টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
করোনার উপসর্গ দেখা দিলে ‘আইসোলেশনে’ থাকবেন যেভাবে ১২-১৩ এপ্রিল দূরপাল্লার বাস চলবে না : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিকাল ৫.০০ টার পর একাধিক দোকান ও শপিংমল খোলা রাখায় জরিমানা চেয়ারম্যান -মেম্বারদের চলতি মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ছে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনায় ৬৪ জেলার দায়িত্বে ৬৪ সচিব মেয়ের বিয়ের যৌতুকের টাকা জোগাড় করতে না পেরে বাবার আত্মহত্যা মিয়ানমারে গুলিতে আরও ১০ জন নিহত যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপহরণ করে মুক্তিপণ, র‌্যাবের ৪ সদস্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন

শাহপরীরদ্বীপের বিধ্বস্থ বেড়ীবাঁধ নির্মাণে আন্তঃমন্ত্রনালয়ে ১০৮ কোটি টাকার প্রকল্প দাখিল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৩
  • ১৫৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

undefined
সিকি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শাহপরীরদ্বীপ বিধ্বস্থ বেড়ী বাঁধের রিং বাঁধও ভেঙ্গে গিয়েছে। এতে শাহপরীরদ্বীপের ৫টি গ্রামের কয়েকশ বতসবাড়ী, রোপা আমন, মৌসুমি সবজি, প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলীর সরেজমিন বিধ্বস্থ বেড়ী বাঁধ পরিদর্শন করার দিনেই রিংবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে আতংক দেখা দিয়েছে। এদিকে, শাহপরীরদ্বীপ বিধ্বস্থ বেড়ীবাঁধের ভাঙ্গা অংশ পূণঃ নির্মানের জন্য কারিগরী কমিটি কর্তৃক প্রণীত ১০৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে দাখিল করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেকনাফস্থ অফিস সুত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে প্রস্তুতকৃত ১০৮ কোটি টাকার প্রকল্পটি চট্টগ্রামের দক্ষিন পূর্ব অঞ্চলীয় প্রধান প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিচালক বরাবরে দাখিল করা হয়েছে। উক্ত প্রকল্প নিয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ মঞ্জুরির জন্য বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হবে। সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে জলবায়ু ট্রাষ্ট ফান্ড ছাড়া এ বিশাল অর্থ মঞ্জুরি সম্ভব নয়। আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে তা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি। জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড ৬৮ নং ফোল্ডারে শাহপরীরদ্বীপের পশ্চিম পাড়া বিধ্বস্থ বেড়ীবাঁধের ভাঙ্গন অংশ জরুরী মেরামতের জন্য অতি সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০ লক্ষ টাকা রিং বাঁধের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিল। স্থানীয় জনসাধারনও এই রিং বাঁধে আর্থিক সহযোগীতা দিয়েছে। কিন্তু রিং বাঁধের কাজ শেষ হতে না হতেই ২৮ ডিসেম্বর রাতে আবারো ভেঙ্গে গিয়ে গ্রাম প্লাবিত হয়। টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শফিক মিয়া জানান, এই রিংবাঁধ তৈরীতে ১৮ হাজার বালি ভর্তি বস্তা ব্যবহার করেও সাগরের ঢেউ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। টেকনাফ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের অর্জুন জানান, ৬৮ নং ফোল্ডারটির আয়তন ২৭ কিলোমিটার। ২০১১-১২ অর্থ বছরে সাবরাং অংশের ভাঙ্গা মেরামতের জন্য ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়েছে ৪৮ লাখ টাকার। শাহপরীরদ্বীপ ভাঙ্গা অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল দু’টি প্যাকেজে ৭ কোটি টাকা। কিন্তু কাজ হয়েছে মাত্র ৯৮ লক্ষ টাকার। বিভিন্ন কারনে ঠিকাদার কাজ না করায় শাহপরীরদ্বীপের পশ্চিম অংশের ভূখন্ড সাগর গিলে খেয়েছে। এতে শতশত পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। প্রসংগত, টেকনাফের উপকূলীয় ৬০ কিলোমিটার বেড়ীবাঁধের
অধিকাংশই লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়ায় সীমান্ত জনপদ টেকনাফ উপজেলার ৩ লক্ষাধিক বাসিন্দা চরম আতংকে দিন কাটাচ্ছে। বেড়ীবাঁধের ভগ্ন দশার কারণে কয়েক হাজার একর জমিতে চাষাবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিধ্বস্থ বেড়ীবাঁধের কারণে লবন, মৎস্য খামারী ও চিংড়ি চাষীদের উৎপাদন ব্যাহত হয়ে অপূরনীয় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। টেকনাফের উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারীদের জীবন জীবিকা নির্ভর করে অনেকটা বেড়ীবাঁধের উপর। এই বেড়ীবাঁধ বিধ্বস্থ হওয়ায় ক্ষতির মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষতঃ শাহপরীরদ্বীপে বেড়ীবাঁধের ভয়াবহ ভাঙ্গণে বিশাল এলাকা ইতিমধ্যেই সাগরে বিলীন হয়ে গিয়েছে। জমি, বসতভিটা হারা হয়েছে অনেক পরিবার। ভাঙ্গণ এখনও অব্যাহত রয়েছে। তাদের আহাজারীতে শাহপরীরদ্বীপের বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। সরেজমিন পরিদর্শনকালে জানা যায়- যথাসময়ে কাজ না করা, কাজে কারচুপি ও বাঁধ পুনঃ নির্মাণ এবং মেরামতে ত্রুটিপূর্ণ ডিজাইন ইত্যাদি কারণে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বেড়িবাঁধ টেকসই হয়নি। পর্যটন ও সীমান্ত শহর টেকনাফ ৬টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। ইউনিয়ন গুলো হচ্ছে- হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর, সাবরাং, বাহারছড়া, সেন্টমার্টিনদ্বীপ এবং টেকনাফ পৌরসভা। তম্মধ্যে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও বাহারছড়া ইউনিয়ন ছাড়া অবশিষ্ট ৪টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা উপকূলীয় বেড়ীবাঁধের আওতাভূক্ত। পানি উন্নয় বোর্ড সূত্রে জানা যায়- উখিয়ার পালংখালী থেকে টেকনাফের হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদরের কিছু অংশ, টেকনাফ পৌরসভা এবং সাবরাং শাহপরীরদ্বীপ হয়ে  কাটাবনিয়া পর্যন্ত ৪টি ফোল্ডারে ৬০.৭ কিলোমিটার উপকূলীয় বেড়িবাঁধ রয়েছে। তা হচ্ছে- ৬৮ নং ফোল্ডার ২৭ কিলোমিটার, ৬৭/বি নং ফোল্ডার ৮কিলোমিটার, ৬৭নং ফোল্ডার ১২.৭ কিলোমিটার, ৬৭/এ নং ফোল্ডার ১৩কিলোমিটার। জানা যায়- সবচেয়ে মারাত্মকভাবে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্থ হয়েছে ৬৮নং ফোল্ডারে। টেকনাফ উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উত্থাপিত ও দাখিলকৃত পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয় ৬৮ নং ফোল্ডারের ১৬.১০০ হতে ১৬.৪০০ পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার, ১৫.১৬০ হতে ১৫.৮৬০ পর্যন্ত ৭কিলোমিটার এবং ১৫.১৬০ হতে ১৬.৭৩৩ পর্যন্ত ১.৫৭৩ কিলোমিটার সম্পূর্ণ বিধ্বস্থ হয়েছে। তাছাড়া ৬৮ নং ফোল্ডারের ৬কিলোমিটার, ৬৭/বি নং ফোল্ডারের ৪কিলোমিটার, ৬৭নং ফোল্ডারের ৫কিলোমিটার, ৬৭/এ ফোল্ডারের ১১.৯০০কিলোমিটার মোট ২৬.৯০০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ বর্ষা শেষে জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের প্রস্তাব করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়  সাম্প্রতিক সময়ে শাহপরীরদ্বীপের বেড়িবাঁধ বিধ্বস্থ হয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টির পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিনিধি দল ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব ডিজাইন সেল এর টিম একাধিকবার শাহপরীরদ্বীপ বিধ্বস্থ বেড়িবাধ সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। ডিজাইন সেল এর কারিগরি টিম শুধু শাহপরীরদ্বীপের ভাঙ্গা অংশের বাঁধ টেকসই ভাবে পুনঃ নির্মাণে ১০৮ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরী করেছেন। তাছাড়া বাকী ফোল্ডার সমূহের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ টেকসই ভাবে মেরামত করতে ব্লকসহ আরও কমপক্ষে ৬০ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, পুনঃ নির্মাণ, মেরামত সংস্কার কাজের উদ্যোগ নেয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। কেননা ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র এই ৪ মাস এ অঞ্চলে তেমন বৃষ্টিপাত হয়না। বৃষ্টির সময় বেড়িবাঁধের কাজ করা প্রায় অসম্ভব। তাই জরুরী ভিত্তিতে টেকনাফের উপকূলীয় বেড়িবাঁধের কাজ শুরুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কত্তৃপক্ষসহ সরকারের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন আপামর জনসাধারণ। টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শফিক মিয়া জানান-জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মান্ধাতা আমলের ডিজাইন নিয়ে কাজ করলে বাঁধ মোটেও টেকসই হবে না। এতে দেশী-বিদেশী অর্থের অপচয় ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হবে না। সরেজমিন বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই পূর্বক বিশেষজ্ঞ কারিগরী কমিটি গঠন করতঃ ডিজাইন প্রনয়ণ করে কাজ করতে তিনি সরকারের প্রতি দাবী জানান। উপকূলীয় এলাকাবাসী এব্যাপারে বর্তমান সরকার দলীয় এমপি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদির জরুরী নজরদারী উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপ দাবী করে আসছেন। এদিকে টেকনাফের মৎস্য জোন খ্যাত শাহপরীরদ্বীপের ভাঙ্গা বেড়িবাধ নির্মাণ, শাহপরীরদ্বীপ-টেকনাফ সড়কের সংস্কার, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের দাবীতে শাহপরীরদ্বীপ রক্ষা ও উন্নয়ন পরিষদ টেকনাফে সংবাদ সম্মেলনও করেছিল। দাবী সমূহে মধ্যে রয়েছে- শাহপরীরদ্বীপের পশ্চিমপাড়া, দক্ষিণপাড়া হয়ে জালিয়াপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বেড়িবাঁধের পাশে পতেঙ্গা সৈকতের মত বড়বড় সিসিব্লক স্থাপন, স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজে সেনা বাহিনীর তত্বাবধান নিশ্চিত করণ, ১০ বছরে ক্ষতিগ্রস্থ ও বিলীন ঘরবাড়ির মালিককে ক্ষতিপূরণ প্রদান অথবা পূর্ণবাসন, ক্ষতিগ্রস্থদের মাথা গুজার ঠাই হিসাবে খাস জমি বন্দোবস্তি প্রদান, বেড়িবাঁধ রক্ষার জন্য বাঁধের পাশে সবুজ বেষ্টনী অথবা বনায়ন সৃজন , ঘুর্ণিঝড় থেকে রক্ষার জন্য শাহপরীরদ্বীপে  আরো ৫টি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ , ‘টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপ’ ভাঙ্গা সড়কের দ্রুত সংস্কার এবং সড়কের উচ্চতা আরো তিন ফুট উঁচু করণ । পরিষদের নেতৃবৃন্দরা জানান- অভিলম্বে বেড়ীবাঁধ পুনঃ নির্মাণ করা না হলে চলতি লবণ মৌসুমে প্রায় ২০০ কোটি টাকার লবণ উৎপাদন থেকে চাষীরা বঞ্চিত হবে। তাছাড়া শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আমদানী করা গবাদি পশু সড়ক বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে পরিবহণ করা সম্ভব হচ্ছেনা। অথচ সরকার গবাদি পশু আমদানী হতে বছরে  ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। জরুরী ভিত্তিতে শাহপরীরদ্বীপ বেড়ীবাঁধের ভাঙ্গা অংশ পুনঃ নির্মান করা না হলে অদূর ভবিষ্যতে শাহপরীরদ্বীপ ঘোলার চরের মত বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়-বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বদক্ষিণের শেষ বিন্দুটি হচ্ছে “শাহপরীরদ্বীপ”।ণ, পান, সুপারি ও তরমুজ উৎপাদনের প্রধান স্থান এই শাহপরীরদ্বীপ। টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের তিনটি (৭, ৮, ও ৯) ওয়ার্ড নিয়ে এই শাহপরীরদ্বীপের অবস্থান। বর্তমানে লোক সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। ভোটার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। এখানকার মানুষের প্রধান পেশা সাগরে মৎস্য শিকার ও চাষাবাদ। প্রতি বছর এই শাহপরীরদ্বীপ থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সামুদ্রিক মাছ সরবরাহ করা হয় সারাদেশে। তাছাড়া মাঠে উৎপাদিত লবণ, পান  ও সুপারি বিক্রি হয় আরো ৩০০ কোটি টাকার। যা দেশের বহু জেলার পক্ষে এই অর্জন সম্ভব হয়না। এক সময় এই শাহপরীদ্বীপের মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করলেও এখন রাত কাটে মানুষের মহা-টেনশনে। কারণ একটাই; বঙ্গোপসাগর। সাগরের করাল গ্রাসে বসতবাড়ি হারিয়ে ইতিমধ্যে ১ হাজারের বেশি পরিবার পথে বসেছে। এখনও জোয়ার-ভাটার কবলে পড়ে ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। ঝড় জলোচ্ছাসে পুরো শাহপরীরদ্বীপ হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT