টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
অভাবঃ মিলছে না চাকরি, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে কিডনি বিক্রির আবেদন ডা. জামাল আহমেদকে তানযিমুল আফনান টেকনাফে সংর্বধনা দৈনিক সাগরদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত বাহারছরা ও টেকনাফ ইউনিয়নে ৫০০ পরিবারের মাঝে টেকসই বসতঘর নির্মাণ সামগ্রী বিতরণ সাগরে পানির উচ্চতা বাড়ছে: ধেয়ে আসছে সমুদ্রের পানি আবারও বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি: কাওমি মাদরাসা ব্যতিত ‘মারোত’কে সম্মাননা প্রদান আগামী বছরই ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালু: রেলপথ মন্ত্রী বিজিবির দায়ের করা শতকোটি টাকার মানহানি মামলায় নারি এনজিও কর্মীর জামিন আল্লামা শফীর মৃত্যু : ‘মামলা প্রত্যাহার না করলে কঠোর পদক্ষেপ

বৌদ্ধ মন্দিরের পুন:নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ নভেম্বর, ২০১২
  • ১১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, রামু / রামুতে বিগত ২৯শে সেপ্টেম্বর রাতে উত্তম কুমার বড়–য়ার ফেইসবুকে পবিত্র কোরআন শরীফে দু’টি পা রাখার ছবিটি বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কিছু ধর্মীয় নামধারী অসাধু ব্যক্তিরা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং বৌদ্ধ বিহার পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই নরকীয় ঘটনা শুধু রামুতেই নয়। উখিয়া, পটিয়াও এই হামলা চালানো হয়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শনে জানা যায়- প্রায় এক মাসের ব্যবধানে রামু, উখিয়া, পটিয়া ২০টি ক্ষতিগ্রস্থ বৌদ্ধ বিহারে পুন:নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী- ১৭ ইসিবির আন্ডারে। ১৭ ইসিবির উপ-অধিনায়ক সেনাবাহিনীর মেজর এস.এম. আনোয়ার হোসেন রামুর নির্মাণ কাজ চলাকালে তিনি বলেন, নীল নক্শার উপর ভিত্তি করে এসব বিহার পুন:নির্মাণের কাজ করা হবে। পুরোদমে যাতে দ্রুত কাজগুলো সম্পন্ন হয় সেদিকে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, তবে রামুর কেন্দ্রীয় সীমা বিহারটি দৃষ্টিনন্দন করে বৌদ্ধ বিহার তৈরী হবে বলে, তিনি আশা করেন। জানা যায়, বৌদ্ধ বিহারগুলো নির্মাণের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বৌদ্ধ বিহারের পুন:নির্মাণের কাজগুলি কন্ট্রাক্টরকে না দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অধীনে এই নির্মাণের কাজগুলি চালিয়ে যাচ্ছে। বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা জানান, কোন বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের জন্য কতটাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে আমাদের জানা নেই। তবে কেন্দ্রীয় সীমা বিহার দৃষ্টিনন্দন ও তিন তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ হবে বলে আশা করেন বৌদ্ধরা। রামু উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্থ বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে সীমা বিহার, উমংরি বৌদ্ধ বিহার (লাল চিং), মৈত্রী বিহার, অজান্তা বৌদ্ধ বিহার, আর্যবংশ বৌদ্ধ বিহার, বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, প্রজ্ঞামিত্র বন বিহার, উখিয়ারঘোনা জেত বন বৌদ্ধ বিহার, উ চেন চি রাখাইন বড় বৌদ্ধ বিহার, উ ক্যজরী রাখাইন বৌদ্ধ বিহার (সাদা চিং), অর্পনাচরণ বৌদ্ধ বিহার, বিবেকারাম বৌদ্ধ বিহার। কক্সবাজার জেলার উখিয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে দীপংকর বৌদ্ধ বিহার, খয়রাতি পাড়া বৌদ্ধ বিহার, পশ্চিম রতœা শাসনতীর্থ সুদর্শন বিহার, রাজা পালং জাদি বৌদ্ধ বিহার, রেজুরকুল সদ্ধর্ম বিকাশ বৌদ্ধ বিহার, উত্তর বড়বিল সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার। চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্থ বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে লাখেরা অভয় বিহার, সার্বজনীন রতœাংকুর বৌদ্ধ বিহার।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT