টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস প্রসঙ্গে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
  • ৭৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

অধ্যাপক রায়হান উদ্দিন = ভালোবাসা শব্দটি খুব সহজেই সকলের সহজাত প্রবৃত্তির সাথে মিশে য়ায়। কেননা জন্মের পর থেকেই মানুষের বেড়ে উঠা এই ভালোবাসাকেই কেন্দ্র করে। আর তাই ভালোবাসার দিনটিকে নিয়ে সকলের ভাবনাটাও থাকে বিশেষ। ১৯৯৩ সালের দিকে আমাদের দেশে ভালোবাসা দিবসের আবির্ভাব ঘটে। সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব শফিক রেহমান পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্বাত্যেও রীতিনীতিতে তিনি ছিলেন অভ্যস্থ। তাই দেশে ফিরে তিনি ভালোবাসা দিবসের শুরুটি করেন। এ নিয়ে অনেক ধরনের মতেবিরোধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত শফিক রেহমানের চিন্তাটি নতুন প্রজন্মকে বেশি আকর্ষণ করে। সেই থেকে আমাদের দেশে দিনটির শুরূ।
কথিত আছে প্রাচীন রোম সম্্রাট রমোলাস একদিন কোন এক বাঘিনীর দুধপান করে শক্তি অর্জন করেছিলেন । ফেব্রæয়ারীর মাঝামাঝি সময়ে রোমানরা এই উৎসব পালন করতো। দুজন শক্তিশালী যুবককে কুকুর এবং ছাগলের রক্তের প্রলেপ দেওয়া হতো।এর পর দুধ দিয়ে তাদের গোসলকরানো হতো। তারপর এই দুজন যুবকে মাথায় নিয়ে রাজপথে মিজিল হতো। রাজপথ অতিক্রম করার সময় রমনীরা ঐ যুবকদের হাতের চামড়ার আঘাত পেতো। এতে নাকি মহিলাদের বন্ধাত্ব দুর হতো। প্রাচীন রোমানদের মধ্যে জানুয়ারী এবং ফেব্রæয়ারীল মাঝামাঝি সময়ে এক অনুষ্ঠান “লুপার কেলিয়া” অনুষ্ঠিত হয়। লুপার শব্দের অর্থ হলো বাঘ । আগেই বলেছি বাঘিনীকে নিয়ে রোমান স¤্রাট লুপারকেলিয়া অনুষ্ঠান এর আয়োজন করতো।শত শত নারি পুরুষ একটি বাক্রো তাদের নাম লিখে রাখতো। পরবর্তীতে যাদের নাম ঐ বাক্রাথেকে তোলা হতো তারা সারা দিনের জন্য যৌন কর্মে লিপ্ত হতো।
পরিসংখ্যানে জানা যায় বিশ্ব ভালোবাসা দিবস খ্রিস্টানদের জনপ্রিয় উৎসব সমুহের মধ্যেদ্বিতীয়।ঐদিন দেখা যায় অনেকে ডান হাতে লাল রিবন পরিধান করে। ছেলে মেয়ে সবাই উগ্র লাল সাজে সাজ গোজ করা। লালবেলুনে লেখা হয় “ আমি ভালোবাসি তোমাকে” ইত্যাদী। আরো দেখা যায় হৃদয়ে তীর বিদ্ধ ছবি সম্বলিত চিহ্ন (কিউপিড)। লাল গোলাপ ফুল যত্র তত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়।তাছাড়া এই ভালোবাসা দিবসে লাল রং এর দামী উপহার, ভালোবাসার কথামালায় সাজানো কার্ড, ফুলের তোড়া সহকারে উষ্ণ ভালোবাসা প্রেরন ইত্যাদী একে অপরকে দিয়ে থাকে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ইসলামিক দেশে যেমন সৌদীআরবের রিয়াদে ফুলের দোকানে ঐ দিন একটি উন্নত গোলাপের দাম ৩৬ রিয়াল( দশ ডলার) পর্যন্ত গড়ায়।অথচ আগে এর দাম সবউচ্চ ৫ ডলার। প্রতিটি গিফট সপে কার্ডের দাম আকাশচুম্বি হয়ে থাকে।ে কান কোন পরিবার ঘরের জানালায় গোলাপের ঝুরি , ফুলের তোড়া ঝুলিয়ে রাখে। রোমান পৌত্তলিক ধর্ম বিশ্বাসে প্রেমের প্রতিক কিউপিড বালক তীর ধনুক হাতে উলঙ্গ দাড়িয়ে থাকা ছবি ইত্যাদী বড় বড় গিফট্ সপে সাজানো থাকে। রেস্তোরায় হার্ট এর আকারে প্লেইট , টেবিল ক্লথ, টেবিলে গোলাপ সাজিয়ে রাখা হয় ভালোবাসার উপহার হিসেবে।
এক নোংরা ও জঘন্য ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এ ইতিহাসটির বয়স সতের শত সাইত্রিশ বছর হলেও ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ নামে এর চর্চা শুরু হয় সা¤প্রতিক কালেই। দুই শত সত্তর সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারীর কথা। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভেলেন্টাইন নামক এক সাধু, তরূন প্রেমিকদেরকে গোপন পরিনয় মন্ত্রে দীক্ষা দিতো। এ অপরাধে সম্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরচ্ছেদ করেন। তার এ ভ্যালেনটাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।
ধর্ম যাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালাপি এব খ্রিষ্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রা দ্বিতীয় ক্লডিয়াস ছিলেন বিভিন্ন দেবদেবীর পুজায় বিশ্বাসী। সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব দেবীর পুজা করতে বলা হলে ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারূদ্ধ করা হয়। সম্রাটের বারবার খ্রিষ্টধর্ম ত্যাগের আজ্ঞা প্রত্যাখ্যাান করলে ২৭০ খ্রি:১৪ ই ফ্রেব্রুয়ারী রাস্ট্রীয় আদেশ লংঘনের দায়ে ভ্যাালেন্টাইকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন। সেই থেকেই দিনটির শুরু। এ ছাড়া আরও একটি প্রচলিত ঘটনা আছে সেন্ট ভ্যালেল্টাইকে নিয়ে। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত।ত ারা বিভিন্ন উদ্দীপনামুলক কথা বলে সেন্ট ভ্যাালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখতো।এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইকে দেখতে যেত। অনেকক্ষন ধরে তারা দু’জন প্রাণ খুলে কথা বলত।এক সময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যায়। সেন্ট ভ্যাালেন্টাইন এর আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় অন্ধ মেয়েটি দৃস্টিশক্তি ফিরে পায়।
বাংলাদেশে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। কিছু ব্যাবসায়ীর মদদে এটি প্রথম চালু হয়। অপরিণামদর্শী মিডিয়া কর্মীরা এর ব্যাপক কভারেজ দেয়। আর যায় কোথায়!লুফে নেয় বাংলার তরুণ তরুনীরা । এরপর থেকে ঈমানের ঘরে ভালবাসার পরিবর্তে ভুলের বাসা বেঁধে দেয়ার কাজটা যথারীতি চলছে। আর এর ঠিক পিছনেই মানব জাতির আজন্ম শত্রূ শয়তান এইডস নামক মরন পেয়ালা হাতে নিয়ে দাঁত বের করে হাসছে। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন পৃথিবীতে ভালবাসার অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরন করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না বা কেন! অপবিত্রতা নোংরামি আর শঠতার মাঝে তো আর ভালবাসা নামক ভালো ব¯ ‘ুথাকতে পারে না। তাই খোদা তায়ালা মানুষের হৃদয় থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিয়েছেন।
বিশ্বভালবাসা দিবসকে চেনার জন্য আরও কিছিু কিছু বাস্তব নমুনা পেশ করা দরকার। দিনটি যখন আসে তখন শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যারয়ের শিক্ষার্থীরা তো একেবারে বেসামাল হয়ে উঠে। নিজেদের রুপা – সৌন্দর্য উজাড় করে প্রদর্শনের জন্য রাস্তায় নেমে আসে। শুধুই কি তাই! অঙ্কন পটিয়সীরা উল্কি আঁকার জন্য পসরা সাজিয়ে বসে থাকে রাস্তার ধারে। তাদের সামনে তরুনীরা পিঠ , বাহু আর হস্তদ্বয় মেলে ধরে পছন্দের উল্কিটি এঁকে দেয়ার জন্য । তারপর রাত পর্যন্ত নীরবে নিভৃতে প্রেমিক প্রেমিরার সাথে খোশ গল্প । এ হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবসের কর্ম সুচী।
বিশ্ব ভালবাসা দিবস পালন একটি রোমান জাহেলি উৎসব । রোমানরা খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করার পরেও এ দিবস পালনের প্রথা অব্যাহত রাখে। ১৪ ফ্রেব্রæয়ারী ২৭০ খ্রি: ভ্যাালেন্টাইন নামক একজন পাদ্র্রির মৃদ্যুদন্ডের সাথে এ উৎসব সম্পৃক্ত। বিধর্মীরা এখনো এ দিবসটি পালন করে, ব্যভিচার ও অনাচারের মধ্যে তারা এ দিবসটি কাটিয়ে থাকে।
কোন মুসলমানের জন্য কাফেরদের কোন উৎসব পালন করা জায়েয নয়। কেননা উৎসব (ঈদ) ধর্মীয় বিষয়। এ ক্ষেত্রে শরয়ি নির্দেশনার এক চুল বাইওে যাওয়ার সুয়োগ নেই। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন: উৎসব (ঈদ) ধর্মীয় অনুশাসন, ইসলামী আদর্শ ও ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। যে ব্যপারে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: “তোমাদের প্রত্যেককে আমি আলাদা শরিয়ত ও মিনহাজ (আদর্শ ) দিয়েছি” তিনি আরও বলেন: “প্রত্যেক উম্মতের জন্য রয়েছে আলাদা শরিয়: যা তারা পালন করে থাকে। যেমন নামাজ , কেবলা , রোজা। অতএব, তাদের উৎসব পালন ও তাদের কিছু কিছু জিনিষ গ্রহন করা কিছু কিছু কুফরকে গহণ করার নামান্তর।প্রত্যেক ধর্মেও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ঠ এবং ধর্মীয় আলামতগুলোর মধ্যে অন্যতম। এতএব, এটি গহণ করা মানে কুফরের সবিশেষ অনুশাসন ও সবচেয়ে প্রকাশ্য আলামতের ্েক্ষত্রে তাদের অনুসরণ করা। কোন সন্দেহ নেই যে, এ ক্ষেত্রে তাদের অনুকরণ করা মানে কুফরের অনুকরন করা।
তিনি আরও বলে: “কোন মুসলমানের জন্য তাদেওর উৎসবের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কিছুর ক্ষেত্রে সাদৃশ্য গ্রহন করা জায়েয নয়। যেমন , খাবার দাবার, পোশাকাদি , গোসল আগুন জ্বালানো অথবা এ উৎসবের কারনে কোন াব্যাস বা ইবাদত বর্জন করা ইত্যাদী। এবং কোন ভোজানুষ্ঠান করা , উপহার দেওয়া, অথবা এ উৎসব বাস্তবায়নের সহায়ক এমন কিছু বেচাবিক্রি করা জায়েয নয়। অনুরুপভাবে তাদের উৎসবে শিশুদেরকে খেলতে যেতে দেওয়া এবং সাজসজ্জা প্রকাশ করা জায়েয নয়।
শাইখুল ইসলাম যে হাদিসটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন সে হাদিসটি সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিসে আয়েশা(রা) থেকে বর্নিত হয়েছে। তিনি বলেন: একবার আবু বকর (রা) আমার ঘরে এলেন। তখন আমার কাছে আনসারদের দুইটি বালিকা ছিল। বু আসের দিন আনসারগণ যে পংক্তিমালা বলেছিল তারা সেগুলোদিয়ে গান গাইছিল। তা দেখে আবু বকর (রা:) বললেন: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘরে শয়তানের বীনা! সেদিন ছিল ঈদের দিন। তাঁর কথা শুনে রাসূল (সা:) বললেন: হে আবু বকর, প্রত্যেক জাতির উৎসব থাকে।এটা আমাদের উৎসবের দিন।। আবু দাউদ এ আনাস(রা:) থেকে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেন: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করলেন তখন মদিনাবাসী বিশেষ দুইটি দিনে খেলাধুলা করত। তখন নবী করিম (সা) বললেন: এ দুইটি দিনের হাকিকত কি? তারা বলল: জাহেলী যুগে আমরা এ দুইটি দিনে খেলা ধুলা করতাম। তখন রাসুল (সা)বললেন: “নিশ্চই আল্লাহ তোমাদেরকে এ দুইটি দিনের চেয়ে উত্তম দুইটি দিন গিয়েছেন। ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর।”আরবানী হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। এটি প্রমাণ করে ঈদ বা উৎসব প্রত্যেক জাতির একটা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ঠ। সুতরাং কোন জাহেলি উঃসব বা মুশরিকদেও উৎসব পালন করা জায়েয নয়।মুসলমাননের উচিত তার ধর্মকে নিয়ে গর্ববোধ করা। গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে না দেয়া।
কুলআন সুন্নার সুস্পস্ট দলিল ও সলফে সালেহিনের ইজমার ভিত্তিতে জানাযায় যে, ইসলামে ঈদ শুধু দুইটি। ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা। এ ছাড়া যত উৎসব আছে সে উৎসব কোন ব্যক্তিকেন্দ্রিক হোক, দলকেন্দ্রিক হোক, কোন ঘটনাকেন্দ্রিক হোক অথবা বিশেষ কোন ভাবাবেগকেন্দ্রিক হোক, সেগুলো বিদাত। মুসলমানদেও জন্য সেসব উৎসব পালন করা, সহযোগীতা করা নাজায়েয। এ উৎসব যদি কাফেরদের উৎসব হয়ে থাকে তাহলে এটি এক গুনাহর সাথে আরও একটি গুনাহর সম্মিলন।ক ারণ এ উৎসব পালনের মধ্যে কাফেরদের সাথে সাদৃশ্য ও তাদের সাথে মিত্রতা গ্রহনের বাস্তবতা পাওয়া যায়। অথচ আল্লাহ তায়ালা তাঁর কিতাবে তাদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ ও তাদের মিত্রতা গ্রহণ থেকে নিষেধ করেছেন এবং নবী করিম (সা:) বলেন “যে ব্যক্তি কোন কওমের সাথে সাদৃশ্য গ্রহন করে সে তাদের দলভুক্ত। বিশ্ব ভালবাসা দিবস এটি পেত্তৈলিক ও খ্রিস্টান ধর্মের উৎসব। সুতরাং আল্লহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন মুসলমানের জন্য এ দিবস পাল করা, এটাকে সমর্থন করা অথবা এ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করা জায়েয হবে না। মুসলমানের কর্তব্য হচ্ছে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল এর আহবানে সাড়া দিয়ে এবং আল্লাহর গজব ও শাস্তি কারনসমুহ থেকে দুরে থাকার নিমিত্তে এটি বর্জন করা এবং এর থেকে দুরে থাকা।
আমাদের যুবক যুবতীদের মাঝে ভালবাসা দিবস পালনের রেওয়াজ বিস্তার লাভ করেছে। ভালেন্টাইন হ্েচছ একজন পাদ্রীর নাম। খ্রিষ্টানরা এ পাদ্রিকে সম্মান করে থাকে এবং প্রতি বছর ১৪ ই ফেব্রæয়ারী তারা এ দিবসটি উদযাপন করে, উপহার, উপটৌকন ও লাল গোলাপ বিনিময় করে থাকে, লাল রঙের পোশাক পরিধান করে থাকে। এ ব্যাপারে নবী করিম (সা:) বলেন: “যে ব্যক্তি আমাদের দ্বীন বা শরিয়তের মধ্যে এমন কিছু চালূ করবে যা এতে নেই সেটি প্রত্যাখ্যাত।”
অতএব, যদি বিক্রেতা জানতে পারে যে, ত্রেতা এ উপটৌকন ও গোলাপ ফুল কিনে এ দিবস উদযাপন করবে, কাউকে উপহার দিবে অথবা এ দিবসগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে তাহলে ক্রেতার কাছে এগুলো বিক্রি করা নাজায়েয; যাতে করে বিক্রেতা বিদআত সম্পাদনকারী ব্যক্তির সাহায্যকারী হিসেবে সাব্যস্ত নাহয়। আল্লাহই ভাল জানেন । আমীন।

অধ্যাপক রায়হান উদ্দিন।
জেলা শিল্পকলা একাডেমী ককসবাজার।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT