টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
দেশের ৮০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার’ এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০ হেফাজতের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে পারে: মামলায় গ্রেফতার ৪৭০ জন মৃত্যু রহস্য : তিমি দুটি স্বামী – স্ত্রী : শোকে স্ত্রী তিমির আত্মহত্যাঃ ধারণা বিজ্ঞানীর দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ দাঙ্গা দমনে পুলিশের সাঁজোয়া যান সাজছে নতুনরূপে শ্রমিকের সস্তা জীবন, মায়ের আহাজারি আর ধনীর ‘উন্নয়ন’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত নেতাদের বৈঠকে মূলত তিনটি বিষয় সরকারের পতন ঘটাতে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সখ্য ছিল মামুনুলের ধর্মীয় নেতাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

সাবেক এমপির সাথে বর্তমান সভাপতি : বর্তমান এমপির সাথে কমিশনারের প্রতিদ্বন্দিতা : কারো মনে উল্লাস কারো মনে হতাশ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৩
  • ১৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিরোধী দলের আন্দোলনের মধ্যে দীর্ঘ ৯ বছর পর টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৯ জানুয়ারী। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই সম্মেলনে সভাপতি পদে সাবেক এমপির সঙ্গে বর্তমান সভাপতি এবং বর্তমান এমপির সাথে পৌর কাউন্সিলরের চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দিতা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। কাউন্সিলরদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ উদ্দীপনা। কিন্তু অনেক ত্যাগী নেতা-কর্মী কাউন্সিলর হতে না পারায় চরম হতাশ হয়ে পড়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়-২০০৩সালের উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দীর্ঘদিন পর সীমান্ত জনপদে ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সভাপতি-সাধারন সম্পাদক প্রার্থী পদে সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও প্রবীণ কয়েকজন নেতা জোর লবিং শুরু করেছে। উপজেলার ১টি পৌর সভা ও ৬টি ইউনিয়নের কাউন্সিলরদের ঘরে ঘরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ আলোড়ন সৃষ্টি করলেও সাবেক কমিটির মদদপুষ্ট ইউনিয়ন আহবায়কদের যোগ-সাজশ করে ত্যাগী নেতাদের অনেককে কাউন্সিলর থেকে বাহিরে রাখার বিষয়টি হতাশার সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গ্রুপিং ও বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দের কারনে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছিল। কতিপয় নেতার স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এবারের কাউন্সিলর ও সাধারন নেতা-কর্মীরা যোগ্য নেতৃত্ব তৈরীর লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে উপজেলা আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট সুত্র দাবী করলেও অঘোষিতভাবে ২টি প্যানেলের আবির্ভাব ঘটেছে। এবারের সম্মেলনে যারা প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ অবস্থান সৃষ্টি করতে মরিয়া তাদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি-জাফর আলম চৌধুরী সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। অপরদিকে বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি, কমিশনার নুরুল বশর সাঃ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন বলে জোর প্রচারনা চলছে। এ সম্মেলনকে ঘিরে ত্যাগী ও অবহেলিত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহের আমেজ দেখা গেলেও একটি মহল কৌশলে প্রকৃত ত্যাগী নেতাদের কাউন্সিলর না করায় তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী বলেন-দলের অন্তিম মুর্হুতে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করে দলকে সংগঠিত করে ভিশন-২১বাস্তবায়নে অবদান রাখতে চাই। তবে এখনতো সৎ মানুষের মুল্যায়ন নেই। এলাকার কাউন্সিলরেরা যদি আমাকে নির্বাচিত করে আমি দলের হাল ধরতে পারবো বলে  আশাবাদী। জাফর আলম চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় তার এক শুভাকাংখী বলেন-দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি এবং দলের জন্য অনেক কিছু করেছে। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করলে তিনি আবারো জয়ী হবো বলে অনেকটা নিশ্চিত। ভাইস চেয়ারম্যান ইউনুছ বাঙ্গালী অনেকটা চাপা ক্ষোভে বলেন-সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্য অনেক আগ থেকে উপর মহলে ঘোষনা দিয়ে আসছি। তবে হঠাৎ করে গত ২৬ জানুয়ারী বর্তমান সংসদ সদস্য এমপি আব্দুর রহমান বদি নিজেই সাধারন সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দিতা করার ঘোষণা দেওয়ায় আমি প্রতিদ্বন্দিতা করবনা। উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর নুরুল বশর বলেন-আওয়ামী লীগের প্রতিটি দুঃসময়ে আমি ছিলাম এখনো আছি আগামীতেও থাকব। তবে সাধারন সম্পাদক পদে অতীতেও প্রদ্বিন্দিতা করেছিলাম বর্তমানও করে যাব। এই পদে প্রতিদ্বন্দিতা করে হারলে আমার সম্মান ক্ষুন্ন্ হবেনা বরং বাড়বে গ্রহণযোগ্যতা। শেষ পর্যন্তই মাঠ না ছাড়ার ঘোষনা দিয়েছেন তিনি। এই সম্মেলনকে ঘিরে পুরো উপজেলার কাউন্সিলর ও নেতা-কর্মীরা যোগ্য নেতৃত্ব সৃষ্টি করার মধ্যদিয়ে আওয়ামী রাজনীতির আমূল পরিবর্তন আনবে বলে মত প্রকাশ করেন অনেকে। তবে অনেক ব্যক্তি কাউন্সিলরদের দ্বারে দ্বারে কালো টাকা নিয়ে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনসাধারন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা মনে করেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকতে আগামী ২৯ জানুয়ারীর সম্মেলন বর্তমান ও সাবেক ২এমপির জন্য একটি সোপান হয়ে দাড়াবে। #######################

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT