টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে

বিলুপ্তির পথে টেকনাফের হ্যাচারী জোন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১০৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবুল কালাম আজাদ, টেকনাফ = কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত টেকনাফের চিংড়ি পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারী জোন এখন বিলুপ্তি প্রায়। কালের সাক্ষী হিসেবে দাড়িঁয়ে রয়েছে বড় বড় দালান গুলো। বিগত এক যুগ আগে উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে দেশের কয়েক জন শিল্পপতি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়া সী-বীচে হ্যাচারী জোন গড়ে তুলেছিলেন। উদ্দেশ্য প্রাকৃতিক উপায়ে চিংড়ি পোনা উৎপাদন করে কক্সবাজার জেলাসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পোনা সরবরাহ দেওয়া। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক, বিশেষ করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে প্রায় শত কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ছিল হ্যাচারী জোনের নামে। প্রথম প্রথম পোনা উৎপাদন করে কক্সবাজার জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পোনা সরবরাহ দিয়ে ছিল। যা একটানা ৫/৬ বছর বিরতিহীন ভাবে চলেছে। পরবর্তীতে ঐ হ্যাচারী জোনের মালিকগণ আপনা-আপনি ফ্যাক্টরী বন্দ করে দিয়ে চলে যায় নিজ নিজ এলাকায়। হ্যাচারী জোন হয়ে পড়ে সন্ত্রাসী ও ইয়াবসায়ীদের আড্ডাখানা। যা এখনো পর্যন্ত এ অবস্থায় রয়েছে। সমস্যায় পড়েছে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্টান। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক টেকনাফ শাখা জানিয়েছে, এ হ্যাচারী গুলোর বিএম, ও বাগদা হ্যাচারী থেকে অনেক ঋণের টাকা পাওনা রয়েছি। পাশাপাশি মেঘনা, মুনষ্টার, নিরিবিলি হ্যাচারী সহ বিভিন্ন হ্যাচারী অন্যান্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে বলে জানা যায়। যা এখন সুদ, সার্ভিস চার্জ সহ বিপুল অঙ্কে পরিনত হয়েছে। ঋণ পরিশোধ না হওয়ায় অনেক হ্যাচারীর বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলাও হয়েছে বলে ব্যাংক কতৃপক্ষ জানায়। অথচ আদায় হচ্ছেনা। খোজঁ নিয়ে জানা যায়, অনেক হ্যাচারীর মালিক নিজ এলাকা নিজ দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। আবার অনেক মালিক মারা গেছে। আবার অনেকেই নিরুদ্দেশ হয়েছে। আবার অনেকেই চিংড়ি পোনা উৎপাদন বাদ দিয়ে নেমে পড়েছে ইয়াবা ব্যবসায়। এদিকে সবচেয়ে বিপদে রয়েছে হ্যাচারীতে কর্মরত শত শত শ্রমিক। হ্যাচারী বন্ধ হয়ে পড়ায় তার চাকুরী হারা হয়ে বেকারত্ব জীবন যাপন করছেন। তাদের পরিবারে নেমে এসেছে অশান্তি।অর্ধহারে অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে। হ্যাচারী জোন পরিদর্শনে দেখা যায়, অনেক হ্যাচারীর মালিক ব্যাংকের ঋণ থেকে রেখায় পাওয়ার জন্য হ্যাচারীতে ২/১ জন করে কেয়ার টেকার নিয়োগ দিয়ে রেখেছেন। এদের মধ্যে একজন রুহুল আমিন রগু জানান, বর্তমানে চিংড়িঘেরের মালিকগণ ও চাষারা আমাদের উৎপাদিত চিংড়ি পোনা নিতে আগ্রহী না। কেন না এ কৃত্রিম উপায়ে উৎপাদনকারী পোনা বেশীর ভাগই মারা যায়। তারা আমাদের পোনা বাদ দিয়ে সমুদ্রের পোনা নিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমরা পোনা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছি। এ ছাড়া পোনা উৎপাদনে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন। আমরা সে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাচ্ছিনা। জেনেরেটর দিয়ে পোনা উৎপাদন করতে হয়। এতে আমাদের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেড়ে যায়। এ ছাড়া রয়েছে মাদার চিংড়ির সংকট। পাওয়া গেলেও মূল্য অনেক বেশী। এ কারনে আমরা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়ে এ হ্যাচারী জোনকে পর্যটকদের আবাসিক জোন গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছি। ###

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT