টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

শাহপরীর দ্বীপ সড়কে চলাচলের একমাত্র বাহন নৌকা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ আগস্ট, ২০১২
  • ২৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দ্বীপে সিএনজি রিক্সা ও দোকানীরা হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত দাম
মমতাজুল ইসলাম মনু টেকনাফ সীমান্ত শহর টেকনাফ থেকে শাহপরীর দ্বীপের সাথে স্থল যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যমটি সাগরে রূপ নিয়েছে। অবশেষে একমাত্র স্থল দিকটিও গিলে খেল তিন দিকের সাগর। বলা যায় শাহপরীর দ্বীপ এখন একটি পরিপূর্ণ দ্বীপ। যার চার দিকে সাগর আর সাগর। মানচিত্রে দেশের দ্বিতীয় সেন্টমার্টিন দ্বীপ হিসেবে শাহপরীর দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। শাহপরী নামের সাথে দ্বীপ জড়ানো থাকলেও উপকূলের অন্যান্য দ্বীপের মতো টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগের ছোঁয়া থেকে দুরে অনেক দুরে। ৯১’র ঘূর্ণিঝড় থেকে শুরু করে কোন ঝড় শাহপরীর দ্বীপকে টলাতে পারেনি। একটি বালুকাময় দ্বীপ। টানা বৃষ্টি,মোষলধারে বৃষ্টি কোন বৃষ্টিই এ দ্বীপের মানুষের যন্ত্রণার কারণ ছিলনা। যত বৃষ্টিই হোক নিমিষেই চুষে যায় বালুকার পরে। বাঁধ সাঁজলো বেড়িবাঁধ। সুন্দর পরিচ্ছন্ন ও গোছালো জীবন যাপনে অভ্যস্থ শাহপরীর দ্বীপ বাসীর শান্তির ঘুম কেড়ে নিল এ বেড়িবাঁধ। সাগরের কোন ঢেউ-ই আটকাতে পারলোনা অসহায় দুর্বল বেড়িবাঁধ। সাগর ঘেঁষে বসবাস করলে বেড়িবাঁধকে ঢেউয়ের শক্তি সম্পর্কে জানতে হবে। আর বেড়িবাঁধ যে বানাবে তাকে সাগরের ঢেউ মোকাবেলায় এর মান সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল হতে হবে। এ সম্যক ধারণা না নিয়ে স্পর্শকাতর এ দ্বীপের বিশাল এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ সংস্কারের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধের পুরোটাই সাগর বক্ষে বিলিয়ে দিল যে টিকাদার কোং। আজ সময় এসেছে সে অসাধু কোং ও এর সাথে জড়িতদের রুখে দাঁড়াবার ও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের। শাহপরীর দ্বীপের ব্যবসায়ী এমদাদ বলেন,যে বেড়িবাঁধ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান শাহপরীর দ্বীপ বাসীর শান্তির ঘুম কেড়ে নিল তাকে এত সহজে ছেড়ে দেয়া যায়না। যার কারণে আজ এ দ্বীপের বাসিন্দারা খোলা আকাশের নীচে অনাহারে অর্ধাহারে না খেয়ে দিনাতিপাত করছে। নিজ বসত বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছে। শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রি পাড়ার হাজী আবুল কালাম জানান এখন আর বেড়িবাঁধে গিয়ে সাগরের বেলা ভুমি ও ঢেউ দেখার প্রয়োজন পড়েনা। তিন রাস্তার মাথায় বাজারে এলেই সাগরের বেলা ভুমি ও ঢেউ দেখা যায়। বেড়িবাঁধের ভাঙ্গন দিয়ে পূর্ণিমার জোয়ারের পানি ঢুকে ফের ডুবে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সাগর শাহপরীর দ্বীপকে ক্রমশঃ গিলে খাচ্ছে। অব্যাহত বেড়িবাঁধের ভাঙ্গনের ফলে শাহপরীর দ্বীপের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রকৃতির সাথে লড়াই করছে। ভৌগলিক ভাবে শাহপরীর দ্বীপ পুর্বে নাফনদী,দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর ও উত্তরে সমতল ভূমি। এক সময় শাহপরীর দ্বী মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। এর উত্তর পুর্ব ও পশ্চিম দিক ঘিরে ভরার খাল নামে একটি খাল ছিল। এ খাল দিয়ে সাগর ও নাফনদীর পানি চলাচল এবং ভারী নৌযান যাতায়াত করতো। তৎকালিন পাকিস্তান সরকারের শাসন আমলে শাহপরীর দ্বীপকে মুল ভূখনোডর সাথে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ভরার খালের উভয় মুখে নাফ নদী ও সাগরে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে এবং খালের মধ্যখানে মাটি ভরাট করে ভূখন্ডের সাথে সড়ক সংযোগ স্থাপন করার পর থেকে শাহপরীর দ্বীপ মূল ভূখন্ডের সাথে মিলে যায়। বাংলাদশে স্বাধীন হওয়ার পর তৎকালীন বএিনপি সরকাররে আমলে টকেনাফ থকেে শাহপরীরদ্বীপরে বাজারপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১৩ কলিোমটিার সড়ক কাপর্টেংি এর আওতায় নয়িে আস।ে র্বতমান আওয়ামীলীগ সরকাররে আমলে কক্সবাজার টু শাহপরীরদ্বীপ যাত্রীবাহী বাস চলাচলরে ব্যবস্থা করে । এর পাশাপাশি প্রতদিনি সএিনজ,ি মাইক্রো, প্রাইভটেগাড়ী ও ট্রাক যাতায়ত করে আসছ।ে শাহপরীরদ্বীপ একটি সম্ভাবনাময় আর্কষনীয় পর্যটন স্পট এবং এখান থকেে সন্টের্মাটনি দ্বীপরে দুরত্ব মাত্র ১০ কলিোমটিার। মৎস্য ও লবণ সম্পদরে জন্য বখ্যিাত হচ্ছে শাহপরীরদ্বীপ। এখানকার অধবিাসীরা অধকিাংশ মৎস্যজীবি এবং প্রবাসী। এক সময় শাহপরীরদ্বীপরে বদর মোকাম ছলি ময়িানমাররে আকয়িাবরে সাথে ব্যবসা বাণজ্যিরে কন্দ্রে বন্দিু। র্বতমানে বদর মোকামটি নাফ নদী ও সাগর র্গভে চলে গছে।ে এখন সখোনে জলেরো মাছ আহরন করে ও নৌকা চলাচল কর।ে এভাবে শাহপরীরদ্বীপরে উপর চলছে নাফনদী ও সাগররে প্রকৃতরি যুদ্ধ। এ দ্বীপরে সবচয়েে ক্ষতগ্রিস্থ পাড়া হচ্ছ,ে দক্ষণি পাড়া, পশ্চমি পাড়া, জালয়িা পাড়া, মাঝরে পাড়া ও উত্তর পাড়া। এসব পাড়া উপকূল সংলগ্ন তাই তারা আজবিন সাগররে প্রকৃতরি সাথে লড়াই করে জীবন যুদ্ধ চালয়িে যাচ্ছ।ে শাহপরীরদ্বীপরে মানুষ সহজ ও সরল তাই তারা যে সরকার ক্ষমতায় আসে সে সরকাররে পাশে দাড়ায়। তাদরে একমাত্র দাবী শাহপরীরদ্বীপকে সাগররে ভাঙ্গন থকেে রক্ষা করা। তারা এ আশা ও প্রত্যাশা নয়িে বঁেচে আছ।ে কন্তিু সরকার যায় সরকার আস,ে কন্তিু তাদরে দাবী ও ভাগ্যরে পরর্বিতন আসনো। বরং উল্টো প্রকৃতি তাদরে প্রতশিোধ নচ্ছি।ে এ ব্যাপারে কউে আন্তরকিতার সাথে এগয়িে আসছনো। বাংলাদশে স্বাধীন হওয়ার পর থকেে আজ পর্যন্ত আওয়ামীলীগ, বএিনপ,ি জাতীয় র্পাটি সরকার ক্ষমতায় আস।ে শাহপরীরদ্বীপ নাফনদী ও সাগররে অব্যাহত ভাংগন ঠকোতে কাজরে বনিমিয়ে খাদ্য, এডবিি ও বশ্বিব্যাংক খাতে যে পরমিান খাদ্য ও র্অথ বরাদ্ধ দয়িছেলি, তার সকিি পরমিানও ব্যয় করা হয়ন-ি এমন মন্তব্য করে আসছনে শাহপরীরদ্বীপরে সচতেন মানুষ। এসব র্অথ শুধু দলীয় নতো র্কমী সরকারী আমলা স্থানীয় প্রভাবশালীদরে পকটেইে চলে গছে।ে যার জন্য এর খশোরত দতিে হচ্ছ,ে এ জনপদরে মানুষদরে। র্বতমান সরকাররে আমলে শাহপরীরদ্বীপ রর্ক্ষাথে এ পর্যন্ত ৯ কোটি টাকা বরাদ্ধ দয়িছেলি। প্রদত্ত র্অথ দশে ও জাতীর কোন উপকারে আসনে।ি চলতি বছর র্বষার আগে ভাড়াটে ঠকিাদার তড়ঘিড়ি করে উক্ত কাজ সম্পাদন করে চলে যায়। এর পর দখো যায় স্বাভাবকি জোয়ার থকেে নর্মিতি বড়েী বাঁধ রক্ষা পায়ন।ি শাহপরীরদ্বীপ বড়েীবাধ নর্মিান কাজে ব্যাপক অনয়িম র্দুনীতি ও হারলিুটরে কারনে সাগররে পানতিে ভাসছে পুরো দ্বীপবাসী। এমতাবস্থায় শাহপরীরদ্বীপ সাবরাং টকেনাফ ও টকেনাফ পৌর এলাকার জন্য একটি হুমকি হয়ে দাড়য়িছে।ে সম্প্রতি প্রবল র্বষন ও জোয়ারে শাহপরীরদ্বীপ রক্ষাকারী পশ্চমি পাড়ার বড়েবিাঁধ ভঙ্গেে উপকূলীয় এলাকা জলোচ্ছ্বাসে কবলতি হলে টকেনাফ-শাহপরীরদ্বীপ যোগাযোগ রক্ষাকারী ভরারকুল খালরে উপর দয়িে যাওয়ায় সড়কটি পানরি স্রোতে ভঙ্গেে যায়। ফলে শাহপরীরদ্বীপ মূলভূখন্ডরে সাথে যোগাযোগ গত ২১ জুলাই থকেে একবোরে বচ্ছিন্নি হয়ে যায়। এতে শাহপরীরদ্বীপরে অধবিাসীরা চরম ভাবে ভোগান্ততিে পড়ে । বকিল্প পথ হসিাবে নৌকা ও সাঁকো দয়িে যাতায়ত করছে শাহপরীরদ্বীপরে ৩০ হাজার মানুষ। স্থানীয় ভোক্ত ভোগীরা বলছেন,আমরা ত্রান চাইনা । তাদরে দাবী একমাত্র মজবুত বড়েীবাঁধ। দ্বীপরে সচতেন মানুষরে বক্তব্য- সরকার আসে সরকার চলে যায়, এরপরও দ্বীপ বাসীর প্রত্যাশা র্পূণ হয়না। রাজনতৈকি দলরে নতোরা দ্বীপবাসীর কাছে দয়ো নর্বিাচনী প্রতশ্রি“তি পূরণ না করে প্রতারনা করে যাচ্ছ।ে এছাড়া টকেনাফ সদর ও পৌর এলাকার জালয়িাপাড়ার নাফ নদীর আড়াই নং স্লুইস গটে বড়েীবাঁধটি রক্ষা করা যাচ্ছনো। নাফনদীর জলোচ্ছ্বাসে ৫টি পাড়া লোনা পানতিে ভাসছ।ে নাজরিপাড়া, উত্তর জালয়িাপাড়া, দক্ষণি জালয়িা পাড়া, মৌলবী পাড়া ও জালয়িাপাড়ার একমাত্র শক্ষিা প্রতষ্ঠিান রজেঃি বসেরকারী প্রাথমকি বদ্যিালয় পানতিে ভাসছ।ে এতে ৭ শত ছাত্র/ছাত্রী প্রাথমকি শক্ষিা থকেে বঞ্চতি হচ্ছ।ে সাবরাং ইউপি চয়োরম্যান আলহাজ্ব হামদিুর রহমান জানান- টকেনাফ-শাহপরীরদ্বীপ সড়করে এই ভয়াবহ দশা এবং শাহপরীরদ্বীপরে ৩০ হাজার বনি আদমরে র্দুদশার জন্য সড়ক ও জনপদ বভিাগ দায়ী। এদকিে সড়করে ভাঙ্গণ স্থানে উৎসাহী কিছু যুবকরে একটি দল সাঁকো তরৈী করে দিলেও প্রবল বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতি অবণতির কারণে এই সাঁকোটিও পানতিে তলয়িে গেছে। এখন চলাচলের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। এদিকে শাহপরীর দ্বীপের সাথে টেকনাফের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে টেকনাফ থেকে হারিয়া খালী পর্যন্ত অতিরিক্ত সিএনজি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার হারিয়া খালী থেকে (প্রায় ৩ কিঃমিঃ পানি বেয়ে) উত্তর পাড়ার শেষ মাথা পর্যন্ত নৌকা ভাড়া নেয়া হচ্ছে মাথাপিছু ২০ টাকা। দ্বীপে বাজার থেকে উত্তর পাড়ার শেষ মাথা পর্যন্ত রিক্সা ভাড়া ১০ টাকার পরিবর্তে নেয়া হচ্ছে ২০ টাকা। টেকনাফ থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত ৪০ টাকা ভাড়ার জায়গায় অতিরিক্ত আরো ৪০ টাকা বেশী আদায় হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এদিকে শাহপরীর দ্বীপের সাথে টেকনাফের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে দ্বীপে পিয়াজ,রসুন,চিনি চনা সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে গিয়েছ্ েশাহপরীর দ্বীপ বাজারের নাসির কুলিং কর্ণারের মালিক জালাল আহমদ সওদাগর জানান,যে সমস্ত পন্য টেকনাফ থেকে আনা হয় সেগুলোর খরচ বেশী পড়ায় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।-

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

২ responses to “শাহপরীর দ্বীপ সড়কে চলাচলের একমাত্র বাহন নৌকা”

  1. রাশেদুল হাসান says:

    খুব খারাপ লাগতেছে!
    আল্লাহ্‌ শাহ্‌-পরীর দ্বীপ বাসীকে রক্ষা করুন! 🙂

  2. Mohammad rana says:

    Allah..oder k rokka koro…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT