হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদ

নয়াবাজারে র‌্যাবের পোশাকে গণডাকাতি, বিজিবি-পুলিশের পৃথক অভিযানে দেশীয় তৈরী ২ টি এলজি উদ্ধার

শাহীনশাহ, টেকনাফ =টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবজার পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় ৩ বাড়িতে গণ ডাকাতি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সশস্ত্র ডাকাতদের ধাওয়ায় নারীসহ ৩ জন আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছে প্রবাসি আব্দুল গফুরের স্ত্রী সাবেকুন নাহার (২৬) মোঃ ইসহাকের স্ত্রী গুল বাহার (৬৫) এবং স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজির আহমদ (৫৫)। হোয়াইক্যং পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অপরদিকে ৪ ঘন্টার ব্যবধানে বিজিবি – পুলিশ ওই এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ২ টি দেশীয় তৈরী এলজি উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, ১৪ মে মধ্যরাত ১ টার দিকে র‌্যাবের পোশাক পরিধান করে মৃত হাজ্বী শহর আলীর ছেলে হামিদ হোসেন, শাহ আলম, এবং আলী মিয়ার বাড়িতে গণডাকাতি করে। বিশেষ করে লুটপাটের শিকার হয় হামিদ হোসেনের বাড়ি। ওই বাড়ি থেক প্রবাসী আব্দুল গফুরের স্ত্রী সাবেকুন নাহারের ৪টি আংটি, ৬টি চেইন, ৩ জোড়া কানের দুল, ১টি হাড়সহ স্বর্ণ ৭ ভড়ি, প্রায় ৫০ হাজার টাকা, দলিল দস্তাবেজ লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে জানান সাবেকুন নাহার। তিনি আরো জানান, র‌্যাবের মত পোশাক পরিধান করে দরজা ভেঙ্গে বাড়িতে ঢুকে আসবাব পত্র ভাংচুর করে জিনিস পত্র নিয়ে চলে যায়। গ্রাম পুলিশ নজির আহমদ বলেন, তাদের অস্ত্রের কয়েকটি ফায়ার ও বাঁশির হুইশেল শুনে বাড়ি থেকে বাহির হয়ে তাদের দিকে লাইট ছুড়লে, তারা আমাকে ধাওয়া করে এতে আমি আহত হয়। পাশাপাশি ১৫/ ২০ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল ৩ বাড়িতে ডাকাতি করে লুটপাট করে নিয়ে যায়। অপরদিকে রাত সাড়ে ১২ টায় হ্নীলা বিওপিতে কর্মরত নাঃ সুবেদার মোঃ চান শরীফ এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকার পাহাড়ের উপর তল্লাশী করে পরিত্যক্ত অবস্থায় দেশীয় তৈরী ১ টি এলজি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। হ্নীলা বিওপির সুবেদার চান শরীফ জানান- কোন বাড়িতে আমাদের অভিযান ছিলনা, পাহাড়ী এলাকায় তল্লাশীকালে আশেপাশে কোন ব্যক্তি না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ৪ ঘন্টার ব্যবধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং ফাঁড়ী পুলিশের এস আই সরোজ রতন আচার্য্য ও এএসআই মোস্তাক আহমদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে জনৈক আলী হোসেনের সামনের ওই পাহাড় থেকে একটি দেশীয় এলজি উদ্ধার করা হয়। এসআই সরোজ রতন সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইতপূর্বে আরো একটি এলজি উদ্ধার করা হয়েছিল। এলাকাটি ক্রাইম এলাকা হিসেবে ধরা যায়। ডাকাতির বিষয়ে তিনি বলেন, উভয় পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে পরিবার সমূহ ডাকাতির শিকার হয়েছে। তবে যারা অপরাধি তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার জন সাধাণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, পাশাপাশি এলাকায় পুলিশের পাহাড়া জোর করার দাবী জানিয়েছেন তারা।

১ Comment

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.