টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ভোটকেন্দ্রের ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার করছে ইসি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে


দেশের ভোটকেন্দ্রগুলোর প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজে হাত দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

এই তথ্যভাণ্ডার আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে ভোটকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে সমস্যাগুলো দুর করবে বলে মনে করছে কমিশন।

সম্প্রতি কমিশনের এক সভায় ভৌগলিক অবস্থান, ছবি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম-জিআইএস পদ্ধতিতে ভোটকেন্দ্রের তথ্যভান্ডার তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।

সারা দেশে কাজ শুরুর আগে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা মহানগরীর প্রায় দুই হাজার ভোটকেন্দ্রের তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ জরুরিভিত্তিতে শুরুর নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।

নির্বাচন কমিশনের উপ সচিব মিহির সারওয়ার মোর্শেদ জানান, নবম সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে আট কোটি ১০ লাখেরও বেশি ভোটারের জন্য মোট ভোটকেন্দ্র ছিল প্রায় ৩৬ হাজার। দশম সংসদ নির্বাচনে ৯ কোটি ২২ লাখ ভোটারেরর জন্য কেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৪০ হাজার। এর মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভোটকেন্দ্র হতে পারে দুই হাজারের বেশি।

এর আগে এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন সীমানা পুননির্ধারণে জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) ব্যবহার করে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এ কাজের দায়িত্ব নেয়। তারা ‘ডিলিমিটেশন টুলস’ সফটওয়ারে ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাহায্যে ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী জনসংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে সীমানা চিহ্নিত করে।

ইসির দ্বিবার্ষিক কর্মপরিকল্পনায় (২০১২-১৩) বলা হয়, এখন দেশের সব ভোটকেন্দ্রের জিআইএসভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করে ডিলিমিটেশন টুলস সফট্ওয়ারে সন্নিবেশিত করা হবে।

কমিশন জানায়, নির্বাচনী এলাকার ডিজিটাল মানচিত্রে এরই মধ্যে সড়ক ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা সন্নিবেশিত থাকায় ভোটকেন্দ্রের তথ্যভাণ্ডার তৈরির পর যে কোনো কেন্দ্রের অবস্থান সুনির্দিষ্টভাবে সহজেই জানা সম্ভব হবে। নির্বাচনী আসন/উপজেলা/ইউনিয়নের সীমানা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের সব তথ্য ডিজিটাল মানচিত্রে দেখা যাবে।

ইসি সচিব মোহাম্মদ সাদিক বিষয়টি কমিশন সভায় উপস্থাপন করলে সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তা দিয়ে দ্রুত কাজ শুরুর নির্দেশ দেন।

কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রের ছবি তোলা, অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম-জিপিএস দিয়ে সংগ্রহ করা তথ্য যাচাই করা, সংগৃহিত তথ্যে ভোটকেন্দ্রের তথ্যভাণ্ডারে সন্নিবেশ করা এবং তথ্যগুলো বাংলাদেশের ডিজিটাল মানচিত্রে দেখানো।

ভোটকেন্দ্র যেনো প্রার্থীর বাড়ির পাশেই না হয় মানচিত্রের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা যাবে

এই তথ্যভাণ্ডার নিয়মিত হালনাগাদ করা যাবে বলে কর্মকর্তারা জানান।

ইসি কর্মকর্তারা সভায় বলেন, “এ কাজগুলো সময় সাপেক্ষ বলেই পরীক্ষামূলকভাবে শুধু ঢাকা সিটি করপোরেশনের তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।”

তারা জানান, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের তথ্য সংগ্রহ করে তা ডিজিটাল মানচিত্রে সন্নিবেশ করা ও তথ্যভাণ্ডার তৈরির জন্য সিইজিআইএস প্রায় ৪৫ লাখ টাকার সম্ভাব্য বাজেট দিয়েছে।

বর্তমানে ভোটের আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা করতে সশরীরে সব কেন্দ্র পরিদর্শনে যেতে হয় ও ভোটারদের যাতায়তের সুবিধা বিবেচনা করতে হয়, যাতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন।

আগামী বছরের শেষের দিকে দশম সংসদ নির্বাচন হত

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT