টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা: আক্রান্ত ৯১২ জন. মৃত্যু১৩ জন. আইসোলেশনে ২১১ জন. নমুনা পরীক্ষা ৪১ হাজার ৪৭৭ জন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১
  • ৩২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক ::  কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের  মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টা নমুনা পরীক্ষা ৪৯ জন রোহিঙ্গাসহ ৯৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে।তাদের মধ্যে নতুন করণ আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯ জন। এছাড়াও ফলোআপ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে চারজনের। এ তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের সংক্রামক ব্যাধি ও ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ শাহজাহান নাজির তিনি জানান, সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় ৫৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৫৯ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার বাসিন্দা ১৩ জন রামুর বাসিন্দা ১১ জন, উখিয়ার বাসিন্দা ৬ জন, টেকনাফের বাসিন্দা ৮ জন, মহেশখালীর বাসিন্দা ৭ জন ও বান্দরবানের বাসিন্দা একজন</

৫ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শুরু হয়েছে লকডাউন

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৫ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (২১ মে) সকালে থেকে উখিয়া ও টেকনাফের এ পাঁচটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন শুরু হয়।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দৌজা নয়ন জানান, আজ সকাল থেকে কক্সবাজারের পাঁচটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন চলছে, যা পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
যে ৫ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন চলছে সেগুলো হলো উখিয়ার ২-ডব্লিউ, ৩, ৪, ১৫ এবং টেকনাফের ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প।

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য মতে, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়ার ৪টি এবং টেকনাফের ১টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লকডাউন ঘোষণা করেছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯১২ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪১ হাজার ৪৭৭ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬৩৯ জন রোহিঙ্গা। এখনো আইসোলেশনে রয়েছে ২১১ জন।
আক্রান্ত ও মারা যাওয়াদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় প্রকোপ শুরু হওয়ার পর তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই। এখন ক্যাম্পগুলোতে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখি রয়েছে। এতে করোনা সংক্রমণ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশংকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আগেভাগেই লকডাউন ঘোষণা দিয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামছু-দৌজা জানান, করোনা মহামারির দ্বিতীয় প্রকোপে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সংক্রমণের হার বেড়েই চলছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতিতে থাকা ক্যাম্পগুলোতে লকডাউন ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে উখিয়া ও টেকনাফের ৫টি ক্যাম্পে লকডাউন ঘোষণার ব্যাপারে ক্যাম্প প্রশাসনসহ রোহিঙ্গাদের সেবায় নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোকে করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। এতে লকডাউন কার্যকরে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।

নির্দেশনার তথ্য উল্লেখ করে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার বলেন, লকডাউন ঘোষিত ক্যাম্পগুলোর বাসিন্দারা নিজেদের ক্যাম্পের বাইরে যাতায়াত করতে পারবেন না। চিকিৎসা ও খাদ্যসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যে কারো চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

এছাড়া, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া লকডাউন ঘোষিত ক্যাম্পগুলোতে দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সীমিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেন সামছু-দৌজা।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের স্বাস্থ্য বিষয়কশাখার সমন্বয়ক ডা. তোহা ভূঁইয়া জানান, এমনিতেই গত ৩-৪ মাস ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোসহ কক্সবাজার জেলায় করোনা আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে। যা গত এক বছরের আক্রান্তের সংখ্যা তুলনায় বেশি।

গত এক মাস ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে করোনা আক্রান্তের বেড়েই চলছে। মারাও গেছে ৩ জন। গত এক বছরে যে পরিমাণ আক্রান্ত হয়েছে তার প্রায় অর্ধের কাছাকাছি হচ্ছে গত ৩-৪ মাসের মধ্যে।

তোহা বলেন, রস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে, করোনার দ্বিতীয় প্রকোপকালে গত এক মাস রমজানে ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গাদের মধ্যে সামাজিকভাবে জনসমাগম হয়েছে বেশি। রোজার মাসে প্রতিদিনই ক্যাম্পের মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজ আদায় এবং ঈদের দিনগুলোতে ঘিঞ্জির মত বসতির বাসিন্দা বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার সমাগম ঘটেছে। এতে সংক্রমণের হারও প্রতিদিনই উর্ধ্বমুখী।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আক্রান্তের হার উদ্বেগজনক থাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতেই প্রশাসন লকডাউন ঘোষণার নির্দেশনা জারি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT