টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিলেন ২ নারী,প্রথম হয়েছে ১৩ বছরের সাঁতারু রাব্বি ১০ দিনের মধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রথম দল ভাসান চরে যাচ্ছে ‘ চকরিয়ায় সৌদিয়া বাসে ডাকাতির ঘটনায় ৬ ডাকাত আটক : বন্দুক ও লুল্টিত মালামাল উদ্ধার টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিল ৪৩ সাঁতারুঃ প্রথম পৌঁছেন ১৩ বছরের রাব্বি ওষুধ ছিটিয়ে রোদে শুকালেই টকটকে লাল হয়ে যাচ্ছে সবুজ টমেটো তিন মাস পর আবারও একদিনে শনাক্ত আড়াই হাজার ছাড়ালো আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল রোহিঙ্গা, ইসলামোফোবিয়া ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের উদ্বেগ নেটং পাহাড়ে ৮০ বছরের বাঙ্কার- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক মোঃ আমিন আর নেই:টেকনাফ সাংবাদিক ইউনিটি ও মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের শোক

মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না: গ্রেডিং বিহীন সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৫২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক ::মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা‌ও হচ্ছে না। এর পরিবর্তে অর্জিত শিখন ফল মূল্যায়নের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হবে শিক্ষার্থীরা। চলতি শিক্ষাবর্ষে ৩০ দিনে শেষ করতে পারে এমন একটি সিলেবাস শেষ করতে হবে শিক্ষার্থীদের।

বুধবার (২১ অক্টোবর) ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে অর্জিত শিখন ফল মূল্যায়নের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হবে। তবে যারা অষ্টম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে উঠবে, অর্থাৎ যাদের জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল তাদের গ্রেডিং ছাড়াই সনদ দেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোনও পরীক্ষা নয়, মূল্যায়ন যেটা করছি তাতেও যেন শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে।  বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না। ৩০ কর্মদিবসের সিলেবাসটি করা হচ্ছে। যারা এগুলো সম্পন্ন করেছে, তাদের রিভিশন হবে। আর যারা পারেনি তারা এটা করে নিতে পারবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ঘাটতি পূরণের জন্য ৩০ কর্মদিবসে শেষ করা যায় এমন একটি সিলেবাস এনসিটিবি প্রণয়ন করেছে। শিগগিরই ওই সিলেবাস প্রকাশ করা হবে। ওই সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের প্রতি সপ্তাহে একটি করে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করে জানা যাবে শিক্ষার্থীর কোথায় ঘাটতি রয়েছে। যা পরবর্তী ক্লাসে গিয়ে ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে ওঠার ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্টের মূল্যায়নের যেকোনও প্রভাব থাকবে না। এই মূল্যায়নটার মাধ্যমে যেনও কোনও চাপ সৃষ্টি করা না হয়। এই মূল্যায়ন শুধু আমাদের বোঝার জন্য যে শিক্ষার্থীদের কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে। সেগুলো পরের ক্লাসে কাটিয়ে ওঠার ব্যবস্থা করবো। কোনও গ্রেডিং হবে না। সবাই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হবে।’

প্রসঙ্গত, ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে কওমি মাদ্রাসা ছাড়া অন্যসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি রয়েছে।

ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মিহবুল হাসান চৌধুরী  মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান।

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে অর্জিত শিখন ফল মূল্যায়নের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হবে। তবে যারা অষ্টম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে উঠবে, অর্থাৎ যাদের জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল, তাদের গ্রেডিং ছাড়াই সনদ দেওয়া হবে। আর চলতি শিক্ষাবর্ষে ৩০ দিনে শেষ করতে পারে এমন একটি সিলেবাস শেষ করতে হবে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের।

বুধবার (২১ অক্টোবর) এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সনদ দেওয়ার বিষয়টির সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবো। অষ্টম শ্রেণিতে পরীক্ষা দিলে তারা সনদ পেতো। এবার পরীক্ষা দিচ্ছে না বলে সনদ পাবে না তা তো নয়। জেএসসির সনদটি কারও কারও জন্য খুব জরুরি হতে পারে। এবার যেমন সবাই পরবর্তী ক্লাসে যাবে। সেজন্য পরীক্ষা যে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শেষ করেছে, কৃতকার্য হয়েছে সেটি উল্লেখ থাকবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উন্নত বিশ্বের কথা বলি, উন্নত দেশ হতে চাই। উন্নত বিশ্বের অংশ হতে চাই। আবার উন্নত বিশ্বের যে শিক্ষা ব্যবস্থা সেখানে কিন্তু প্রত্যেক ক্লাসে গ্রেডিং পরীক্ষা, পাস, ফেল, জিপিএ-৫ এ ধরনের উন্মাদনা দেই। কাজেই এদিকে আমরা আধুনিক হবো ভাবছি, তাই শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নত দিকে যেতে হবে। বছরের শেষে, বছরের মাঝখানে পরীক্ষা নিয়েই যে সেটি মূল্যায়ন করা যায় তা নয়। আরও অনেক ধরনের মূল্যায়নের পদ্ধতি রয়েছে। আমরা ধারাবাহিক মূল্যায়নের যে পদ্ধতিগুলো রয়েছে সেগুলোতে যেতে চাচ্ছি। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে সামগ্রিকভাবে সেগুলো চিহ্নিত করে দুর্বলতা দূর করতে চাই। আমরা পরীক্ষা ভীতি, পরীক্ষার চাপ, শারীরিক মানসিক চাপ চাই না। শিক্ষার্থীরা আনন্দের মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জন করবে, দক্ষতা অর্জন করবে, সুযোগ্য নাগরিক হবে।’

প্রেস ব্রিফিংয়ে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT