার বাইরে কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহলে কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। এর আগে রোববার রাজধানীতে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিতরণ কেন্দ্রে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে কোন সেক্টরের লোকজন কার্ড পাবেন তা সঠিকভাবে প্রচার হয়নি। ফলে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের কারিগরি বিশেষজ্ঞ ফয়সাল মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ স্বীকার করেন, প্রথম দিনে বেশ কিছু সমস্যা হয়েছে। তবে আগামীতে এ সমস্যা আর থাকবে না।
উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের নিচতলায় বেঞ্চ নিয়ে বসে আছেন ২৫ কর্মী। সকালের দিকে ওই কেন্দ্রে উপচেপড়া ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই লোকসমাগম কমতে থাকে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এখানে একটি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কিছু এলাকার নাগরিকদের কার্ড বিতরণের জন্য পূর্ব ঘোষণা দেওয়া হলেও দিনভর পুরো উত্তরা এলাকার বিভিন্ন সেক্টরের নাগরিকরা এসে ভিড় জমান।
শুরুতেই কারিগরি ত্রুটি :শুরুতেই সফটওয়্যার জটিলতায় সকালে এক ঘণ্টার জন্য কার্যক্রম বন্ধ থাকে। ওই সময়ে অনেকের আঙুলের ছাপ ও আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেওয়া হলেও তাদের কার্ড দেওয়া হয়নি। দুপুরের পর তাদের ফোন করে ডেকে আনা হয়। তবে সরকারি অফিস খোলার দিনে একই ব্যক্তি একাধিকবার কেন্দ্রে যেতে বিড়ম্বনায় পড়েন। ইসির ঢাকা বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মিহির সারোয়ার মোর্শেদ জানান, শুরুতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলেও পরে তা সংশোধন করা হয়েছে। যাদের কার্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাদের ফোন নম্বর রাখা হয়েছে। ডেকে এনে কার্ড বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অদক্ষ কর্মী ও প্রচারে বিভ্রান্তি :উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে একটি কার্ড বিতরণে সময় ব্যয় হয় প্রায় আধাঘণ্টা। এতে গতকালের জন্য নির্ধারিত এলাকার অর্ধেক কার্ডও বিতরণ করা যায়নি। উত্তরা এক নম্বর সেক্টরের তিন নম্বর রোডের বাসিন্দা মোস্তফা কামাল প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চেষ্টা করেও কার্ড হাতে পাননি। বায়োমেট্রিক মেশিন তার আঙুলের ছাপ নিতে পারছিল না। বার বার মেশিন পরিবর্তন করেও সমাধান মেলেনি। পরে কার্ড না নিয়েই তাকে ফেরত যেতে হয়। নাসরিন হক ২৫ মিনিট ধরে আঙুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি দেন। পরে তার কার্ড খুঁজতে গিয়ে জানা গেল তিনি চার নম্বর সেক্টরের ভোটার। বর্তমানে ১ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা। গতকাল পর্যন্ত তার স্মার্টকার্ড উত্তরা কেন্দ্রে আসেনি। শুরুতে তার এলাকা যাচাই না করেই আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছে। এখন ৪ নম্বর সেক্টরের কার্ড বিতরণের দিন তাকে নতুন করে আঙুলের ছাপ দিতে হবে কি-না এমন প্রশ্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কর্মী কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
প্রতিবেশীর কাছ থেকে খবর পেয়ে কার্ড নিতে আসেন ১ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা তোফায়েল মিয়া। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ অফিস করবে, না কার্ড নেবে। আজ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে কোন যুক্তিতে। এ কার্যক্রম শুক্র ও শনিবার বেছে নিতে পারত কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া এলাকাভিত্তিক মাইকিং করে প্রচার না চালানোর কারণেও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
ভুল তথ্যেই স্মার্টকার্ড :উত্তরা ২ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা লুৎফুন নাহার কার্ড হাতে পেয়ে খুশি হলেও পুরনো কার্ডের তথ্য থেকে যাওয়ায় কিছুটা হতাশ হয়েছেন। তার প্রত্যাশা ছিল নতুন তথ্যসংবলিত কার্ড হাতে পাবেন। এখন সংশোধিত তথ্যে স্মার্টকার্ড পেতে হলে কী করতে হবে_এই বিষয়ে কারও কাছ থেকেই তিনি সদুত্তর পাননি। বিতরণ কর্মীরাও লাজবাব।
স্মার্টকার্ড বিতরণে অব্যবস্থাপনার বিষয়ে উত্তরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহজালাল বলেন, শুরুতে কিছু ত্রুটি হলেও দ্রুতই তা সারিয়ে নিয়েছি। প্রচারের দুর্বলতার বিষয়ে তিনি বলেন, এলাকাভিত্তিক প্রচারের জন্য প্রকল্প থেকে কোনো নির্দেশনা বা বরাদ্দ পাননি তারা। এমনকি কর্মীদের কাজ করার জন্য ল্যাপটপে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে মাল্টিপ্লাগও সরবরাহ করা হয়নি।
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে বিতরণ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে কার্ড বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোন এলাকার বাসিন্দারা কবে কেন্দ্রে আসবেন স্থানীয়ভাবে তা মাইকিং করা হয়নি। যদিও ইসি কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, মাইকিংয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যমান লেমিনেটেড কার্ডে তথ্য সঠিক থাকলেও নতুন স্মার্টকার্ডে নামসহ অন্যান্য তথ্যে ভুল। এ নিয়ে ভোটাররা বিতরণ কর্মীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বেসরকারি চাকরিজীবী নাবিদ আওয়ান বলেন, আগের পরিচয়পত্রে তার নাম সঠিক বানানে লেখা থাকলেও স্মার্টকার্ডে ভুল বানানে ‘নাবিদ আওয়ানন’ লেখা হয়েছে। দুটি পরিচয়পত্র মিলিয়ে দেখানোর পরেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এটা মানতে চাইছেন না। বরং ভুল সংশোধনের জন্য আগারগাঁওয়ে ইসি কার্যালয়ে গিয়ে আবেদন করতে বলেছেন।
একই অভিযোগ করেন নাবিদ আওয়ানের মা মোহতারেমা ফাতেমা মাসুদ। তিনি বলেন, ‘ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে স্মার্টকার্ডে স্বামীর নামের স্থলে বাবার নাম প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে তার বাবার নাম ভুল বানানে লেখা হয়েছে।’ দু’জনের স্মার্টকার্ড ও আগের পরিচয়পত্র মিলিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ওই ক্যাম্পে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এ ধরনের অভিযোগের সংখ্যা কম নয়। অনেকেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি নজরে এনেছেন। তবে তাদের সবাইকে এ জন্য আগারগাঁওয়ে ইসি কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ জানাতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় অনেক বাসিন্দার মতো গতকাল সকাল থেকেই স্মার্টকার্ড নিতে সেগুনবাগিচা হাইস্কুলে জড়ো হন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নবিবর রহমান। তিনি জানান, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেখেই তিনি স্মার্টকার্ড নিতে এসেছিলেন, কিন্তু এখান থেকে বলা হচ্ছে ১৩ অক্টোবর থেকে এই কেন্দ্রে বিতরণ শুরু হবে। পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেগুনবাগিচা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক একেএম ওবায়দুল্লাহ সমকালকে বলেন, ‘২০ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক ভোটার স্মার্টকার্ড নিতে স্কুলে এসেছিলেন। আজ আমাদের এখানে কার্ড বিতরণের কোনো কর্মসূচি ছিল না। এ কারণে মৌখিকভাবে বুঝিয়ে তাদের ফেরত পাঠিয়েছি এবং তাদের ১৩ অক্টোবর এসে স্মার্টকার্ড নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। তারপরেও দিনের বিভিন্ন সময় ভোটাররা স্কুল প্রাঙ্গণে আসতে থাকেন, যে কারণে পত্রিকায় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি স্কুলের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দিয়েছি। আশা করি স্মার্টকার্ড বিতরণে সূচি নিয়ে মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে।’ তিনি জানান, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারদের ১৩ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে সিরিয়াল অনুসারে স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সচিব সিরাজুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘এ ধরনের কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে তথ্য যাচাই না করে কিছু বলা সম্ভব নয়। এমনও হতে পারে, যারা পুরনো পরিচয়পত্র সংশোধন করেছেন, সেই তথ্য স্মার্টকার্ডে উঠে আসেনি।’
ভবিষ্যতেও ভোগান্তির আশঙ্কা

জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষিত নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধনে বিভিন্ন মহল থেকে একাধিকবার দাবি উঠলেও তাতে কর্ণপাত করেনি ইসি। ২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা শুরুর সময় থেকেই আইডি কার্ডে নানা অসঙ্গতি ধরা পড়তে শুরু করে। ইসির পক্ষ থেকে এনআইডির প্রধান কার্যালয়ে সংশোধনের সীমিত সুযোগ রাখা হয়েছিল। জরুরি প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নাগরিকরা নানা ভোগান্তি মোকাবেলা করে কার্ড সংশোধন করে আসছেন এতদিন। ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষিত ১০ কোটির মধ্যে প্রায় এক কোটি ভোটারের স্মার্টকার্ড ছাপানো ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। তথ্য যাচাই না করে স্মার্টকার্ড ছাপানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তাতে সাড়া দেয়নি ইসি। প্রথমবার এই কার্ড বিনামূল্যে দেওয়া হলেও পরে সংশোধনের জন্য নির্ধারিত হারে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত জেলা-উপজেলার সঙ্গে এনআইডির কানেক্টিভিটি গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। তাই সংশোধনের জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষকে আসতে হবে ঢাকায়। পড়তে হবে ভোগান্তিতে।
চার ওয়ার্ডে তিন সপ্তাহ ধরে বিতরণ

উত্তরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজালাল জানিয়েছেন, উত্তরার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ৬৩ হাজারেরও বেশি ভোটারের স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে। ৩ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তরা হাইস্কুল ও কলেজে বিতরণকাজ চলবে। অন্যদিকে রমনা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুবা মমতা হেনা জানান, রমনার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটাররা সিদ্ধেশ্বরী গার্লস হাইস্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ৩ থেকে ১০ অক্টোবর, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে সেগুনবাগিচা হাইস্কুল কেন্দ্রে ১৩ থেকে ২০ অক্টোবর এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ডে উদয়ন স্কুলে ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটাররা এসে স্মার্টকার্ড নিতে পারবেন। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একটানা এই কার্যক্রম চলবে।

চার পর্যায়ে দেশজুড়ে বিতরণ

প্রথম পর্যায়- ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও কুড়িগ্রাম; দ্বিতীয় পর্যায়- খুলনা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন; তৃতীয় পর্যায়- ৬৪টি সদর উপজেলা; চতুর্থ পর্যায়- বাকি সব উপজেলায় স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে।

হেল্প ডেস্ক ১০৫

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত তথ্য জানাতে একটি হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে। যে কোনো ফোন থেকে ১০৫ নম্বরে কল করলে নাগরিকদের তথ্য জানানো হবে। এসএমএসের মাধ্যমে বিতরণের তারিখ ও কেন্দ্র জানতে যে কোনো মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ঝঈ লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে (যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্মসাল যুক্ত করে) ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। যারা ভোটার হয়ে এখনও এনআইডি পাননি তাদের প্রথমে ঝঈ লিখে স্পেস দিয়ে ঋ লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন স্লিপের ফরম নম্বর স্পেস দিয়ে উ লিখে ুুু-সসস-ফফফ ফরম্যাটে জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজে বিতরণের তারিখ ও বিতরণ কেন্দ্র জানিয়ে দেওয়া হবে।
তবে গতকাল দিনভর এই নম্বরে কল দিয়ে কোনো কর্মকর্তার সংযোগ পাওয়া যায়নি। এমনকি রাত ৯টায় ওই নম্বরে ফোন দেওয়া হলেও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় রাখার পরে জানানো হয় সবক’টি লাইন এখন ব্যস্ত রয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT