টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে ৪ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড টেকনাফ হাসপাতালে ‘মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ’ বান্দরবানে রোহিঙ্গা ‘ইয়াবা কারবারি বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত রামুতে পাহাড় ধসে ২ জনের মৃত্যু দেশের ১০ অঞ্চলে আজ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না: গ্রেডিং বিহীন সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে রোহিঙ্গা বিষয়ক বৈঠক বৃহস্পতিবার মেজর সিনহা হত্যা মামলা বাতিল চাওয়া আবেদনের শুনানি ১০ নভেম্বর মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ক্যাশ আউট চার্জ কমানোর উদ্যোগঃ নগদ’এ ক্যাশ আউট হাজারে ৯.৯৯ টাকায় ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন

মহেশখালীতে অবৈধ করাতকল উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ জুন, ২০১২
  • ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শহীদুল ইসলাম কাজল, সংবাদদাতা...মহেশখালী উপজেলায় সম্প্রতি বন বিভাগ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে উচ্ছেদকৃত অবৈধ করাতকল গুলো পূনরায় চালু হওয়ায় উজাড় হচ্ছে সরকারী সামাজিক বনায়নের বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ। এস আই পরেশ ও কালারমারছড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওসমান গনির নির্মম হত্যাকান্ডের পর মহেশখালীতে পুলিশি টহল জোরদার করায় এলাকার সন্ত্রাসীগুলো পাহাড়ে অবস্থান নিয়ে  মূল্যবান গাছ কেটে স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সরবরাহ করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে রেঞ্জার বজলুর রহমানের সাথে মোটা অংকের অবৈধ চুক্তির ভিত্তিতে উচ্ছেদকৃত করাত কল গুলো আবার চালু করে সেগুন, মেগুনি, একাশিয়া গাছ চিরাই করে চকরিয়া, কক্সবাজার, চট্রগ্রামে সড়ক ও নৌ পথে সরবরাহ করে যাচ্ছেন কালারমারছড়া উত্তর নলবিলার অবৈধ করাতকল মালিক নাছির, জেম ঘাটের মোঃ আলী, মাতারবাড়ি বাংলা বাজারের নেছারুল ইসলাম, এবং লাইল্যা ঘোনার শাহা আলম। এছাড়া হোয়ানক ইউনিয়নের এক আওয়ামীলীগ নেতা ক্ষমতার দাপট দেখয়ে প্রকাশ্যে সেগুন কাঠ ও সামাজিক বনায়নের বিভিন্ন মূল্যবান কাঠ চিরাই করে যাচ্ছেন। উপরোক্ত করাতকল মালিকদের সাথে যোগাযোগ করলে কোন ধরণের বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে না পারলেও রেঞ্জার ও স্থানীয় বিট অফিসারের সাথে চুক্তির ভিত্তিতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্বীকার করেন।

উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রায় বিশ পচিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ায় অন্যান্য প্রশাসনের তেমন নজরদারী না থাকায় বন বিভাগ লাগামহীন চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। রেঞ্জার বজলুর রহমান  টাকা নিয়ে পাহাড় কেটে বর্ষা মৌসুমে পানের বরজ ও বসত বাড়ির জায়গা বনোনোর সুযোগ করে দেন এমন অভিযোগ সচেতন মহলের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাপলাপুরের এক ইউপি সদস্য জানান রেঞ্জারের সাথে চুক্তি করে শাপলাপুরের একাদিক কাঠ পাচারকারী সিন্ডিকেট পাহাড়ের সেগুন গাছ নিধন করে যাচ্ছেন। সামাজিক বনায়নের গাছ ও মূল্যবান সরকারী গাছ নিধনের সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়েনি বন বিভাগের। অভিযোগের ভিত্তিতে রেঞ্জার বজলুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উচ্ছেদকৃত করাতকল গুলো চালু হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও অবৈধভাবে টাকা আদায়ের বিষয়টি ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেন। মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার এ টি এম কাউছার হোসেন জানান পরিবেশের ভারসাম্য ও সামাজিক বনায়নের গাছ রক্ষার জন্য অবৈধ করাতকল বেশ কয়েকবার উচ্ছেদ করেছি, বাকি গুলো উচ্ছেদে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

শহীদুল ইসলাম কাজল, সংবাদদাতা (মহেশখালী)কক্সবাজার

মোবাইল-০১৮১৩-৩৩৯৩২৪   তাং-২৫.০৬.১২ ইংরেজী

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT