টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

মিয়ানমারের বীমাবাজার বিদেশি কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২৭৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক::: বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে মিয়ানমারের বীমাবাজার। আগামী ২০১৭ সাল থেকে শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোও দেশটিতে যেকোন ধরণের বীমা পণ্য বাজারজাত করতে পারবে।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ফিনান্স রেগুলেশন বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা উ থান্ট সীন জানিয়েছেন, বীমা খাতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদারনীতিককরণের গতি বাড়াতে এসব পদক্ষেপ একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাজ করবে।

মিয়ানমার টাইমসকে তিনি বলেন, “আমরা উদারনীতিককরণের গতি বাড়াতে যাচ্ছি, এর অর্থ হচ্ছে আমরা বিদেশি কোম্পানিগুলোকে অনুমোদন দিতে যাচ্ছি।” একইসঙ্গে দেশিয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থেকে একই মূল্যে অজনপ্রিয় পণ্য প্রস্তাবের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করবে সরকার।

উ থান্ট আরো জানান, শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন অথবা দেশিয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারিদের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠান গঠনের বিষয়ে সরকার সতর্ক আলোচনা করাবে।বিদেশি কোম্পানিগুলোকে যেসব খাতে প্রতিযোগিতার অনুমোদন দেয়া হবে সে বিষয়েও সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

এরইমধ্যে এসব বিষয় পরিচালনা করার জন্য “লিবারালাইজেশন রোডম্যাপ”র ওপর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করতে হবে বলেও জানান মিয়ানমার সরকারের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

সিবি ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক উ থাং হ্যান জানান, উদারনীতিককরণ কার্যক্রমের বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য সরকার একটি শিল্প সংস্থা গঠনের অনুমোদন করেছে। পরবর্তী কয়েক মাসের মধ্যে ওই সংস্থাকে কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

উ থাং হ্যান আরো বলেন, যদি আমরা নিজস্ব পণ্য তৈরি এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার অনুমোদন পাই তাহলে আমারা খুব একটা চিন্তিত হব না। সমস্যা হচ্ছে, বর্তমানে দেশিয় কোম্পানিগুলো তাদের নিজস্ব পণ্য তৈরি করতে পারে না এবং তাদেরকে একই মূল্য ধার্য করতে হয়।

২০১৩ সালে দেশিয় ১২টি বেসরকারি বীমা কোম্পানিকে বাজারে প্রবেশের অনুমোদন দেয়া হয়। এরমধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মিয়ানমার ইন্স্যুরেন্স’র দশক-দীর্ঘ একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙ্গে পড়ে। তবে তাদেরকে শুধুমাত্র গ্রাহকসেবা নিয়ে প্রতিযোগিতার অনুমোদন দেয়া হয়।

ওই সময় সরকার বিদেশি কোম্পানিকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমোদন দেয়া হতে পারে বলেও ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে ২০টিরও বেশি বিদেশি বীমা কোম্পানি প্রতিনিধি অফিস চালু করে। এরপর কতিপয় জাপানি বীমা কোম্পানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্যবসা পরিচালনার অনুমোদন লাভ করে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT