টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
২৩ জন রোহিঙ্গা ও টেকনাফের ৬ জনসহ ১৭ মে জেলায় ১১০ জন করোনা রোগী শনাক্ত কোয়ারেন্টাইনে তরুণীকে ধর্ষণ : সেই এএসআই বরখাস্ত ফিলিস্তিনে মানবাধিকার লঙ্ঘন চোখে পড়েনি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের’ সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখল প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সাবরাংয়ের জাফর ও রফিক ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বাড়ছে তাপমাত্রা সঙ্গে দাবদাহ ও অস্বস্তি: থাকবে ৫ দিন টেকনাফে শাহজাহান চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়,ইউনিটে ইউনিটে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া কওমি মাদ্রাসায় সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার নির্দেশ লকডাউনে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে যেভাবে টেকনাফে শাহজাহান চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়, ইউনিটে ইউনিটে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া

প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২৮৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং অভিন্ন নদীর পানি সমবণ্টন ও পানিনির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহার পূর্বক বৈশি^ক টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার গ্রহণের দাবি

::;প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ১ অক্টোবর, ২০১৬ ঢাকা::::
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং অভিন্ন নদীর পানির সমবণ্টন ও পানি নির্ভর ব্যবহারপূর্বক বৈশি^ক টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণের দাবিতে ৪ দফা সম্বলিত দাবি জানিয়েছে প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলন। আজ ১ অক্টোবর শনিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ছোট হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক আমিনুর রসুল বাবুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জসিম কাতাবীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ^াস, মাতামুহুরী-সাঙ্গু নদী রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক শরীফ আহমেদ, বাঁকখালী নদী রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব কালাম আজাদ। সংবাদ সম্মেলনে অবস্থানপত্র উপস্থাপন করেন কর্ণফুলি নদী রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক গালিব রহমান।

বাপার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিহির বিশ^াস বলেন, নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্র্র্তৃপক্ষের হাজার কোটি টাকার ব্যয়ে টেন্ডারকৃত ড্রেজার নির্মাণে অনিয়ম, সনদ জালিয়াতি, নদী দখল মুক্ত করণ, নদীকে দখল-দূষণ-কাঠামোমুক্ত রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও সব রাজনৈতিক দলকে সঠিক নির্দশনা প্রদান করে তা পালনের নিশ্চিয়তা বিধানের জন্যে রাষ্ট্রকে কঠোর হওয়া জরুরি এবং সব শিল্প-কারখানায় বর্জ্য পরিশোধন প্লান্ট সংযোজন ও কল-কারখানায় ‘ক্লিনার প্রোডাকশন’ পদ্ধতি চালু করা, রাসায়নিক কৃষি হ্রাস, জৈব কৃষি বৃদ্ধি, নদীর পারে তামাক চাষ ও গাছ কাটা বন্ধ করা শহুরে-গৃহস্থালি ও নৌযানের কঠিন বর্জ্য এবং পরিশোধন ছাড়া তরল বর্জ্য নদীতে ফেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং নদীর সীমানা নির্ধারণ, দখলমুক্তকরণ, নদী পুনঃখনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার ও নদীর জমি ইজারা দেওয়ার ক্ষমতা বাতিল করতে হবে।

প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলনের সমন্¦য়ক আমিনুর রসুল বাবুল বলেন, বাংলাদেশের ৫৭টি নদীর ১৪৩টি অবস্থানে তীর দখল ও দূষণ পর্যবেক্ষণ করে আমারা পেয়েছি ২৭ দশমিক ৯০ শতাংশ নদী দখল, অবকাঠামো নির্মাণ ও দখলের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, কালাপানি, বালু নদী, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, কর্ণফুলী, সাঙ্গু, বাঁকখালী, মাতামুহুরী, বড়াল ও করতোয়া, রূপসা, গড়াইসহ আরো অনেক নদী। এছাড়াও নদীর ওপর অত্যাচার হয়েছে ২৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে মেঘনা, ধলেশ্বরী, তিতাস, পিয়াইন, পদ্মা, শীতলক্ষ্যা, তিস্তা, ঘাগট, কর্ণফুলি, বাঁকখালী, সুরমা ও বাঙ্গালী নদীর ওপর। দূষণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে প্রায় ১১ দশমিক ৬২ শতাংশ নদী বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এসব দখল দুষণ প্রতিকারের দাবি জানিয়েছে প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলন।
উপস্থাপিত চার দফার গুলোর মধ্যে রয়েছে, ১.ঢাকার চারপাশের চার নদ-নদী রক্ষায় মহামান্য হাইকোর্ট যে ১২টি নির্দেশনা দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করা, ২. জাতিসংঘে পানি বিষয়ক প্যানেল সভায় প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান ও ঘোষণাকে বাস্তবায়ন করতে আন্তদেশীয় নদীসমূহের বিরোধপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানের মাধ্যমে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাপূর্ণ টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণপূর্বক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা, ৩. আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন বিষয়ে জাতিসংঘের সরাসারি তত্ত্বাবধানে যৌথ কমিশন গঠনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা এবং ৪. পানি বিষয়ক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অভিন্ন নদীর পানির সমবণ্টনের পাশাপাশি নদী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত পদক্ষেপ এবং পানিনির্ভর প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো।

আমাদের অবহেলা ও নিষ্ঠুরতায় নদীমাতৃক দেশের অনেক নদীই আজ প্রায় ইতিহাস। গত একশ’ বছরে মারা গেছে আমাদের অসংখ্য প্রিয় নদ-নদী। একদিকে নদী দখলের চিত্র, অন্যদিকে প্রতিদিন শত শত টন শিল্প-কারখানার তরল রাসায়নিক বর্জ্য মিশে যাচ্ছে নদীর পানিতে, প্রতিনিয়ত নদীকে করছে দূষিত এবং জলজ বাসস্থানকে করছে বিপন্ন। এই ক্রমাগত দূষণ ও দখলে নদী আজ সঙ্কীর্ণ থেকে সঙ্কীর্ণতর হয়ে উঠেছে। দেশের প্রকৃতি-পরিবেশ-নদী-অর্থনীতি ও ভবিষ্যত্ উন্নয়নের স্বার্থে নদীর পাড় নদীকে অবশ্যই ফিরিয়ে দেবারও আহ্বান জানিয়েছে প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব জসিম কাতাবী।

বার্তা প্রেরক

কালাম আজাদ
সমন্বয়ক, মিডিয়া সেল
প্রবাহমান নদী রক্ষা আন্দোলন
১৫/সি, রোড ২, মহানগর প্রজেক্ট
পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা
হাতফোনÑ০১৮১৪৪৯৫৪৬৬, ০১৭৬২৫৯৫২০৬।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT