টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে কোস্টগার্ড স্টেশনের প্রশাসনিক ভবন অফিসার্স মেস ও নাবিক নিবাস উদ্বোধন টেকনাফে সার্জিক্যাল ডটকম এর পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রাজারবাগের পীরকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার নির্দেশ শাহপরীরদ্বীপ থেকে ১০ হাজার ৮৪০ প্যাকেট চাইনিজ সিগারেটসহ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর-কনে পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ হাইকোর্টের সেকশন থেকে রাজারবাগ পীরের বিরুদ্ধে করা মামলার নথি গায়েব জাওয়াদে উত্তাল সমুদ্র: সেন্টমার্টিনে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ : প্রভাব বাংলাদেশে, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রবালদ্বীপের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালম ইন্তেকাল আজ সোমবার সূর্যগ্রহণ বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা ৭ মিনিট পর্যন্ত

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১
  • ১১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

‘টেকনাফে আত্নস্বীকৃত ইয়াবা কারবারীদের হামলায় সাবরাং ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আহত’ শিরোনামে ২০ নভেম্বর টেকনাফ টুডে অনলাইনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হওয়ায় আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। উক্ত মিথ্যা সংবাদ আমলে না নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রকৃত ও সত্য ঘটনা হচ্ছে মৌলভী হাজী মোহাম্মদ আমিন আমার বাবার সৎ ভাই। মৌলভী জাকারিয়া প্রকাশ মুরাদ হলেন মৌলভী হাজী মোহাম্মদ আমিনের বড় ছেলে আর মোঃ হুমায়ুন কবির ও মোঃ মুজিবুল্লাহ দু’জনই মৌলভী হাজী মোহাম্মদ আমিনের মেয়ের স্বামী। আমার বাবার জীবদ্দশায় কেউ কোন দিন জমি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করেনি। ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর আমার বাবার মৃত্যুর পর থেকে সৎ চাচা মৌলভী হাজী মোহাম্মদ আমিন, মেয়ের স্বামী ও ছেলেরাসহ তাঁর বিভিন্ন গুন্ডা বাহিনী দ্বারা আমার পরিবার বিভিন্নভাবে লাঞ্চিত নিপীড়িত ও নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে তাঁরা আমার বাবার জমি দখল করতে গেলে আমরা বাধা দেয়ায় তাঁদের গুন্ডা বাহিনী দেশী—বিদেশী অস্ত্র লম্বা দা কিরিচ লাঠি দিয়ে আমার পরিবারের সবাইকে রক্তাক্ত ও আহত করে। এরপর তারা উল্টা আমাদের কাছে অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবা আছে বলে প্রশাসনকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করে। অথচ প্রশাসন আমাদের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করতে পারেনি। তাঁরা আসলে ভুমিদস্যু ও তদবিরবাজ। এরপরও ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় আমাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মিথ্যা মামলা দেয়। একই কায়দায় ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর আমাদের পিতার সম্পুর্ণ সম্পত্তি হুমায়ুন বাহিনী জবরদখল করতে গেলে আমিসহ আমার পরিবার সরেজমিনে বাধা দেয়ায় তারা আমার বড় বোন নিশাত পারভীন স্বপ্না (লিপি) ও ছোট বোন সাইমুন নেওয়াজ খুকীকে বেদম মারধর করে ফেলে রাখলে তৎকালীন ওসির নির্দেশে এসআই সুজিত ও এসআই জামান ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে। পরবর্তীতে জখমী সার্টিফিকেটসহ থানায় মামলা করতে গেলে হুমায়ুন বাহিনী তার সহযোগী জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী নেতাদের হস্তক্ষেপে মামলা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে কোর্টে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেয়। আর বলে নেতাদের প্রচন্ড চাপে আমরা মামলা নিতে পারছিনা। একইভাবে গত ১৯ নভেম্বরের ঘটনাও একই সুত্রে গাঁথা। ঘটনাটি হচ্ছে আমার পিতার মালিকানা গোলপেরার দুই কানি ও বড় পেরার ১৪ কানি জমিতে তারা দেশী—বিদেশী অস্ত্র লম্বা দা কিরিচ লাঠি নিয়ে খুঁটি দিতে গেলে কিছু লোক মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমাকে অবহিত করে। খবর পেয়ে আমার বড় ভাই নাজমুল হাসান মিল্কী বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করে ফেলে দিয়ে হুমায়ুন বাহিনী কয়েকটি মোটনসাইকেল নিয়ে বীরদর্পে ফাঁকা গুলি বর্ষন করতে করতে চলে আসে। এদিকে আহত আমার বড় ভাই নাজমুল হাসান মিল্কী নয়াপাড়া বাজারে আসলে হুমায়ুন বাহিনী আরেক দফা মারধর করে ছেড়ে দেয়। এরপর প্রকাশ্যে সবার সামনে বলে আমি যুবলীগের সভাপতি। আমার সাথে সকল প্রকার সিনিয়র নেতা, ক্যাডার বাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে। নাজমুল হাসান মিল্কী ও আলমগীর ফায়সাল লিটনের মত দশজনকে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে মেরে ফেললেও আমাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা। আমি আধা ঘন্টার মধ্যে তাদের সব জমি নিয়ে ফেলব ও বাড়ির ভেতরে গিয়ে গুলি করে এলাকার সবাইকে আমার ক্ষমতা ও দাপট দেখাব। এই ঘোষণার অল্পক্ষণ পরে তার দলের বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্র লম্বা দা কিরিচ লাঠি নিয়ে নাজমুল হাসান মিল্কীর বাড়িতে হামলা করতে গেলে আমাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এরপর তারা পাশ^বর্তী মুরগীর ফার্মের রিদুয়ান নামে এক কর্মচারীকে কুপিয়ে জখম করে ৪০—৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে অর্ধশতাধিক ফাঁকা গুলি বর্ষন করে এলাকায় আতংক আর ত্রাস সৃস্টি করে বীরদর্পে চলে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে বলে কেউ যদি আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয় ইয়াবা দিয়ে মামলা দেয়া হবে। তুমরা কেউ কিছু দেখ নাই ও শোন নাই এভাবে থাকবে। শুধু আমরা যা বলি বা শিখিয়ে দিই তাই বলবে। অথচ ফিল্মী স্টাইলে আতংক আর ত্রাস সৃস্টি করার সময় দলের অনেক সভাপতি, সিনিয়র নেতা তাদেরকে সহযোগিতা করেছে এবং তাদের পক্ষে উপস্থিত ছিল।
হুমায়ুন বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে আমি কয়েকটি মামলায় আসামী হয়ে আত্নরক্ষা ও হুমায়ুন বাহিনীর দুশমনি থেকে বাঁচার জন্য আত্নসমর্পন করেছিলাম। ইয়াবার গডফাদার আমি নই বরং হুমায়ুন ও তার বাহিনী। সে মায়ানমার থেকে ইয়াবা আমদানী করে তার বিভিন্ন বাগানে মাটিতে পুতিয়ে রাখে। সুযোগ বুঝে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এগুলো বিক্রি করে। ২০১৯ সালে তার বসতবাড়ি থেকে প্রশাসন দুই বস্তা ইয়াবা উদ্ধার করেছিল। তদবিরের জোরে ও সত্য সাক্ষ্যদাতার অভাবে মামলা থেকে রেহাই পায়।

প্রতিবাদকারী,
মোঃ আলমগীর ফায়সাল লিটন, পিতা—মৃত মোঃ আবদুল্লাহ, মাতা— শামীম আরা বেগম, গ্রাম— দক্ষিণ নয়াপাড়া, সাবরাং, টেকনাফ।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT