টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

না চলার মতো চলছে প্রায় ৫০০ ইউপি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ ডেস্ক **

চৌদ্দ বছর আগে শেষবারের মতো নির্বাচন হয়েছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মিরপুর ও বিশ্বনাথের দশঘর ইউনিয়নে। মিরপুরের নির্বাচিত চেয়ারম্যান বর্তমানে জগন্নাথপুর উপজেলার চেয়ারম্যান। তার অবর্তমানে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও বয়সজনিত কারণে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। ভারপ্রাপ্তের ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন নতুন একজন। ওদিকে, দশঘরের চেয়ারম্যান এখন যুক্তরাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। এ দুই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বা মেম্বারদের অনেকেও চলে গেছেন এলাকা ছেড়ে; কেউ মারা গেছেন। সবচেয়ে বড় সমস্যা অনেক ইউনিয়ন পরিষদের স্থগিত নির্বাচন হচ্ছে না আইনি জটিলতার কারণে। এর ফলে প্রায় ৫শ’ ইউনিয়ন চলছে না চলার মতো। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সার্টিফিকেটের মতো সাধারণ সেবা পেতেও এসব স্থানের মানুষ তাই হিমশিম খাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, সীমানা নির্ধারণসহ আইনি জটিলতা নিরসন বিষয়ে কমিশনের বিশেষ কিছু করণীয় নেই। আইন অনুযায়ী, এসব কাজের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের। আর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, দেশে কতগুলো ইউপির নির্বাচন আটকে আছে, সে হিসাবও তাদের কাছে নেই! সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এহেন উদসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
একটি ইউপিতে ১৫ থেকে ২০ হাজার ভোটার রয়েছেন। স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের কাজ আটকে আছে বছরের পর বছর। ভোটাররা এক সময় পাঁচ বছরের জন্য ভোট দিয়ে যাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিলেন, তারাই নানাভাবে নির্বাচন আটকে রেখেছেন। এ কাজে আদালতের বারান্দা আর নির্বাচন কমিশন চত্বরে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ- উন্নয়ন বরাদ্দের একটা বড় অংশও নির্বাচন ঠেকানোর কাজে খরচ করা হচ্ছে।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ জনগণ রাষ্ট্রের কাছ থেকে বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা সরাসরি ইউপির জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পেয়ে থাকেন। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ অনুযায়ী, কোনো ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূরণের আগের ১৮০ দিনের মধ্যে যে কোনো সময়ে পরবর্তী নতুন পরিষদ গঠনের জন্য নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। তবে কোনো কারণে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পরিষদ গঠিত না হওয়ার আগ পর্যন্ত আগের পরিষদ দায়িত্ব পালন করবে। এ আইন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট কারণে পুরো পরিষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগ এবং পরিষদের বাকি মেয়াদের জন্য পুনর্নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।
নির্বাচন যেভাবে যেসব স্থানে আটকে আছে :নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, সারাদেশের সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নের মধ্যে ছয় ধাপে চার হাজার ২৭৬টি ইউপির ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। সে অনুযায়ী চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তফসিল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু প্রতি ধাপেই বেশ কিছু ইউপির তফসিল আইনি জটিলতার কারণে কমিশন স্থগিত করতে বাধ্য হয়। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত চার হাজারের মতো ভোট গ্রহণ করতে পারলেও ভোট কারচুপি ও নির্বাচনী বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সাড়ে তিনশ’ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রাখা হয়। ফলে শতাধিক ইউপির নতুন পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া আটকে যায়।
এ ছাড়া চলতি বছরে রাজশাহীর বাগমারার ১৬টি, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ১৪টি, ফেনীর পরশুরামের তিনটি ও ফুলগাজীর ছয়টি ইউনিয়নের তফসিল ঘোষণা হলেও মনোনয়নপত্র বিতরণ ও সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। বরিশাল, পিরোজপুরসহ বহু স্থানে একই পরিস্থিতি বিদ্যমান। নির্বাচন কমিশন উদ্যোগ নিলে দ্রুত এসব ইউপিতে ভোটের মাধ্যমে নতুন পরিষদ গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে কমিশন এসব নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় আটকে থাকা ইউনিয়ন পরিষদে ভোট কবে হবে, তা কেউ বলতে পারছেন না।
জনপ্রতিনিধিদের হদিস মিলছে না :এসব ইউপিতে সমকালের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, শরীয়তপুরের গোসাইরহাটের কুচাইপট্টি, ভোলার লালমোহনের পশ্চিম চরওমেদ, তজুমুদ্দিনের বড় মলংচড়া ও সোনাপুর, ময়মনসিংহের নান্দাইলের বেতাগৈর, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মিরপুর ও মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরাই নতুন নির্বাচন আটকে রাখার তৎপরতায় লিপ্ত। এলাকার ভোটাররাও একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন। এর ফলে এক যুগের বেশি সময় আগে নির্বাচনের মাধ্যমে নিযুক্ত পুরনো জনপ্রতিনিধিরাই ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালাচ্ছেন। অনেক সময় সাবেক এসব জনপ্রতিনিধিকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যেমন, বড় মলংচড়ার ইউপি সদস্যদের অনেককে এলাকার মানুষ খুঁজেই পান না। চেয়ারম্যান মো. নুরুন্নবী সিকদার অবশ্য দাবি করেছেন, পরিষদের কার্যক্রম খুব ভালোভাবেই চলছে। কিছুদিন আগে সেখানে একজন ইউপি সদস্য মারা গেছেন। আরও দু’জন অনেক দিন ধরে এলাকায় অনুপস্থিত। যদিও তারা লিখিতভাবে পরিষদকে কিছুই না জানানোয় তাদের পদ শূন্য হয়নি।
ভোলার তজুমুদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অহিদ উল্লাহ জসিম জানান, সোনাপুরে সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয় ১৯৯৭ সালে। এ সময় দুটি ভোটকেন্দ্রের ভোট গ্রহণ অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত হয়ে যাওয়ায় নতুন পরিষদ গঠন প্রক্রিয়া আটকে যায়। নানা জটিলতা কাটিয়ে ওই দুই কেন্দ্রে ভোট হয় ২০০২ সালে। নির্বাচিত নতুন পরিষদ দায়িত্ব নেয় ২০০৩ সালে। বর্তমানে সীমানা জটিলতার কারণে ওই ইউপির ভোট গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, পরিষদের সংরক্ষিত দুই সদস্য এরই মধ্যে মারা গেছেন। কেউ কেউ এখন আর এ এলাকায় থাকছেনই না। সোনাপুরের চেয়ারম্যান সৌদি আরবে হজ পালনের জন্য গেছেন। সুনামগঞ্জ :১৪ বছর আগে নির্বাচন হয়েছিল জগন্নাথপুরের মিরপুর ও বিশ্বনাথের দশঘর ইউনিয়নে। মিরপুরের চেয়ারম্যান এখন জগন্নাথপুর উপজেলার চেয়ারম্যান। আর দশঘরের চেয়ারম্যান রয়েছেন যুক্তরাজ্যে। এ দুই ইউনিয়নেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন দুই ইউপি সদস্য। ৩১০ জন ভোটারকে এক ইউনিয়ন থেকে আরেক ইউনিয়নের ভোটার তালিকায় স্থানান্তর নিয়ে এখানে জটিলতার শুরু হয়।
মিরপুরের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন ইউপি সদস্য নসির মিয়া। এক পর্যায়ে তিনি বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানালে ২০১০ সালে নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন আরেক ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন। এই দীর্ঘ সময়ে ইউপি সদস্যদের অনেকে নিষ্ক্রিয় এবং কেউ কেউ প্রবাসেও চলে গেছেন। একইভাবে বিশ্বনাথের দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিক উদ্দিন আহমেদ ২০১২ সালে যুক্তরাজ্যে চলে যান। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন ইউপি সদস্য ছাতির আলী। পরের বছরই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শায়েস্তা মিয়া যুক্তরাজ্যে চলে যান। বর্তমানে এখানে কোনো প্রতিনিধি নেই।

শরীয়তপুর :এ জেলার গোসাইরহাটের কুচাইপট্টি ইউপির বাসিন্দা আবুল বাসার গাজীসহ একাধিক ব্যক্তির অভিযোগকে উদৃব্দত করে সমকাল প্রতিনিধি জানান, ইউনিয়নের ২৫ হাজার মানুষের সবাই নতুন নির্বাচন চাইলেও চেয়ারম্যানসহ ১৩ মেম্বার তা চান না। তাদের অভিযোগ, এখানকার চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা মিলে পাশের ইউনিয়নের সঙ্গে সীমানা জটিলতা দেখিয়ে মামলা করেছেন। অথচ পাশের ইউনিয়নে নিয়মিতই নির্বাচন হচ্ছে। কুচাইপট্টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলামের অভিযোগ, চেয়ারম্যান আবুল বাশার মুন্সী ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন বন্ধ রেখেছেন। ইউনিয়নের উন্নয়নের টাকায় মামলা চালানো হচ্ছে। পরিষদের চেয়ারম্যান হজ পালনে সৌদি আরবে রয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিরুল হক মাঝি বলেন, ‘আদালতে মামলার কারণে নির্বাচন হচ্ছে না। এ নিয়ে আর কিছু বলা ঠিক হবে না।’মেহেরপুর :জেলার সদর উপজেলার আমদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনারুল ইসলাম ও মেম্বার দরুদ আলী নিজেরাই বাদী হয়ে উচ্চ আদালতে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন করেন বলে জানিয়েছেন মেহেরপুরের সমকাল প্রতিনিধি। তাদের মতে, ইউনিয়নের কিছু অংশকে মেহেরপুর পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে স্থানীয় অধিবাসীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে। ২০১১ সালে নতুন পরিষদ গঠন করা হলেও ২০১৫ সালে তারা আদালতে যান। ফলে চলতি বছরের নতুন নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে যায়। এ সম্পর্কে চেয়ারম্যান আনারুল ইসলাম বলেন, ‘এমনিতেই আমদহ ইউনিয়নের সীমানা ছোট। তার ওপরে মেহেরপুর পৌরসভা এর বেশ কিছু অংশ দখলে নিয়ে ভোটার তালিকাসহ ইউনিয়নের নাগরিকদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করছে। ইউনিয়নবাসীর স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালতে রিট করেছি।’
ময়মনসিংহ :এ জেলার নান্দাইলের বেতাগৈর ইউপির নির্বাচনও আটকে আছে সীমানা জটিলতায়। সমকালের স্থানীয় প্রতিনিধি জানান, এই ইউপিতে ২০১১ সালে নতুন পরিষদ গঠিত হলেও ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়ে আবুল কালাম (বাবুল) ২০১৫ সালে আদালতে যান। বিষয়টি নিষ্পত্তির আগেই সংরক্ষিত ইউপি সদস্য ফজিলা খাতুনের স্বামী ইদ্রিস কামাল বেতাগৈর ইউনিয়নকে পৃথক দুই ইউনিয়নে বিভক্তির জন্য আরেকটি রিট করেন।
পিরোজপুর :পিরোজপুরের কাউখালি সংবাদদাতা জানান, পিরোজপুরের কাউখালি উপজেলার শিয়ালকাঠি, চিরাপাড়া, পার সাতুরিয়া, সায়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ৫টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত রয়েছে। স্থগিত কেন্দ্রের নির্বাচন না হওয়ায় সচিবরাই সর্বেসর্বা। সিদ্ধান্ত দেওয়ার কেউ না থাকায় সনদপ্রার্থীদের অশেষ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শিয়ালকাঠি ইউপির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হলেও সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার সিকদার অফিস চালাচ্ছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাবনী চাকমা সমকালকে বলেন, স্থগিত কেন্দ্রে দ্রুত ভোট গ্রহণের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লেখা হয়েছে। তিনি জানান, সাবেক চেয়ারম্যানরা ইউপির দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। শিয়ালকাঠির দেলোয়ার সিকদারকে নিষেধ করা হয়েছে।
কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজনের ভাষ্য :এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ সমকালকে বলেন, ‘কমিশনের সিদ্ধান্তে যেসব ইউপির নির্বাচন আটকে আছে, তা দ্রুতই নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই কমিশনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। তবে বাকি ইউপির বিষয়ে ইসির কিছু করার নেই। এটি এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের বিষয়। সীমানা নির্ধারণের জটিলতা নিরসনের দায়িত্বও তাদের। আইনি জটিলতা কাটিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে সুপারিশ করা হলেই ইসি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত।’
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (ইউপি) মো. এনামুল কাদের খান বলেন, ‘সারাদেশে কত ইউপিতে নির্বাচন আটকে আছে, সে হিসাব নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকতে পারে। আমার কাছে নেই।’ এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে অচল হয়ে পড়া শত শত ইউপিকে সচল ও তৃণমূল পর্যায়ে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।’0

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT