হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয়প্রচ্ছদ

রাখাইনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত হচ্ছে না: জাতিসংঘ

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলেট বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এখনও তদন্ত করা হচ্ছে না।তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বসবাসরত ৭ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাদের নিজে দেশে স্বেচ্ছায়, টেকসইভাবে, সম্মানের সঙ্গে ও নিরাপদে প্রত্যাবাসনের যথাযথ কোনো পরিবেশ নেই। পাশাপাশি প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার উদ্বাস্তু রোহিঙ্গা ২০১২ সালে সহিংস ঘটনার পর থেকে কেন্দ্রীয় রাখাইন শিবিরে বসবাস করছেন। খবর ইউএনবিরবুধবার জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ম্যানডেট অনুযায়ী, মিয়ানমারসহ নয়টি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বাশেলেট।তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের বিষয়টি যথাযথভাবে চিহ্নিত করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানান জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার।

বাশেলেট বলেন, যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধি নেই।প্রসঙ্গত, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর তদন্ত করতে ২০১২ সাল থেকে মিয়ানমারে আটটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে।জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান জানান, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের চলাচলের স্বাধীনতার ওপর বৈষম্য ও ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।রাখাইনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর করা ওই প্রতিবেদনটিতে মানবাধিকারের পাঁচটি প্রধান বিষয়ে মূল্যায়ন করা হয়। এগুলো হচ্ছে- নাগরিকত্ব, জনজীবন অংশগ্রহণ, মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা, স্থানচ্যুতি ও প্রত্যাবাসনের অধিকার এবং জবাবদিহিতা।প্রতিবেদনে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে, পূর্বের সুপারিশগুলোর সামগ্রিক উদ্দেশ্য মূলত অচিহ্নিত রয়ে গেছে, পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে উত্থাপিত মানবাধিকার বিষয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই।রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিবেদনে বিশেষভাবে সুপারিশ করা হয়েছে, বিশেষ করে ২০২০ সালের সংসদীয় নির্বাচনের পাশাপাশি সিভিল সার্ভিসে পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্র তৈরি করা। প্রতিবেদনে চলমান পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর জন্য দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপের নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.