টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

সংবাদ প্রকাশের উল্টো ফল ॥ হ্নীলা স্কুলে ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণের নামে মোটাঙ্কের উৎকোচ আদায়

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৩
  • ৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সাদ্দাম হোসাইন, হ্নীলা ***
টেকনাফের হ্নীলা হাই স্কুলের সেই সহকারী প্রধান শিক্ষক গতকাল ওই স্কুলের ৬৩ এসএসসি উত্তীর্ণ
দের কাছ থেকে ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণের নামে রশিদবিহীন সাড়ে ১২ হাজার টাকা উৎকোচ আদায়ের
অভিযোগ উঠেছে। অথচ গতকাল জেলার প্রায় সকল পত্রিকায় সেই সহকারী প্রধান শিক্ষক কর্তৃক
জনতা ব্যাংকে ১৩ শিক্ষক-কর্মচারীর ৮ মাসের সাড়ে ৫ লাখ টাকা বেতন-বিল জাল-জালিয়াতির
সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই সংবাদের এমনটি উল্টো ফল ঘটবে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক ও
এলাকাবাসীর কারো কল্পনায় আসেনি। কোন কিছুর পরওয়া না করে একের পর এক অঘটন ঘটনের
জন্মদাতা সেই সহকারী প্রধান শিক্ষক আবদুস সালামের খুঁটির জোর কোথায়! এমন প্রশ্ন জে
গেছে সংশ্লিষ্টদের মাঝে।
খোঁজ-খবর নিয়ে ও ভুক্তভোগী এসএসসি উত্তীর্ণদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর ভূয়া
ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে মামলা-পাল্টা মামলা, বহিস্কার-পাল্টা বহিস্কারের ঘটনায় সৃষ্ট
জটিলতায় এমনিতেই তারা তেমন ক্লাস ও সহযোগীতা পায়নি; মড়ার উপর খাড়ার ঘা’র মত উ”চ
মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য ট্রান্সক্রিপ্ট পেতেও তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। না প্রকাশ না করার শে
র্ত এসএসসি উত্তীর্ণদের মধ্যে কয়েকজন জানায়, এসএসসি পাশের পর উ”চ মাধ্যমিক শ্রেণী
তে ভর্তির লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ড হতে ইস্যূকৃত ট্রান্সক্রিপ্ট নেয়ার জন্য স্কুলে গেলে কর্মরত প্রধান
শিক্ষক মোক্তার আহমদ বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রত্যয়ন পত্র
নিয়ে ট্রান্সক্রিপ্ট এনে দিবেন জানিয়ে ১৮ জুন দুপুরে তাদের নিয়ে ইউএনও অফিসে যান।
এসময় ইউএনও প্রধান শিক্ষককের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের সামনেই তীব্র ভাষায় বকাঝকা করে
প্রধান শিক্ষকের দেয়া দরখাস্ত ছিঁড়ে ফেলেন। পরে উত্তীর্ণদের কাছ থেকে দরখাস্ত নিয়ে সহকারী
প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ট্রান্সক্রিপ্ট নিতে নিদের্শ দেন। সে মোতাবেক গতকাল ১৯ জুন সকাল
থেকে স্কুল অফিস বাদ দিয়ে আধ কিলোমিটার দূরের হ্নীলা বাস ষ্টেশনস্থ হোটেল সিকদার প্লাজার
৩য় তলায় ২১৩ নম্বর কক্ষ হতে সহকারী প্রধান শিক্ষককে জনপ্রতি ২শ’ টাকা দিয়ে ট্রান্সক্রিপ্ট নি
য়ে তা ফটোকপি করে আবার স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মোক্তার আহমদের কাছ থেকে সত্যায়িত করে
নিতে হয়েছে। উত্তীর্ণরা জানায়, তাদের এসএসসি ফরম ফিল-আপের সময় সমস্ত টাকা নেয়া হলেও
সহকারী প্রধান শিক্ষক স্কুলের রশিদ ছাড়া তাদের কাছ থেকে ২শ’ টাকা করে নি”েছ।
এ খবর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক ও এলাকাবাবসীর মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
##################

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT