টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার ১১ বছরেও পূর্ণ হয়নি প্রশাসনের অধিকাংশ শূন্য পদ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩
  • ১১০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পেকুয়া উপজেলাবাসির জন্য ঐতিহাসিক একটি দিন। ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মানচিত্রে নতুন একটি উপজেলার সংযোগ হয়। আর সেটির নাম দেয়া হয় ‘পেকুয়া’। সংসদীয় আসনের ক্ষেত্রে ২৯৪, কক্সবাজার-১ আসনের চকরিয়া উপজেলার সাথে এ উপজেলাটি যোগ হয়ে ‘চকরিয়া-পেকুয়া’ হিসেবে অবহিত হয়। এইদিনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকুলীয় কলেজ মাঠে আয়োজিত পেকুয়া উপজেলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছিলেন।
সূত্র জানায়, ২০০২ সালের ২৭ মার্চ সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির বর্তমান জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদের প্রচেষ্টায় সরকারের পুণর্বিন্যাস সংক্রান্ত নিকার সভায় পেকুয়া উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্তটি চুড়ান্ত অনুমোদিত হয়। স্মারক নং উজে-২/১ সি ৩/২০০১/১৬৭-২০০২। ২০০২ সালের ২৩ এপ্রিল পেকুয়া উপজেলার ঘোষণা মুদ্রিত হয় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে। আর ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সালাহউদ্দিন আহমদকে সাথে নিয়ে ২০০২ সালে ২৭ এপ্রিল এ উপজেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে কক্সবাজার জেলাটি প্রথম শ্রেণীর জেলার মর্যাদা লাভ করে। উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ ভবন, থানা ভবন, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন, ডাক বাংলো, স্কুল, কলেজ, ডাক ভবন, টিএন্ডটি লাইন স্থাপন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, ২ শতাধিক ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ, নতুন নতুন সড়ক নির্মাণ সহ বহু উন্নয়ন করা হয়।
এদিকে দীর্ঘ পথ চলার পরও একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলার কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি পেকুয়ায়। এখনো উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দাপ্তরিক পদশুন্যতার গ্লানি মুছতে পারেনি। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, উপজেলার ১৫৬টি পদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ পদই শুন্য রয়েছে। বর্তমানে প্রথম শ্রেণীর ১৫টি পদের মধ্যে ১১ টি পদ শুন্য রয়েছে। সূত্র জানায়, উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমাজসেবা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য, পশু সম্পদ কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, পল্লী উন্নয়ন, বিসিক কর্মকর্তা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সহ জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা না থাকায় জনদূর্ভোগ লেগেই আছে। অভিযোগ রয়েছে, ইউএনও নিজেই দায়িত্ব পালন করার জন্য এ্যাসিল্যান্ড পদে কাউকে নিয়োগ না দিতে জোরালো তদবীর হয় বলেই এ পদে উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। এছাড়াও একটি সোনালী ব্যাংক না থাকায় সরকারী কর্মকান্ড চরমভাবে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT