টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

বঙ্গোপসাগর হালচালের প্রতিবেদন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
  • ২৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ, মহেশখালী, (কক্সবাজার)….সরজমিনে বিভিন্ন রকমের অভিজ্ঞ মাঝিমাল্লা, বিভিন্ন রকমের জেলে ট্রলারের নৌকার মালিক, সগর সম্বন্ধে দেশ প্রেমিক বাসিন্দাদের তথ্য সূত্রে জানা যায়, বঙ্গোপসাগর এর বৃটিশ আমল থেকে এ পর্যন্ত হালচালের সরজমিন প্রতিবেদন বাঙ্গালী জাতীর ঐতিহ্য পৃথিবীর পরিচিহ্নিত বঙ্গোপসাগর এর বৃটিশ আমল থেকে এ পর্যন্ত হালচালের সরজমিন প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, মিয়ানমার রাজ্জ্যের আকিয়াব শহরের পছাখালী পিজরা বাত্বি ঘর নামক স্থানের গা ঘেষেই পশ্চিম-দক্ষিণ প্রান্ত হইয়া পশ্চিমের দিকে মহিসোপান হয়ে গভীর বঙ্গোপসাগর দিয়া যেতে যেতে ভারতের রাই মঙ্গল খারী নামক স্থানে গিয়া পৌছায়। সাবেক বৃটিশ শাসন আমলে, সাবেক পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশ এর সীমান্তে এর দিকে আছে সাবেক চাঁন তারা মার্কা বিশাল আকৃতির ভাসমান শিকল পরানো বয়া ও ভারতএর রাই মঙ্গল নামক খারীর পার্শ্বে আছে মুত্তিমার্কা বিশাল আকৃতির শিকল পরানো ভসমান বয়া। এই জরীপ গুলি পরিচালনা করিয়াছিল বৃটিশ সরকারের আমলে। চাঁনতারা মার্কা ভাসমান শিকল পরা বয়াগুলি হইল বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশরই শিকল পরা ভাসমান বয়া। কারণ পূর্ব পাকিস্তানের পতাকার স্মৃতি ধারণ করে সেই নাম অনুসারে এই ভাসমান বয়াগুলি দিয়াছিল। পূর্ব পাকিস্তান বাতিল হওয়াতে স্বাধীন বাংলাদেশ জন্ম হওয়াতে ঠিক চাঁনতারা ভাসমান বয়াগুলি হইয়াছে বাংলাদেশের লাল-সবুজের স্মৃতি বিজড়িত ভাসমান বয়া। তাই মিয়ানমার রাজ্যের পছাখালী পিজারা বাত্তিঘর নামক স্থান হইতে দক্ষিণ পশ্চিমে মহিসোপানে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপ সাগরের গভীর সমুদ্রের সীমানা নির্ধারন ক্রমেই পৌছায় ভারতের রাই মঙ্গল খারী নামক স্থানে। এই বিশাল গভীর বঙ্গোপ সাগর এর বুকে সরজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায় যে, ১। বিভিন্ন রকমের মৎস্য জীবী, মৎস্য শিকারী জেলেদের ফিশিং ট্রলার ছোট বড় বিভিন্ন প্রকৃতির। ২। বর্তমান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ। ৩। বিভিন্ন দেশের ছোট বড় মালবাহী জাহাজ বিভিন্ন প্রকৃতির। ৪। বাংলাদেশের ছোট বড় বিভিন্ন প্রকার জাহাজ। ৫। দেশীয় ছোট বড় অত্যাধুনিক মাছ শিকারের ট্রলার। ৬। বিদেশী থাইল্যান্ডের বড় মাছ শিকারের অত্যাধুনিক ট্রলার। বাংলাদেশ ধ্বংসকারী চোরাকারবারীদের নিরাপদ রাস্তা এই বঙ্গোপসাগর। চোরাকারবারীরা, মাফিয়ারা বড় জাহাজে দেশীয় তৈরি শক্তি শালী ট্রলার দিয়ে এই বাংলাদেশ থেকে মূল্যবান জিনিস পত্র বিদেশে গোপনে পাচার করে ও বিদেশ থেকে ঠিক একই কায়দায় বিদেশ থেকে মালামাল এ দেশে প্রবেশ করায় চোরাকারবারীরা। যেমন অবৈধ অস্ত্র গোলা বারুদ, হিরুইন, ইয়াবা টেবলেট, আদম পাচারসহ নানা রকম দেশ ধ্বংসকারী নিষিদ্ধ জিনিসপত্র পাচার, আমদানী ও রপ্তানী করিয়া থাকে। বাংলাদেশের বড় বড় খুনী, গডফাদারগণ, ডাকাতদল আতœগোপনের নিরাপদ স্থান এই গভীর বঙ্গোপ সাগর। এই বঙ্গোপসাগর এখনো অরক্ষিত। জনবসতির স্থলভাগ থেকে বাংলাদেশের স্থানের পরিমানের চেয়ে প্রায় ২১ গুন বড় এই বঙ্গোপসাগর। এর পরেও মিয়ানমার রাজ্যের বহু স্থলভাগ বাঙ্গালীদের জায়গা অবৈধভাবে জবর দখল করিয়া রহিয়াছে। তার প্রমাণ আছে, ঠিক একই ভাবে ভারতের ভিতরে বাংলাদেশ এর বহু স্থলভাগ রহিয়াছে, তার প্রমাণ আছে। যেমন মিয়ানমার রাজ্যের কোলাদং নামক স্থান হইতে বাঙ্গালীদের স্থলভাগের জায়গা ছিল, বাঙ্গালীদের স্থলভাগ জায়গা পাহাড় বৃটিশ রক্ষণাবেক্ষণ পরিচিহ্নিত ট্রেস ম্যাপে রহিয়াছে। কোলাদং অর্থ হইল বাঙ্গালীর পাহাড়। কোলা অর্থ বাঙ্গালী। দং অর্থ পাহাড়। তাহা হইলে বুঝা যায় বাঙ্গালীদের পাহাড়, অর্থাৎ কোলাদং অর্থ বাঙ্গালীদের পাহাড়, বাঙ্গালীদের সীমানা ছিল। বৃটিশ আমলে তাদের আধিপত্য বিস্তার করিয়া তাদের আমলে নাটকীয়ভাবে তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে এপারকে ওপার করা হয়। পরিস্কার ভাবে সি,এস, জরিপের মতে পূর্নঃ পূর্নঃ বাঙ্গালীদের আবাসস্থল ছিল পরিচিহ্নিত কোলাদং অর্থ বাঙ্গালীদের পাহাড়। এই ভাবে রদ বদল এপারকে ওপার করায় বৃটিশ আমলে আর,এস, রেকর্ড তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে অসংখ্য ভুলে ভরা, তারপরেও কোলাদং পাহাড় নামক স্থানের এর ইমামুরদ্বিয়া নামক এক মৌলভীর নাম অনুসারে সাবেক বৃটিশ আমলে, নামীয় আবাদকারী দলিল বৃটিশ শাসকদের রক্ষিত হিমাগারে রক্ষিত আছে। পৃথিবীর সভ্য পুরাতন প্রাচ্যের দেশ জার্মান, ইতালী, তুরস্ক, ইরাক, প্রাচীন সভ্যতার বহুত দেশে বাংঙ্গালীদের যে দেশ তাহার প্রমান্য বহুত কিছু স্মৃতি বিজরিত রহিয়াছে। মিয়ানমার, হিন্দুস্থান উত্থান পতনের নাটক বানাইয়া বৃটিশ শাসন আমলে। এর আগে ছিল বাঙ্গালীদের, পূর্ব পুরুষদের রাজত্ব ছাড়া এই দক্ষিণ এশিয়ায় অন্য কোন শাসন ছিলনা। সরলতা, অবুঝ, অঘোর ঘুম নিদ্রায় ছিল এই সরলতা বাঙ্গালী। নিয়তির কি পরিহাস! ভারতের প্রাচীনতম যতগুলি কৃর্তি আছে সবগুলি স্মৃতি বাঙ্গালীদের ছাড়া আর কিছুই ছিলনা। বাঙ্গালীদেরকে বিমাতা সুলভ আচরন করে বৃটিশ শাসন আমলে। উর্দুভাষী পাকিস্তানীদের কথা মত। এই বঙ্গোপ সাগরে সর্বশক্তিমান সৃষ্টি কর্তার বড় ধরনের নিয়ামত আছে আসলে বাস্তব সত্য কথা। যেমন খনিজ সম্পদ আছে বহুত স্থানে এই বঙ্গোপ সাগরে সেই কারণে বিদেশীরা ঠান্ডা মাথায় পাগল হইয়া আছে। সে কারণে বাঙ্গালীদেরকে এত মায়া, দরদ, ¯েœহ, ভালবাসা বাঙ্গালীদের করিয়া যাচ্ছে। আসলে মায়া দরদ ভালবাসাটা হল হৃদয়ের ভিতরের নয় আতœাতে বিষ দিয়ে রং তামাশার ভালবাসা। সঠিক হৃদয়ের ভালবাসা বিদেশী প্রভূরা কখনো বাঙ্গালীকে করে না। কিছু বাঙ্গালীদের সহিত গোপন আতাত করে আবার বাঙ্গালীদের জীবন মান সম্পদ দৌলত ধ্বংস, লুটপাট করার জন্য ভালবাসা করে বিদেশীরা। বিদেশীরা তাদের দেশে বাঙ্গালীর ধন সম্পদ ও খনিজ সম্পদ লুন্টন করিয়া লইয়া যাওয়ার ভালবাসা করে এ দেশীয় বাঙ্গালী তাদের দোসরদের দিয়া। এই বঙ্গোপসাগরে বিদেশী থাইল্যান্ডের ফিশিং ট্রলার রাত্রি দিনে অনবরত জাল সাগরে ফেলিয়া ভাসাইয়া টানিয়া তুলিয়া বড় মাছগুলি তাদের ফিশিং ট্রলারে উঠায়। আর ছোট মাছের পোনা বাচ্চা গুলি সাগরে ঢালিয়া ফেলিয়া দিয়া থাকে। বিদেশী ফিশিং ট্রলারগুলি একবার সাগরে জাল ভাসাইয়া জালগুলি তুলিয়া কোটি কোটি পোনা মাছ নিধন করে যাচ্ছে অনবরতভাবে। আবার বঙ্গোপ সাগরের কুল কিনারা থেকে জেগে উঠা চর জলাশয়গুলিতে নেট ওয়ালা জাল দিয়ে কোটি কোটি পোন মাছ নিধন করে এদেশীয় জেলের দলগুলি। বাংলাদেশের নদীর মূল মোহনার কেন্দ্র বিন্দু হচ্ছে গভীর বঙ্গোপ সাগর। যেমন- মেঘনা, যমুনা, পদ্মা, আত্রাই, কর্ণফুলী, বহ্মপুত্র নদী আরও অনেক অনেক শাখা নদী মূল মোহনা হচ্ছে এই বঙ্গোপ সাগর। প্রতিদিন অনবরত দিনেরাত্রিতে বঙ্গোপ সাগরের ভিতরে বা নদীতে হাজার হাজার টেংরা জাল, ধর্মজাল, পাতলী জাল, রাজ জাল, বিহীন্দি জাল, বিভিন্ন নেট ওয়ালা জাল, জানা অজানা শত শত রকমের জাল দিয়া কোটি কোটি পোনা মাছ আহরন ও নির্ধন করে যাচ্ছে এই বঙ্গোপ সাগরে জেলেরা। এই গভীর বঙ্গোপ সাগরের কুম জাল, ডুবো জাল, ভাসা জাল, লাক্ষো জাল, বিহিন্দী জাল, ইলিশ মাছের জাল, শত শত রকমের জাল দিন রাত্রিতে বঙ্গোপসাগরে জাল ভাসায় আর উঠায়। এই বঙ্গোপ সাগরে ১৫ রকমের পানি প্রবাহিত আছে আবার নির্দিষ্ট পানির সীমানা ও ঢেউ আছে। যেমন- ১। ঘোলা পানি ৪ ধরনের। ২। সবুজ পানি ৪ ধরনের। ৩। নীলা পানি ৪ ধরনের। ৪। কালো পানি ৬ ধরনের। ৫। সাদা পানি ৬ ধরনের। বিভিন্ন রকমের পানির ঢেউ বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। এটা নির্ভর করে পানির গভীরতা নিয়ে। যেমন গোলা পানি ৫ ফুট হইতে ২৬ ফুট গভীর পর্যন্ত এক ধরনের রূপ ধারন করে। আবার ২৬ ফুট হইত ৭৯ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক ধরনের রূপ ধারন করে। ৭৯ ফুট হইতে ১৩৬ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের রূপ ধারন করে। এদের ঢেউও বিভিন্ন প্রকৃতির বিভিন্ন রঙ্গের হয়ে থাকে। নীলা পানি ১৪১ ফুট গভীর হইতে ২০০ ফুট গভীর পর্যন্ত এক প্রকারের ঢেউও এক এক প্রকারের। ২০৫ ফুট গভীর থেকে ২৩৬ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। আবার ২৪১ ফুট গভীর থেকে ২৬২ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। ২৬৮ ফুট গভীর থেকে ৩০৪ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। সবুজ পানি মূলত চার প্রকার ৩১০ ফুট গভীর থেকে ৩২৫ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। ৩৩০ ফুট গভীর থেকে ৩৬৭ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। ৩৭৮ ফুট গভীর থেকে ৪৩০ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। ৪৪১ ফুট গভীর থেকে ৫২০ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের ঢেউও আর এক রকমের। ৫৩৫ ফুট গভীর থেকে কালো পানির সৃষ্টি। তাহা ৬৩০ ফুট গভীর গিয়া আর এক রকম হয়। ৬৫১ ফুট গভীর হইতে ৭৭৭ ফুট গভীর আর এক রকম হয়। ৭৯৮ ফুট গভীর থেকে ৯৪৫ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের হয়। ৯৬১ ফুট গভীর থেকে ১০৪৫ ফুট গভীর পর্যন্ত আর এক রকমের। ১০৬৬ ফুট গভীর হইতে আর এক রকমের গতি সৃষ্টি হয়। ১০৭৬ ফুট গভীর হইতে ১৩০২ ফুট গভীর আর এক রকমের গতি সৃষ্টি হয়। ১৩০৭ ফুট গভীর হইতে ২৬২৫ ফুট গভীর পর্যন্ত এক রকমের একধারার বিশাল কালো পানির সাগর প্রবাহিত। ২৬২৫ ফুট গভীর থেকে ২৬৭৭ ফুট গভীর গেলে গভীর বঙ্গোপ সাগর। যার গভীরতা ১৫৭৫০ (পনের হাজার সাত শত পঞ্চাশ) ফুট গভীরতারও বেশি, ঐ গতিধারার পানিটি হুবহু এবং তলার মাটি পাওয়া যায় বর্তমান সরকার গভীর সমুদ্র বন্দর করিতেছেন সোনাদিয়ার ব্ল্যাকর দ্বিয়া নামক সেই পানিতেও এই মাটির সন্ধান মিলে। আর বাংলাদেশের সাগরে কোথাও এই পানির রঙ তলার মাটি পাওয়া যায়না। সে কারণে সোনাদ্বিয়ার পরিচিহ্নীত ব্ল্যাকর দ্বিয়া স্থানে আছে তার বাস্তব প্রমাণ। তবে সোনা দিয়ার পানি মাটি এক হইলেও গভীরতা ৪৯৯ ফুট গভীর। কিন্তু এত কূলের কিনারে বাংলাদেশে, ভারতে, মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে এশিয়া মহা দেশের কোন দেশে স্থলভাগের এত কাছে এত গভীর পানি নাই, সেই মাটিও নাই। শুধু আছে কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়ার বুকে ব্ল্যাকর দ্বিয়া নামক স্থানে। যাহা বর্তমান সরকার পরিচিহ্নীত করিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর করার ঘোষনার অপেক্ষায় আছে। বঙ্গোপসাগরের কোথাও সাইক্লোন, ঘুর্ণিঝড়, হারিকেন, তুফান হইলেও বঙ্গোপসাগরের এখনো পর্যন্ত জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চায়না, সুইডেনের মত রাষ্ট্রগুলি বঙ্গোপসাগরের ভাসমান অত্যাধুনিক রাডার স্থাপন করা হয় নাই, সে কারণে কালোবাজারী, দেশীবিদেশী অস্ত্রবাজ চোর ডাকাতেরা সহজে গোপনে আশ্রয় প্রশ্রয় ও সুযোগ পাইয়া থাকে। বিদেশী প্রভূরা মহা মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিদেশী গুপ্ত চোরেরা ও দেশীয় গুপ্তচোর, তাদের দোসর মিলে মিশে ষড়যন্ত্র অব্যহত রাখিয়েছে। তাই বিদেশী ভালবাসা কচু গাছের পাতার উপর বৃষ্টির পানি পড়লে যেমন ভিজে না যায়, ঠিক বিদেশীদের ভালবাসা রঙ তামাশা মাত্র ছাড়া আর কিছুই না।

মোহাম্মদ সিরাজুল হক সিরাজ,

মহেশখালী, (কক্সবাজার)

০১৭২৭৬২৮২৯৫

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT