হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

রোহিঙ্গাদের নিয়ে পৌর আওয়ামী লীগের খোলা চিঠি!

রোহিঙ্গাদের নিয়ে দেশের নীতি নির্ধারকদের কাছে টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগের খোলা চিঠিঃ— দেশ পরিচালনায় সহযোগিতাকারি বাংলাদেশের অত্যান্ত সম্মানীত ব্যক্তিবর্গ শুরুতে সকলকে মুজিবীয় সালাম জানাই। আমি দলীয় লোক হলেও আমি দলীয় দৃষ্টি কোন থেকে লিখাটি লিখছি না- সারা বিশ্ব জগতে এক দেশের পাশে অন্যদেশ আছে ছিল থাকবে যতদিন পৃথিবীর চিহৃ থাকবে এমনকি বিপদে আপদে একদেশ অন্যদেশের পাশে থাকবে সুখে-দুংখে এটি বাস্তবতা ঠিক তেমনি যেই কোন জাতিগত দাঙ্গা-হাঙ্গামাতে এক দেশের মানুষ অন্য দেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে জীবন বাঁচাবে এটিও অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা যা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ থেকে মানুষ মায়ানমারে আশ্রয় নিতে গেছিল। গত ২৫/০৮/২০১৭ সালে বল প্রয়োগের মাধ্যমে দেশ ত্যাগে বাধ্য করার কারণে রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছে বা দিয়েছি তাতে মানবিকতা দেখানো মানব জাতি হিসাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিল । আজকে রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে আশ্রয় নেওয়ার দুই বছর পূর্ণ হল আমরা তাদের আশ্রয় দিয়ে কতটুকু লাভ-ক্ষতির মুখামুখি হলাম তার হিসাব-নিকাশ করার উপযুক্ত সময় এখনই – সরকার দেশের মানুষের মত নাগরিক অধিকার কি রোহিঙ্গাদের দিয়েছে তা এখন টেকনাফ-উখিয়া তথা কক্সবাজার নয় সারা বাংলাদেশের সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন ?? কেন না বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে আমরা যেই সকল সুযোগ সুবিধা পাই তারা রোহিঙ্গা হয়ে ঠিক একি সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে তাহলে কি তাদের নাগরিক অধিকার দেওয়ার মত নয় কি ?? রোহিঙ্গা হয়ে তারা যদি মোবাইল, ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে তারা যদি সারাদেশে অবাধে বিচরণ করতে পারে, প্রয়োজনের আগে যদি সব কি পেয়ে যায় তাহলে কেন তারা তাদের দেশে ফেরত যাবে ?? আর সব চেয়ে বড় কথা হচ্ছে যেই সকল এনজিও গুলি রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে তাদের কর্মকান্ড কতটুকু সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ? রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরৎ যাওয়ার জন্য সাক্ষাতকার কেন, কিসের সাক্ষাতকার-বসে বসে খেতে পারলে, ঘর-বাড়ি পেলে, সন্তান জন্মদিতে পারলে জনসংখ্যানুপাতে রেশম পেলে কেউ কি ফিরে যাওয়ার কথা মুখ থেকে বলবে ? আর সেই মুখ থেকে না বলার পেছনে কাজ করছে এনজিও গুলি । তাই আজকে সময় এসেছে রোহিঙ্গাদের হাতে মোবাইল সহ সিম তুলে দেওয়া মোবাইল কোম্পানী গুলিকে আইনের আওতায় এনে রোহিঙ্গাদের ব্যবহারত সকল সিম বন্দ করে দেওয়া হউক, এনজিওদের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের রেশম দেওয়া কমিয়ে দেওয়া হউক, নির্দিষ্ট ক্যাম্পের বাহিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হউক, যত দ্রুত সম্ভব দেশে বিভিন্ন জেলাতে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা জোন করে ৩০/৪০ হাজার করে করে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে রাখার ব্যবস্হা করা হউক, প্রত্যাবাসন শুরু হলে যেন এক এক জোন/গ্রুপকে প্রত্যাবাসন করতে সহজ হয় সেই ব্যবস্হা করা হউক, রোহিঙ্গাদের সুখ-দুংখের খবরা খবর বাংলাদেশের কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা বন্দ করা হউক তাহলেই একমাত্র রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব অন্যতায় উখিয়া-টেকনাফের মানুষ আগামীতে সকল ধরনের নাগরিক, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে তা নয় ইসরাইল,ফিলিস্তিনির চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা হবে। তাই যথা সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে তার চরম মূল্য দিতে হবে টেকনাফ উখিয়ার মানুষকে । এমতাবস্হায় মানবিকতার বলি হওয়া টেকনাফ উখিয়ার এদেশের নাগরিকদের বাঁচাতে আপনাদের কাছে আমি সকলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করছি । ৩০ লক্ষ শহিদ ও প্রায় ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশ, এই দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি রক্ষা করা আপনার আমার সকলের নাগরিক দায়িত্ব ।

প্রচারেঃ-

মোহাম্মদ আলম বাহাদুর
সাধারণ সম্পাদক
টেকনাফ পৌর আওয়ামী লীগ।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.