হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

মিয়ানমার থেকে পশু আমদানী উম্মুক্ত

জসিম মাহমুদ:: ঈদকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানীতে কোন বাধা থাকলনা আর । বুধবার ৭ জুলাই সকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত একাধিক ব্যাক্তি  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান সহ সভায় উপস্থিত প্রায় সকলে সোমবার হতে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি বন্ধ করে দেয়ার বিষয়টি অযৌক্তিক বলে দাবি করেন। এসময় এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম বলেন, আমি টেকনাফের ফোর্সকে এখনি বলে দিচ্ছি। তারা এখনি পশু আমদানি উম্মুক্ত করে দেবে ।

জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, দেশীয় খামারে উৎপাদিত গবাদিপশুর মূল্য ধরে রাখার জন্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সকল সীমান্ত দিয়ে সব ধরনের গবাদি পশু আমদানি নিষিদ্ধ করে গত ৬ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সে প্রজ্ঞাপন মায়ানমার সীমান্তে বাস্তবায়ন করার জন্য মন্ত্রনালয় থেকে নির্দেশ দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে টেকনাফের ইউএনও কে দিয়ে গত সোমবার থেকে মায়ানমারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ করিডোর সীমান্ত দিয়ে সব ধরনের গবাদি পশু আমদানি নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এখন পবিত্র কোরবানের কথা ও স্থানীয় জনসাধারণের চাহিদা ও স্বার্থের কথা বিবেচনা করে বুধবার থেকে আবারো মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি উম্মুক্ত করে দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় খামারিদের উৎপাদিত গরু ও মহিষের বাজারদর ধরে রাখতে গত সোমবার ৫ জুলাই হতে মিয়ানমার থেকে সকল প্রকার গবাদি পশু আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত গবাদিপশুর দরপতনের আশংকায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

হঠাৎ করে মিয়ানমার থেকে গবাদি পশু আমদানি বন্ধ করে দেয়ায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমন্তের ওপারে আমদানির জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এপারে আনার জন্য জমা করে রাখা গবাদি পশু নিয়েও আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা চরম সংকটে পড়েছিল বলে টেকনাফের ক’জন আমদানিকারক জানিয়েছিলেন। এছাড়া মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি সোমবার থেকে বন্ধ থাকার ঘোষণায় স্থানীয় গবাদি পশুর বাজারেও তার বিরূপ প্রভাব পড়েছিল। বৃহত্তর কক্সবাজার সহ দক্ষিণ চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর বাজারমূল্য আবারও ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশংকা ছিল।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.