টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

দেশে উত্পাদিত বিড়ম্বনার নাম দোয়েল ল্যাপটপ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১২
  • ২৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বর্তমান মহাজোট সরকার ‘ডিজিটাল’ শব্দের প্রলোভন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল ২০০৮ সালে। বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজড করার ছিল মহাপরিকল্পনা। এই ডিজিটালাইজড পরিকল্পনায় দেশের তথ্য-প্রযুক্তির সহজলভ্যতা ও এ খাতটিকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করার কথা ছিল। আর তাই পরের বছর ২০০৯ সালের জুনে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে প্রযুক্তি পৌঁছে দেয়ার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ল্যাপটপ উত্পাদনের ঘোষণা দেয়। যথারীতি টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) ল্যাপটপ উত্পাদন করার জন্য একটি দেশি ও একটি বিদেশি কোম্পানি নিয়ে তাদের উত্পাদন কার্যক্রম শুরু করে। ১০ হাজার টাকা মূল্যে দেশে উত্পাদিত ল্যাপটপ দেশের মানুষকে দেয়ার কথা থাকলেও তার প্রত্যেকটি অংশ তৈরি করা হয় চীন থেকে। চীনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ার ট্রনিক কর্পোরেশনের মাধ্যমে সব যন্ত্রাংশ আমদানি করা হয়। টেশিসের গাজীপুর কারখানায় তা শুধু সংযোজন করা হয়। যদিও দোয়েলের উদ্বোধনের দিন টেশিসের তখনকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইসমাইল বলেছিলেন, এর ৬০ শতাংশ যন্ত্রপাতিই দেশে উত্পাদন করা হবে; বাকি ৪০ শতাংশ চীন, কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আমদানি করা হবে। কিন্তু তার কিছুই করা হয়নি। টাকার অভাবে দোয়েল নির্মাণ বন্ধের ঘোষণা দেয়া হলেও সমপ্রতি দোয়েল তৈরি নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আর ওপর দিকে শুধু নামমাত্র ডিজিটাল স্বপ্ন দেখেই দায়িত্ব শেষ করেছেন সরকারের শীর্ষ মহল। তাই দোয়েল এখন একটি ডিজিটাল দুঃস্বপ্নের নাম। ডিজিটাল পাখায় বাঁধা এ পাখি নিজেও জানে না সে কখনও উড়তে পারবে কি-না!

৪ মডেলের দোয়েল
২০১১ সালের ১১ অক্টোবর জাতীয় পাখি দোয়েলের নামানুসারে ‘দোয়েল ল্যাপটপ’-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে ৪টি মডেলে তৈরি করা হয় দোয়েল ল্যাপটপ। এক. বিজয় দিবস স্মরণে অ্যাডভান্স মডেল-১৬১২, দুই. ভাষা আন্দোলন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মরণে দোয়েল প্রাইমারি মডেল-২১০২, তিন. স্বাধীনতা দিবস স্মরণে দোয়েল স্ট্যান্ডার্ড মডেল-২৬০৩ এবং চার. বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্মরণে দোয়েল বেসিক মডেল-০৭০৩ ল্যাপটপ তৈরি করা হয়। বৈশিষ্ট্য ভেদে এগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়। যেমন—দোয়েল প্রাইমারি নেটবুকের দাম ১০ হাজার টাকা, বেসিক নেটবুকের দাম ১৩ হাজার ৫০০ টাকা, স্ট্যান্ডার্ড নেটবুকের দাম ১৬ থেকে ২২ হাজার এবং অ্যাডভান্স নেটবুকের দাম ২২ থেকে ২৮ হাজার টাকা।

বিড়ম্বনার নাম দোয়েল ল্যাপটপ
মহাজোট সরকারের ইশতেহারে বাংলাদেশকে ডিজিটাল করার প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেশে দোয়েল ব্যান্ডের ল্যাপটপ তৈরির ঘোষণা দেয়া হয়। সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করার জন্য গত ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর দোয়েলের উদ্বোধন করা হয়। এরপর তার চারদিন পর ১৫ অক্টোবর বাজারে আসে বহুল কাঙ্ক্ষিত দোয়েল ল্যাপটপ। দাম কম বলে আশা করা হচ্ছিল খুব শিগগিরই সারাদেশে এই ডিজিটাল ল্যাপটপটি সয়লাব হয়ে যাবে। কিন্তু না, বাংলার মানুষের সবার হাতে একটা করে ল্যাপটপ পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার নিয়ে আসা দোয়েল এরই মধ্যে মুখথুবড়ে পড়েছে। বরং এরই মধ্যে যারা দোয়েল কিনেছেন তারা চরম বিরক্ত প্রকাশ করেছেন। কারণ এই ল্যাপটপ কেনার কিছুদিনের মধ্যেই বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ—দেশীয় পণ্য বলে তারা এই ল্যাপটপ কিনেছেন। কিন্তু আর কিছু টাকা বেশি দিয়ে যদি অন্য ব্র্যান্ড নিতেন তাহলে এত সমস্যায় পড়তে হতো না। ক্রেতাদের অভিযোগের মধ্যে ল্যাপটপের গতি নিয়ে সমস্যা বেশি। তাছাড়া এর পাওয়ার ব্যাকআপ নিয়েও রয়েছে অনেক সমস্যা। মানুষ এই ল্যাপটপ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখলেও পরে শুধুই বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন।

আর্থিক সমস্যা প্রধান কারণ!
হয়তো অনেকেই কথাটি শুনে অবাক হতে পারেন। দেশে কোনো কিছুর নাম পরিবর্তন করার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার জোগান দিতে পারলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছে! আর তাই দেশীয় এই ডিজিটাল ল্যাপটপ দোয়েল উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই উত্পাদন বন্ধের ঘোষণা দিতে বাধ্য হয় সরকার। কারিগরি ও আর্থিক সমস্যাই এর কারণ বলে তখন জানানো হয়। ল্যাপটপ তৈরিতে প্রাথমিকভাবে ১৪৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। প্রকল্পের টাকা বাংলাদেশ সরকার ও মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠান থিম ফিল্ম ট্রান্সমিশনের (টিএফটি) তরফ থেকে আসার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত শুধু বাংলাদেশ সরকার টাকা দিয়েছে। ফলে ল্যাপটপ তৈরির কাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। টেশিস সূত্রে জানা গেছে, আপাতত রিভলভিং ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। অথচ ল্যাপটপ তৈরির নামে দুর্নীতির অভিযোগে বলা হচ্ছে, ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ কেনার জন্য দেড় লাখ ডলারের পণ্যের মূল্য ১০ লাখ ৬ হাজার ৫৪০ ডলার দেখিয়ে দুর্নীতি করা হয়েছে। আবার এই দুর্নীতি যারা করেছেন তারাই বলছেন আর্থিক সমস্যার কারণে দেশের এই সম্ভাবনাময় একটি খাত ডুবে যাচ্ছে।

দোয়েলে শুধুই সমস্যা
দোয়েল ল্যাপটপ অনেক সম্ভাবনার কথা বললেও সেখানে শুধুই সমস্যা আর সমস্যা। হাতেগোনা কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছানো হয়েছে এই দোয়েল ল্যাপটপ। যারা ল্যাপটপ পেয়েছেন তারাই অভিযোগ করে বলেছেন, খুবই হালকা প্লাস্টিক ধরনের আবরণ দিয়ে ল্যাপটপ তৈরি করা হয়েছে। ব্যাটারির ক্ষমতা কম। অপারেটিং সিস্টেমে ঠিকমত কাজ করা যায় না। এছাড়া লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে (এলসিডি) মনিটর ঘোলা। টেশিসের হিসেবে দোয়েল প্রাইমারি মডেল-২১০২ মাত্র ৮-১০টি উপহার হিসেবে সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে দেয়া হয়েছে। ৪ হাজার ৭০০ জন দোয়েল বেসিক নেটবুক ব্যবহার করেন। আর দোয়েল স্ট্যান্ডার্ড নেটবুক এবং দোয়েল অ্যাডভান্স নেটবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা হাজার খানেক। এসব সমস্যার সমাধানে এরই মধ্যে যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে টেশিস সূত্রে জানা গেছে। ওই সূত্র আরও জানায়, দেশের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অভ্যস্ত হওয়ায় তারা দোয়েল মডেলগুলোয় ঠিকমত কাজ করতে পারছেন না। প্রাইমারি নেটবুকে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি ৩টি নেটবুক চলে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে। কিন্তু যে সিস্টেমেই চলুক না কেন, সব ল্যাপটপেই রয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।

স্বদেশী পণ্য নাকি প্রতারণা?
দোয়েল বাংলাদেশে চালু হওয়ার পর থেকেই ‘দোয়েল কি স্বদেশী পণ্য নাকি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা?’ এ নিয়ে বিতর্ক ছিল। কারণ সরকার মাত্র ১০ হাজার টাকায় দেশে উত্পাদিত ল্যাপটপের স্বপ্ন দেখালেও এর প্রতিটি অংশ চীনের তৈরি। চীনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ার ট্রনিক কর্পোরেশনের মাধ্যমে সব যন্ত্রাংশ আমদানি করা হয়। টেশিসের গাজীপুর কারখানায় তা শুধু সহযোজন করা হয়। এছাড়া অনেকেই তখন প্রশ্ন করেছিল, দোয়েল ল্যাপটপের র্যাম, মাদার বোর্ড, প্রসেসর, হার্ডডিস্ক, সাউন্ড সিস্টেম, এলসিডি, কিবোর্ড, ওয়েবক্যাম, ইউএসবি, ডিভিডি, ওয়াইফাই ইত্যাদি কি বাংলাদেশের তৈরি? বাংলাদেশে দোয়েল ল্যাপটপের কোন অংশটি তৈরি হয়েছে? যদি কোনো অংশই দেশে তৈরি না হয়ে থাকে তাহলে কীভাবে এটি একটি স্বদেশী পণ্য হবে? যদি তা দেশের বাইরে থেকে এনে এখানে সহযোজন করা হয় তাহলে একটি লোগো লাগিয়ে দিলে স্বদেশী পণ্য হয়ে যাবে? বাংলাদেশের অধিকাংশ ডেস্কটপ বাইরে থেকে যন্ত্রাংশ এনে এখানে সহযোজন করা হয়, কিন্তু কেউ যদি কম্পিউটারের ওপর একটি লোগো লাগিয়ে দিয়ে কি বলতে পারেন এটি স্বদেশী পণ্য?

১০ হাজার টাকার ল্যাপটপ বিক্রি মাত্র ৫০টি!
বিপুল সম্ভাবনাময় তথাকথিত বাংলাদেশে উত্পাদিত দোয়েল ল্যাপটপ বাজারে আসার আগে প্রচুর চাহিদা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। অনেকেই ল্যাপটপ পাওয়ার জন্য এবং ব্যবসা করার জন্য অগ্রিম বিভিন্নভাবে মন্ত্রী পর্যন্ত লবিং করে রেখেছিলেন। কিন্তু দোয়েল কি জানত তার ডানা মেলার সময় হলেও নিজে স্বাধীন মতো উড়তে পারবে না? গেল বছর ২০১১ সালের ১১ অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দোয়েল ল্যাপটপটি উদ্বোধন করেন। এরপর থেকেই তার ভাগ্যের চাকা বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকটা উড়ার আগেই থুবড়ে পড়ল দোয়েল! কারণ গত বছরের অক্টোবরে দোয়েল ল্যাপটপ বাজারজাতকরণ শুরু হলেও পরে ছয় মাসেও ১০ হাজার টাকার ল্যাপটপ উত্পাদন করতেই পারেনি টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস)। অথচ টেশিসের প্রচার হয়েছে ১০ হাজার টাকাতেই পাওয়া যাবে স্বপ্নের দোয়েল ল্যাপটপ। সমপ্রতি সাড়ে ১০ হাজার টাকা মূল্যের দুই হাজার ল্যাপটপ সহযোজন করা হলেও তার ৫০টিও বিক্রি হয়নি। টেশিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রাইমারি মডেলের ল্যাপটপ উত্পাদনে যেতে তাদের কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ক্রেতাদের আগ্রহও অনেক কম বলে তারা জানান। প্রথম দফায় সাড়ে ১৩ হাজার টাকার বেসিক মডেল এবং ২৬ হাজার ৫০০ টাকার অ্যাডভান্স মডেলের ল্যাপটপ সহযোজন করে টেশিস। প্রতিটি গ্রুপে ৫ হাজার করে ল্যাপটপ সহযোজন করা হয়। এর মধ্যে এক বছরে ১৫ হাজার ল্যাপটপ বিক্রি হয়েছে বলে টেশিস থেকে দাবি করা হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, এই ১৫ হাজারের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সেনাবাহিনীই নিয়েছে ৭ হাজার ল্যাপটপ। ফলে বাইরের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি এক বছরে মাত্র ৮ হাজার। জানা গেছে, ১০ হাজার টাকার প্রাইমারি মডেলের ল্যাপটপ সাড়ে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া অ্যাডভান্স মডেলের মূল্য আগে ২৬ হাজার রাখা হলেও এখন তা সাড়ে ২৮ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। তবে টেশিসের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, টাকা না থাকায় এখন দোয়েল ল্যাপটপ উত্পাদন বন্ধ রয়েছে।

দোয়েল উত্পাদনে হরিলুট!
বাংলাদেশে স্বপ্নের ল্যাপটপ দোয়েল উত্পাদনে আর্থিক সঙ্কটের কথা বলা হলেও এখানে রেকর্ড পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ আমদানি করার নামে এখানে হরিলুট হয়েছে। হাজার ডলারের যন্ত্রপাতির মূল্য লাখ ডলার দেখিয়ে আমদানি করা হয়েছে দোয়েল ল্যাপটপের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। সে কারণে দেড় লাখ ডলারের পণ্যের মূল্য দেখানো হয় ১০ লাখ ৬ হাজার ৫৪০ ডলার। ৩শ’ শতাংশ বেশি মূল্য দেখিয়ে আমদানি করা অর্থের ভাগবাটোয়ারা হয়েছে মালয়েশিয়ার পেনাং এবং নিউইয়র্কে। সমপ্রতি বাংলাদেশের কিছু সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে এ নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে এইচএসবিসি ব্যাংক ও নিউইয়র্কের টিডি ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্টে পৌনে ৪ লাখ ডলার লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে, যার পুরোটাই ঘুষ হিসেবে দিয়েছে দোয়েল ল্যাপটপের তখনকার মালয়েশিয়ান অংশীদার টিএফটি টেকনোলজি গ্রুপ। উপরি আয়ের একটি বড় অংশ তখনকার টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুও পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন টিএফটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ওয়াং বলে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে। টেশিসের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন, ল্যাপটপ উত্পাদনে লুটপাট হয়েছে। বিষয়টি অনেক পরে ধরতে পেরেছেন তারা। মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে এইচএসবিসি ব্যাংকে (হিসাব নম্বর ৩৭১২৭১৭৪৩৭১০) মোহাম্মদ ইকবালের নামে দুই লাখ ৯৯ হাজার ডলার জমা করে টিএফটি। গত ২০১১ সালের ১১ জুলাই এ ডলার জমা করা হয়। একইভাবে নিউইয়র্কের টিডি ব্যাংকে সুইফট কোড পদ্ধতিতে (হিসাব নম্বর ০৩১১০১২৬৬) জমা করা হয় আরও ৭৫ হাজার ডলার। এ টাকা জমা হয় চৌধুরী অ্যাসোসিয়েটসের নামে। পৌনে চার লাখ ডলার দেয়ার পর সেটি অবহিত করে একটি চিঠিও মোহাম্মদ ইকবালের ঢাকার অফিসে পাঠান মাইকেল ওয়াং। চিঠিতে মোহাম্মদ ইকবালকে ঢাকার মিলেনিয়াম হোল্ডিং লিমিটেডের এমডি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দিন যতই যাচ্ছে ততই দোয়েল ল্যাপটপ নিয়ে ডিজিটাল দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হয়ে আসছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

৪ responses to “দেশে উত্পাদিত বিড়ম্বনার নাম দোয়েল ল্যাপটপ”

  1. Mohammad rana says:

    Asa kori 2021 year er modde doel laptop bazar a asbe disital hoie…hai rajuddine…soronjit er saite o jotil….

  2. shaker says:

    হাসিনার দেওয়া পুরো ইশ_তিহার ই প্রতারনা হাসিনা হল বিশ্ব প্রতারক

  3. shaker says:

    হাসিনার দেওয়া পুরো ইশতিহার ই প্রতারনা। হাসিনা হল বিশ্ব প্রতারক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT