টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

বন্দরের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কন্টেইনার উধাও

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৩
  • ১৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

sASasটেকনাফ নিউজ ডেস্ক:: মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির অভিযোগে আটক একটি কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে উধাও হয়ে গেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে কন্টেইনারটি। বৃহস্পতিবার শতভাগ কায়িক পরীক্ষার জন্য গেলে উধাও হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর দিনভর খোজাখুঁজি করেও কন্টেইনারটির কোন সন্ধান দিতে পারেনি বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগ। ফলে কায়িক পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী রোববারের মধ্যে কন্টেইনারটির অবস্থান জানাতে পারবে তারা।বিভিন্ন সময়ে জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে আঁতাত করে কাস্টমস কর্মকর্তাদের অজ্ঞাতে কন্টেইনার পাচার করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগের বিরুদ্ধে।এদিকে এ নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্টো কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে দোষারোপ করছে।চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (নিরাপত্তা) লে.কর্ণেল মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘উধাও হয়ে যাওয়া কনটেইনারের ব্যাপারে বন্দর নিরাপত্তা বিভাগের কোন দায় নেই। এই জালিয়াতির সঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জড়িত থাকতে পারে।’কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বন্দরের নিরাপত্তা হেফাজতে কোন কন্টেইনার দেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, তারা চিঠি দিয়ে লিখিভভাবেই কন্টেইনারটি নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার জন্য দিয়েছিল। সে চিঠির কপি তাদের হাতে আছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৃহস্পতিবার এ-ওয়ান নীট এক্সপোর্ট এর আমদানি করা চারটির মধ্যে একটি পণ্যবাহি কনটেইনার এর কায়িক পরীক্ষা করার কথা ছিলো। কিন্তু দিনভর খোঁজ করেও পণ্যের চালানের পরীক্ষা করতে গেলে নির্দিষ্ট কনটেইনারটি আমাদের বুঝিয়ে দিতে পারেনি বন্দর কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চার কনটেইনার গার্মেন্ট পণ্য আমদানি করে ৬০/১০, ঈসা খাঁ রোড, নারায়নগঞ্জ ঠিকানার আমদানিকারক এ-ওয়ান নীট এক্সপোর্ট। পরে মাসুদ অ্যাপারেলস হাউস নম্বর ৭৯ ব্লক-ডি নিউ এয়ারপোর্ট রোড ঢাকা নামে আইজিএমে আমদানিকারকের নাম সংশোধন করা হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, চালানটিতে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির অভিযোগ থাকায় গত ১৯ জুন চালানটির আইজিএম লক করে কাস্টমসের এআইআর শাখা। এরপর ২২ জুন চালানটির প্রতি বিশেষ নজরদারি ও নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে পত্র দেয়।

গত বুধবার বন্ড সুবিধায় আনা চালানটি শুল্কমুক্তভাবে খালাসের জন্য আমদানিকারকের পক্ষে বিল অফ এন্ট্রি দালিখ করে সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট নগরীর আগ্রাবাদের সেভেন গোল্ড ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি।

নিয়ম অনুযায়ী বৃহষ্পতিবার কায়িক পরীক্ষা করতে গেলে কন্টেইনারগুলোর মধ্যে একটির খোঁজ দিতে পারেনি বন্দর নিরাপত্তা বিভাগ। শেষমেষও খোঁজ মিলেনি। আমদানি নথি অনুযায়ি, এমসিসি মালাকা নামক জাহাজে আসা কনটেইনার (এমএসকেইউ ৭৫৮৬৬৮৭) চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায় গত ১০ ফেব্র“য়ারি ।

কনটেইনারটিতে আসা চালানে পণ্য আমদানির ঘোষনা রয়েছে ১১ হাজার ৮৯০ কেজি কটন ফেব্রিক্স। যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৪১ লাখ ৫২হাজার টাকা।

একই জাহাজে আসা কনটেইনারে (ইউইএসইউ ২১৯৩৮৬৪) আমদানির ঘোষনা রয়েছে ১০ হাজার ৫৮৭ কেজি ফেব্রিক্স আইটেম। অপর কনটেইনার (পিসিআইইউ ২৯৮১৩৯০) তে ১১ হাজার পলিয়েষ্টার নীট গার্মেন্টস আনার ঘোষনা রয়েছে। একই আমদানিকারক এর আনা অপর কনটেইনারের (এমআরকেইউ ৩২০৮০০৭) চালানে আমদানির ঘোষনা রয়েছে ১৯ হাজার ৬৩৬ কেজি পলিয়েষ্টার জার্সি ।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT