টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

রামু-মরিচ্যা সড়কের টেন্ডার হওয়ার পর কাজ শুরু হয়নি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
  • ১৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

খালেদ হোসেন টাপু,রামু   রামু-মরিচ্যা পুরাতন আরকান সড়ক ৪ বছর পর টেন্ডার হওয়া স্বত্বেও এখনও সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। ফলে রামুর সচেতন মহলের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীনে চলতি বছরে উক্ত সড়কটি সংস্কারের জন্য ৭০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ  টেন্ডারের আহবান করলে জিকো এন্টারপ্রাইজের নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৭০ লক্ষ টাকার রামু-মরিচ্যা সড়কের চৌমুহনী গোলচত্বর হতে আর্মি ক্যাম্প পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের এ টেন্ডার প্রাপ্ত হন।
কিন্তু রহস্যজনক কারনে শুস্ক মৌসুমে এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকার জনসাধারণ আশার আলো দেখলেও তা এখন নিভতে শুরু করেছে। মহাজোট সরকারের শেষ বছরেও এখানকার জনসাধারণের যাতায়াতে দুর্ভোগ কমছে না।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, রামু-মরিচ্যা সড়ক সংস্কারে জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
ঠিকাদার মনজুর আলম চৌধুরীকে ওয়ার্ক পারমেট দেওয়া হয় এবং ওই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে শীঘ্রই কাজ শুরু করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
ঠিকাদার মনজুর আলম চৌধুরী রামু-মরিচ্যা সড়কের মেরামতের কাজের টেন্ডার পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন চৌমুহনী চত্বর হতে আর্মি ক্যাম্প পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের টেন্ডারের কাজ সহসা আরম্ভ করবেন।
এ প্রসংঙ্গে রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, পথচারীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে দূর্র্ভোগ লাঘবে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা উচিৎ।
রামু উন্নয়ন নাগরিক কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম সেলিম বলেন, রামু-মরিচ্যা সড়কের সংস্কার কাজের নিয়োগপ্রাপ্ত ওই ঠিকাদারকে যত দ্রুত সম্ভব রামু-চৌমুহনী গোল চত্বর থেকে কাজ শুরু করার দাবী জানান।

চাকমারকুল শ্রীমুরা সড়ক এখনও কার্পেটিং
হয়নি: এলাকাবাসী ডাকাত আতংকে

খালেদ হোসেন টাপু,রামু
মহাজোট সরকারের শেষ বছরেও রামু-চাকমারকুল শ্রীমুরা ৬ কিলোমিটার ব্রীক সলিং সড়কটি কার্পেটিং সড়কে রূপান্তরিত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী বাস্তবায়ন না হওয়ায় এলাকার জনসাধারণের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। বর্তমানে ব্রীক সলিন সড়কটিও যথাযথ সংস্কার না হওয়ায় জনসাধারণের দুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। রাস্তায়  অসংখ্য গর্তের কারনে গাড়ী দ্রুত বেগে চলতে না পারায় সন্ধ্যা হলেই ওই সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ডাকাতি ও ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ছে যাতায়াতকারী লোকজন।
জানা গেছে, রামু উপজেলার চাকমারকুল মাদ্রাসা গেইট মহাসড়ক সংযুক্ত সড়ক মনতার গোদা পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার শ্রীমুরা সড়ক পর্যন্ত কার্পেটিং করার দাবী জানিয়ে আসছে এলাকার হাজার হাজার আপামর জনসাধারণ। দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রত্যাশা পুরণ না হওয়ায় জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। এছাড়া এ সড়ক দিয়ে ডাকাতির আতংক নিয়ে প্রতিনিয়ত চলাফেরা করছে এলাকাবাসী।
রামু উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, শ্রীমুরা সড়কটি কার্পেটিং রূপান্তরিত করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। চলতি মৌসুমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাজ শুরু করা যেতে পারে।
রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল সওয়ার কাজল জানান, চাকমারকুল শ্রীমুরা সড়কটি কার্পেটিং রূপান্তর করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
চাকমারকুল শ্রীমুরা গামের বাসিন্দা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রহমত উল্লাহ জানান,সড়কটি কার্পেটিং করা খুবই  জরুরী হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার নুরুল আমিন জানান, স্থানীয় জনগনের দীর্ঘদিনের দাবী শ্রীমুরা সড়কের কার্পেটিং কাজের বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনসাধারণের চলাচলে ডাকাত আতংক নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় পথচারীরা জানান, চাকমারকুল শ্রীমুরা সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় কয়েকটি পয়েন্টে রাতে ডাকাতরা উৎপেতে থেকে সুযোগ বুঝে ডাকাতির ঘটনা সংঘঠিত করে চলছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT