টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

মহেশখালীতে অবৈধ করাতকলে চলছে গাছ চিরাইয়ের মহোৎসব

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এ. এম হোবাইব সজীব = মহেশখালীতে করাত কলের ছোবলে পড়ে বন সবর্স্ব-পরিবেশ বিপর্যয়ের মারাতœক শংঙ্কা দেখা দিয়েছে। সুত্রে জানাযায়, মহেশখালীর ১ পৌরসভা ও ৮ ইউনিয়নে ৩ করাত কল লাইসেন্সধারী থাকলে ও বাদ বাকী লাইসেন্স বিহীন ২১ করাত কল। করাত কলের ছোবলে পড়ে বন সর্বস্ব হয়ে যাচ্ছে এমনকি প্রায় ৪ লক্ষ লোক বসবাসরত দ্বীপ বিলীন ও অস্থিত্বহীন হয়ে যাওয়ার প্রবল শংঙ্কা রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভেঙের ছাতার মত গর্জিয়ে উঠা সরকারী অনুমোদনহীন করাতকলে চলছে নির্বিচারে কাঠ চিড়াইয়ের মহোৎসব। দিন, সপ্তাহ, মাস আর বছরের পর বছর ধরে এমন কর্মযজ্ঞ চললেও পরিবেশ অধিদপ্তর বা ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের দেখাই মিলছে না এখন। ঘুমিয়ে আছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্তারাও। ফলে, হুমকির মুখে পড়েছে উপজেলার বনজ সম্পদ আর সবুজায়ন। প্রশাসনের নজরদারী অভাবের সূযোগ নিচ্ছে নানা ধরনের অসাধু লোকজন।
বিধায় শংঙ্কামুক্ত হতে হলে শিঘ্রিই করাত কলের গ্রাস থেকে বনকে বাচাঁনো ও পাশাপাশি অবৈধ করাত উচ্ছেদ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন পরিবেশবাদী সংগঠন গুলো। জানা গেছে, সম্প্রতি বনবিভাগ ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যেগে কয়েক অবৈধ স-মিল উচ্ছে করলে ও কিছু দিন যেতে না যেতেই অসাধু ব্যবসায়ীরা পুনরায় করাতকল বসিয়ে দৈনিক হাজার ঘনফুট কাঠ চিরাই করে দেশে বিদেশে রপ্তানি করছে। ফলে এসব অবৈধ করাত কলে দিন রাত চলছে গাছ চিরাইয়ের মহোৎসব।
এমন ও দেখা গেছে করাত কলের মালিক ও কাঠ চোর চক্রের কাছ থেকে বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গোপন আতাঁত করে ব্যবসা হরদম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই করাতকল মালিক ও কাঠচোর চক্রের সদস্যরা এ জঘন্যতম কাজ নিধিদ্বায় চালিয়ে যাচ্ছে বলে সচেতন লোকজন অভিযোগ করেছেন। মহেশখালীর সচেতন মহল জানান, বন সবর্স্ব ও বিপর্যয়ের মারাত্মক্ষ শংঙ্কার মুল কারন অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীরা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে করাত কল মালিক ও কাঠচোর চক্রের সাথে গোপন আতাঁত করে যার ফলে মহেশখালীর এ অবস্থা। এসব করাত কলের জন্য সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর সহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতির বিধান থাকলেও এখানে তার বালাই নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশকে ম্যানেজ করেই চলছে এসব কাঠ চিরাইয়ের করাত কল। কোন ধরনের সরকারী অনুমতি ছাড়াই পরিচালিত এসব করাতকলে দিনের পর দিন ধরে চলছে সরকারী বনাঞ্চলের প্রধান বনজ সম্পদ গাছপালা চিরাইয়ের মহোৎসব। মহেশখালী উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক (কারা পরিদর্শক), রিয়াজ মুশোর্দ আমাদের কক্সবাজারকে জানান, কোষ্টাল দ্বীপ মহেশখালী এটা শিঘ্রই বিলীন হয়ে যাবে যদি এভাবে ক্রমান্নয়ে দুর্নীতিবাজ ও অসাধূ বন কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে গোপন আতাঁত করে বনখেকোরা প্যারাবন, গাছপালা নিধন ও ভুমিদস্যুরা পাহাড় কেটেঁ পানের বরজ তৈরী, বাড়িঘর তৈরীর জন্য পাহাড় কেটে বিলীন করা, এবং বৈধ্য, অবৈধ স-মিল মালিকের সাথে আতাঁত করে কাঠ চিরাই করা। শিঘ্রিই অবৈধ স-মিল বন্ধ করে মহেশখালী দ্বীপ ও বসবাসরত জনগনকে বাচাঁতে হব।
এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে নবাগত মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ আবুল কালাম জানান, খবর নিয়ে অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT