টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

বাঙ্গালী জাতীর ঐতিহ্য পৃথিবীর পরিচিহ্নিত বঙ্গোপ সাগর এর বৃটিশ আমল থেকে এ পর্যন্ত হালচালের ….

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১২
  • ৫৯৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ, মহেশখালী /

বাঙ্গালী জাতীর ঐতিহ্য পৃথিবীর পরিচিহ্নিত বঙ্গোপ সাগর এর বৃটিশ আমল থেকে এ পর্যন্ত হালচালের সরজমিন প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, মিয়ানমার বা বার্মা রাজ্জ্যের আকিয়াব শহরের পছাখালী পিজরা বাত্বি ঘরের গা ঘেষেই সুজাসুজি পশ্চিম-দক্ষিণ প্রান্ত হইয়া পশ্চিমের দিকে মহিসোপান হয়ে গভীর বঙ্গোপসাগর এর মধ্যমনি সাগরের বুক দিয়া যাইতে যাইতে ভারত বা হিন্দুস্থানের রাই মঙ্গল নামক খারীর স্থানে গিয়ে পৌছায়। সাবেক বৃটিশ শাসন আমল, সাবেক পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশ এর সীমান্তে এর দিকে আছে সাবেক চাঁন তারা মার্কা বিশাল বিশাল আকৃতির ভাসমান বয়া ও ভারত বা হিন্দুস্থান এর রাই মঙ্গল নামক খারীর পার্শ্বে অর্থাৎ রাই মঙ্গল নামক খারীতে আছে মুত্তিমার্কা বিশাল বিশাল আকৃতির বয়া। এই জরীপ গুলি পরিচালনা করে বয়াগুলি দিয়াছেন বৃটিশ সরকারের আমলে। চাঁনতারা বয়াগুলি হইল বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশরই বয়া। কারণ পূর্ব পাকিস্তানের পতাকার স্মৃতি ধারণ করে সেই অনুসারে এই বয়াগুলি দিয়াছিল। পূর্ব পাকিস্তান বাতিল হওয়াতে স্বাধীন বাংলাদেশ জন্ম হইলে ঠিক চাঁনতারা বয়াগুলি হইয়াছে বাংলাদেশের লাল-সবুজের স্মৃতি বিজড়িত বয়াগুলি। তাই মিয়ানমার বা বর্মা রাজ্যের পছাখালী নামক পিজারা বাত্তিঘর হইতে দক্ষিণ পশ্চিমে মহিসোপানে প্রবাহিত বঙ্গোপ সাগরের গভীর সমুদ্রের সীমানা নির্ধারন ক্রমেই পৌছায় ভারতের বা হিন্দুস্থানের রাই মঙ্গল নামক খারীর স্থানে। এই বিশাল গভীর বঙ্গো সাগর এর বুকে সরজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায় যে, ১। বিভিন্ন রকমের মৎস্য জীবী, মৎস্য শিকারী জেলেদের ফিশিং ট্রলার ছোট বড় বিভিন্ন প্রকৃতির বিভিন্ন জাতের। ২। বর্তমান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বা নেভী। ৩। বিভিন্ন দেশের ছোট বড় মালবাহী জাহাজ বিভিন্ন প্রকৃতির। ৪। বাংলাদেশের ছোট বড় বিভিন্ন প্রকার মালবাহী জাহাজ। ৫। দেশীয় ছোট বড় অত্যাধুনিক মাছ শিকারের ট্রলার। ৬। বিদেশী থাইল্যান্ডের বড় বড় মাছ শিকারের অত্যাধুনিক ট্রলার। বাংলাদেশ ধ্বংসকারী চোরাকার্বারীদের নিরাপদ রাস্তা এই বঙ্গোপসাগর। চোরাকার্বারী বা মাফিয়ারা বড় বড় জাহাজে বা দেশীয় তৈরি শক্তি শালী ট্রলার দিয়ে এই বাংলাদেশ থেকে মূল্যবান জিনিস পত্র বিদেশে গোপনে পাচার করে ও বিদেশ থেকে ঠিক একই কায়দায় বিদেশী মালামাল এ দেশে প্রবেশ করায় চোরাকার্বারীরা। যেমন অবৈধ অস্ত্র গোলা বারুদ, হিরুইন, ইয়াবা টেবলেট, আদম পাচারসহ নানা রকম দেশ ধ্বংসকারী নিষিদ্ধ জিনিসপত্র পাচার ও আমদানী করিয়া থাকে। বাংলাদেশের বড় বড় খুনী, গডফাদারগণ, ডাকাত এর দল আতœগোপনের নিরাপদ স্থান এই গভীর বঙ্গোপ সাগর। এই বঙ্গোসাগর এর জনবসতির স্থলভাগ থেকে বাংলাদেশের স্থানের পরিমানের চেয়ে প্রায় ২১ গুন বড় এই গভীর বঙ্গোপ সাগর এখনো অরক্ষিত। এর পরেও মিয়ানমার বা বার্মা রাজ্যের বহুত স্থলভাগ বা জায়গা বর্মা বা মিয়ানমারে বাঙ্গালীদের জায়গা অবৈধভাবে জবর দখল করিয়া রহিয়াছে। তার যথাযথ প্রমাণ আছে। ঠিক একই ভাবে ভারত বা হিন্দুস্থানের ভিতরে বাংলাদেশ এর বহুত স্থলভাগ বা জায়গা রহিয়াছে। তার প্রমাণ আছে। যেমন মিয়ানমারের কোলাদং পাহাড়ের শিসনালী ইমামুরদ্বিয়া নামক পর্যন্ত বাংলাদেশের স্থলভাগ জায়গা জমি পাহাড় হয় বৃটিশ রক্ষণাবেক্ষণ পরিচিহ্নিত ট্রেস ম্যাপে রয়েছে। কোলাদং অর্থ হইল কোলা অর্থ বাঙ্গালী, দং অর্থ পাহাড়, তাহা হইলে বুঝা যায় বাঙ্গালীদের পাহাড়। বৃটিশ আমলে তাদের আধিপত্য বিস্তার করিয়া তাদের আমলে নাটকীয়ভাবে তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে এপার ওপার করা হয়। পরিস্কার ভাবে সি,এস, জরিপের মতে পূর্নঃ পূর্নঃ বাঙ্গালীদের আবাসস্থল ছিল পরিচিহ্নিত। এই ভাবে রদ বদল এপার ওপার বৃটিশ আমলে আর,এস, রেকর্ড তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে অসংখ্য ভুলে ভরা, তারপরেও কোলাদং পাহাড় এর শিস নালীর ইমামুরদ্বিয়া নামক সাবেক বৃটিশ আমল, সাবেক পূর্ব পাকিস্তান আমল বর্তমান বাংলাদেশ এর নামীয় আবাদকারী দলিল বৃটিশ শাসকদের রক্ষিত হিমাগারে রক্ষিত আছে। পৃথিবীর সভ্য পুরাতন প্রাচ্যের দেশ জার্মান, ইতালী, তুরস্ক, ইরাক, প্রাচীন সভ্যতার বহুত দেশে বাংঙ্গালীদের যে দেশ তাহার প্রমান্য বহুত কিছু স্মৃতি বিজরিত রহিয়াছে। মিয়ানমার/বার্মা বা হিন্দুস্থান উত্থান পতনের নাটক বানায় শুধু বৃটিশ শাসন আমলে। এর আগে বাঙ্গালীদের এবং তাদের পূর্ব পুরুষের রাজত্ব ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় কিছুই ছিলনা। অবুঝ অঘোর ঘুম নিদ্রায় ছিল এই সরল বাঙ্গালী। নিয়তির কি পরিহাস! ভারতের প্রাচীনতম যতগুলি কৃর্তি আছে সবগুলি স্মৃতি, নিশানা বাঙ্গালীদের ছাড়া আর কিছুই ছিলনা। বাঙ্গালীদেরকে বিমাতা সুলভ আচরন করে বৃটিশ শাসকেরা। ঐ উর্দুভাষী পাকিস্তানী জান্দালদের কথা মত। এই বঙ্গোপ সাগরে সর্বশক্তিমান সৃষ্টি কর্তার বড় ধরনের নিয়ামত আছে ইহা আসলে বাস্তব সত্য। যেমন খনিজ সম্পদ আছে বহুত স্থানে এই বঙ্গোপ সাগরে সেই কারণে বিদেশীরা ঠান্ডা মাথায় পাগল হইয়া আছে যে, সে কারণে বাঙ্গালীদেরকে এত মায়া, দরদ, ¯েœহ, ভালবাসা বাঙ্গালীদের জন্য। মায়া দরদ ভালবাসাটা হল হৃদয়ের ভিতরে আতœাতে বিষ দিয়ে রং তামাশার ভালবাসা। সঠিক হৃদয়ের ভালবাসা বিদেশী প্রভূরা কখনো করে না। একটি কথা আছে যেমন, হাসের ডিমা মুরগীর তায় ভিন্ন পুত্রের মায়া কান্না। এর অর্থ হল যে, বাঙ্গালী দিয়ে বাঙ্গালীদের জীবন মান সম্পদ দৌলত ধ্বংস, লুটপাট করার জন্য ভালবাসা করে বিদেশীরা। বিদেশীরা তাদের দেশে বাঙ্গালীর ধন সম্পদ ও খনিজ সম্পদ লইয়া যাওয়ার ভালবাসা করে এ দেশীয় দোসরদের দিয়ে। এই বঙ্গোপসাগরে বিদেশী থাইল্যান্ডের ফিশিং ট্রলার রাত্রি দিনে অনবরত জাল সাগরে ফেলিয়া টানিয়া বড় মাছ গুলি তাদের ফিশিং ট্রলারে উঠায়। আর ছোট ছোট মাছের পোনা বাচ্চা গুলি সাগরে ঢালিয়া ফেলিয়া দেয়। ওই বিদেশী ফিশিং ট্রলার একবার সাগরে খেও দিয়া কোটি কোটি পোনা মাছ নিধন করে যাচ্ছে অবাধে। এইগুলি ষড়যন্ত্র ছাড়া দেশ ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। আবার বঙ্গো সাগরের কুল কিনারা থেকে জেগে উঠা চর জলাশয়গুলিতে নেট জাল দিয়ে কোটি কোটি পোন মাছ নিধন করে এদেশীয় জেলের দল। বাংলাদেশের নদীর মূল মোহনার কেন্দ্র বিন্দু হচ্ছে গভীর বঙ্গোপ সাগর। যেমন- মেঘনা, যমুনা, পদ্মা, আত্রাই, কর্ণফুলী, বহ্মপুত্র নদী আরও অনেক শাখা নদী মূল মোহনা হচ্ছে এই বঙ্গোপ সাগর। প্রতিদিন অনবরত রাত্রিতে বঙ্গোপ সাগরের ভিতরে বা নদীতে হাজার হাজার টেংরা জাল, ধর্মজাল, পাতলী জাল, রাজ জাল, বিহীন্দি জাল, বিভিন্ন নেট ওয়ালা জাল, জানা অজানা শত শত রকমের জাল দিয়া কোটি কোটি পোনা আহরন ও নির্ধন করে যাচ্ছে এই বঙ্গোপ সাগরে। এই গভীর বঙ্গোপ সাগরের বুকে কুম জাল, ডুবো জাল, ভাসা জাল, লাক্ষো জাল, বিহিন্দী জাল, ইলিশ মাছের জাল, শত শত রকমের জাল দিন রাত্রিতে বঙ্গোপ সাগরে জাল ভাসায় আর উঠায়। একটিও ফিশিং ট্রলারের কোন লাইসেন্স নাই। পারমিট অনুমতি বা অবগতি নাই। তার পরেও পোনা মাছ নির্ধন করিয়া যাচ্ছে অবাধে। এই বঙ্গোপ সাগরে ১৫ রকমের পানি প্রবাহিত আছে আবার নির্দিষ্ট পানির সীমানা ও তরঙ্গ আছে। যেমন- ১। ঘোলা পানি ৪ ধরনের। ২। সবুজ পানি ৪ ধরনের। ৩। নীলা পানি ৪ ধরনের। ৪। কালো পানি ৬ ধরনের। ৫। সাদা পানি ৬ ধরনের। বিভিন্ন রকমের পানির তরঙ্গ বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। এটা নির্ভর করে পানির গভীরতা নিয়ে। যেমন গোলা পানি ১ বাম (অর্থাৎ সাড়ে তিন হাত লম্বাকে ১ বাম বলে) হইতে ৫ বাম এক ধরনের রূপ ধারন করে। আবার ৫ বাম হইত ১৫ বাম পর্যন্ত আর এক ধরনের রূপ ধারন করে। ১৫ বাম হইতে ২৬ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের রূপ ধারন করে। এদের তরঙ্গও বিভিন্ন প্রকৃতির বিভিন্ন রঙ্গের। নীলা পানি ২৭ বাম হইতে ৩৮ বাম পর্যন্ত এক প্রকারের তরঙ্গও এক প্রকারের, ৩৯ বাম থেকে ৪৫ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, আবার ৪৬ বাম থেকে ৫০ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৫১ বাম থেকে ৫৮ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের। সবুজ পানি মূলত চার প্রকার ৫৯ বাম থেকে ৬২ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৬৩ বাম থেকে ৭০ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৭২ বাম থেকে ৮২ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৮৪ থেকে ৯৯ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের। ১০২ বাম থেকে কালো পানির সৃষ্টি। তাহা ১২০ বামে গিয়া আর এক রকম হয়। ১২৪ বাম হইতে ১৪৮ বাম আর এক রকম হয়। ১৫২ থেকে ১৮০ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের হয়। ১৮৩ বাম থেকে ১৯৯ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের। ২০৩ বাম হইতে আর এক রকমের গতি ধারা সৃষ্টি হয়। ২০৫ বাম হইতে ২৪৮ বাম আর এক রকমের গতি ধারা সৃষ্টি হয়। ২৪৯ বাম হইতে ৫০০ বাম পর্যন্ত এক রকমের একধারার বিশাল কালো পানির সাগর প্রবাহিত। ৫০০ বাম থেকে ৫১০ গেলে গভীর বঙ্গোপ সাগর। যার বাম ৩০০০ (তিন হাজার) বামেরও বেশি, ঐ গতিধারার পানিটি হুবহু এবং তলার মাটি পাওয়া যায় বর্তমান সরকার গভীর সমুদ্র বন্দর করিতেছেন ব্ল্যাকর দ্বিয়া নামক সোনাদিয়ার সেই পানিও এই মাটির সন্ধান মিলে। আর বাংলাদেশের সাগরে কোথাও এই পানির রঙ তলার মাটি পাওয়া যায়না। সে কারণে সোনাদ্বিয়ার পরিচিহ্নীত ব্ল্যাকর দ্বিয়াতে আছে তার বাস্তব প্রমাণ। তবে সোনা দিয়ার পানি মাটি এক হইলেও গভীরতা ৯৫ বাম। কিন্তু এত কূলের কিনারে বাংলাদেশে, ভারতে, মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে এশিয়া মহা দেশের কোন দেশে স্থলভাগের এত কাছে এত গভীর পানি নাই, সেই মাটিও নাই। শুধু আছে কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়ার বুকে ব্ল্যাকর দ্বিয়া নামক স্থানে। যাহা বর্তমান সরকার পরিচিহ্নীত করিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর ঘোষনার অপেক্ষায় আছে। বঙ্গোপসাগরের কোথাও সাইক্লোন, ঘুর্ণিঝড়, হারিকেন, তুফান হইলেও বঙ্গোপসাগরের বুকে এখনো পর্যন্ত জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চায়না, সুইডেনের মত রাষ্ট্রগুলি বঙ্গোপসাগরের বুকে ভাসমান অত্যাধুনিক রাডার স্থাপন করা হয় নাই বিধায়, সে কারণে কালোবাজারী, দেশীবিদেশী অস্ত্রবাজ চোর ডাকাতেরা সহজে গোপনে আশ্রয় প্রশ্রয় ও সুযোগ পাইয়া থাকে। সুযোগ বুঝে বিদেশী প্রভূরা মহা মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিদেশী গুপ্ত চোরেরা ও দেশীয় গুপ্তচোর, তাদের দোসর মিলে মিশে তন্ন তন্ন ষড়যন্ত্র অব্যহত রাখিয়েছে। তাই বিদেশী ভালবাসা কচু গাছের পাতার উপর বৃষ্টির পানি পড়লে যেমন ভিজে না ঠিক বিদেশীদের ভালবাসা রঙ তামাশা মাত্র ছাড়া আর কিছুই না।

মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ,
মহেশখালী, (কক্সবাজার)
০১৭২৭৬২৮২৯৫

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT