টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
মেয়াদ শেষ হলেও অব্যবহৃত মোবাইল ডাটা ফেরতের নির্দেশ মন্ত্রীর টেকনাফ পৌরসভার এক গ্রামেই ক্যাম্প পালানো ১৮৩ রোহিঙ্গা স্থানীয়দের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করছে মায়ের গর্ভে ১৩ সপ্তাহ্ বয়সী শিশুর নড়াচড়া হারিয়াখালী থেকে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে তথ্যকেন্দ্রের সহযোগিতায় মীনা দলের সদস্যদের নিয়ে ই-লার্নিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হ্নীলায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ টেকনাফের দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকা হতে ২ জন গ্রেফতার এসএসসির অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাউশির টেকনাফে’ ষষ্ঠ শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে একজনকে অপহরণ

শামলাপুরে সন্ত্রাসী হামলায় দোকান লুট, আহত-১

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৩
  • ১১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোজাম্মেল হক বাহার, শামলাপুর॥ mozammel pic, shamlapur, teknaf, 19,08,2013টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুরে গতকাল রাতের সন্ত্রাসী হামলায় দোকান লুট ও একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এতে ৩লাধিক টাকার য়তি ও এক দোকান মালিক গুরুতর আহত হয়েছে। জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট ভারী বৃষ্টি হওয়ায় মানুষেরা দোকানপাট বন্ধ করে নিজ নিজ বাড়ীতে চলে যায়। এ সুযোগে সংঘবদ্ধ পার্শ্ববর্তী মনখালীর গ্রামের ভারী অস্ত্র ও ধারালো দা-কিরিচ ধারী একটি দল সন্ত্রাসী শামলাপুরের ছাবের আহাম্মদের পুত্র নুর মোহাম্মদের মুদির দোকান লুট করে এবং দোকান মালিক নুর মোহাম্মদকে ধারালো দা-কিরিচ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। তাদের এলোপাতাড়ি মারপিটে নুর মোহাম্মদ চিৎকার করতে করতে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। পরে তার শোর চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে এসে ডাকাত সিন্ডিকেটটি ঘিরে ফেলে। সন্ত্রাসীরা অস্ত্র ও দা-কিরিচের ভয় দেখিয়ে সবাই পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে শামলাপুর তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাবুল আজাদ জানান- পূর্ব শত্র“তার জের ধরে এ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নুর মোহাম্মদকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। প্রত্যদর্শীরা উক্ত সন্ত্রাসীরা হচ্ছে- মনখালী কোনাপাড়ার বশির আহাম্মদের পুত্র মনজুর আলম , রফিক, কালু, মোক্তার আহাম্মদের পুত্র খোকন, মুফিদুর রহমানের পুত্র রশিদ আহাম্মদ, আলী আহাম্মদের পুত্র ভুলু, গুরা মিয়া, শফিকের পুত্র ফরিদ, রশিদ, নুর মোহাম্মদ, লেইট্টার পুত্র শহিদ উল্লাহ, ইসহাক এর পুত্র জিয়া উদ্দিন, আবুল কাশেম মাষ্টারের পুত্র রফিক, ফারুক সহ ছলিম উল্লাহ ও আমান উল্লাহ। উল্লেখিত সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের গডফাদার মনজুর আলমের বিরুদ্ধে সাগরে নৌকা ডাকাতি ও অন্যন্য ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। গোপন সূত্রে জানা যায়, মনজুর আলমের কাছে ভারী অস্ত্রও রয়েছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT