টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
মেয়াদ শেষ হলেও অব্যবহৃত মোবাইল ডাটা ফেরতের নির্দেশ মন্ত্রীর টেকনাফ পৌরসভার এক গ্রামেই ক্যাম্প পালানো ১৮৩ রোহিঙ্গা স্থানীয়দের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করছে মায়ের গর্ভে ১৩ সপ্তাহ্ বয়সী শিশুর নড়াচড়া হারিয়াখালী থেকে ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে তথ্যকেন্দ্রের সহযোগিতায় মীনা দলের সদস্যদের নিয়ে ই-লার্নিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হ্নীলায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ টেকনাফের দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকা হতে ২ জন গ্রেফতার এসএসসির অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাউশির টেকনাফে’ ষষ্ঠ শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে একজনকে অপহরণ

দূর্ণীতিবাজ অধ্যরে অপসারণ দাবী অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চলছে উখিয়া ডিগ্রী কলেজের কার্যক্রম

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১০৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবদুর রহিম সেলিম, উখিয়া  তারিখ: ০২/১০/২০১৩ ইং। একজন অদ, অযোগ্য, অসৎ, দুঃচরিত্র, দূর্ণীতিবাজ ব্যক্তিকে দিয়ে উখিয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ডিগ্রী কলেজের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ শিা প্রতিষ্ঠানে ফজলুল করিমকে অধ্য হিসাবে পূণঃবহাল করায় কলেজটি ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে উপণীত হয়েছে। কলেজের তহবিল তছরুপ থেকে শুরু করে পড়া লেখার মান উন্নয়নে বাধা এবং পরীার ফল বিপর্যয়ে শীর্ষ স্থানে থাকা এ প্রতিষ্ঠানটির ভগ্নদশা কাটছেনা। স্থানীয় মতাসীন দলের গুটিকয়েক কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য নামধারী ব্যক্তিদের কারণে প্রতিষ্ঠানটির এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। একাধিক ভূক্তভোগী জানান, বিগত ১/১১ এর সময় শিা প্রতিষ্ঠানটির দূর্ণীতির লাগাম টেনে ধরতে বিতর্কিত ও সমালোচিত, অযোগ্য, অদ, দূর্ণীতিবাজ অধ্য ফজলুল করিমকে অপসারণ করে কলেজ থেকে বিতাড়িত করা হয়। সাড়ে ৪ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির বাইরে থেকে পূণরায় ওই অদ ও অযোগ্য অধ্য মতাসীন দলের কতিপয় শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মোটা অংকের টাকায় হাতে নিয়ে অধ্য পদে আবারো আসীন হয়। বেশীর ভাগ সময় কলেজে অনুপস্থিত থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার শহরে ব্যক্তিগত কাজকর্ম সেরে প্রতিষ্ঠানের কাজের নাম দিয়ে ভূয়া বিল ভাউচার বানিয়ে কলেজ ফান্ড থেকে ঐ পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করে। শুধু তাই নয় স্থানীয় কলেজের জমি দাতা  বয়োবৃদ্ধ মেম্বার বিধু ভূষন বড়–য়া ভোগদখলীয় জায়গা কলেজের নাম দিয়ে জোর পূর্বক দখল করার পায়তারা চালাচ্ছে। কলেজে উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে তার নিজস্ব কর্মচারীর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে ভর্তি, ফরম ফিলাপ সহ বিভিন্ন অন্যান্য আনুসাঙ্গিক বিষয়ে টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করে চলেছে। বলতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে কোন ব্যবস্থাপনা নেই। চরম অনিয়ম, দূর্ণীতি ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় কার্যক্রম চলছে। এছাড়াও কলেজটির অভ্যান্তরে শিক কর্মচারীদের মধ্যে দলাদলি, কোন্দল, গ্র“পিং এর মত জঘন্য বিশৃংখলার কারণে শিা প্রতিষ্ঠানটি বিগত পরীায় ফল বিপর্যয়ে শীর্ষে অবস্থান করেছে। কোন চেইন অব কমান্ড ছাড়া কলেজটির কার্যক্রম চলে আসলেও ২/৩ জন শিক ছাড়া অবশিষ্ট শিকরা বেশির ভাগই অযোগ্য এবং অদ। ফলে কলেজটি পড়া লেখার মান দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। স্থানীয় এক ছাত্রের অভিভাবক বলেন, কলেজটিতে সম্প্রতি অনার্স চালু হচ্ছে। তবে এ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অদ, অযোগ্য শিকদের দিয়ে কিভাবে অনার্সের মত উচ্চ শিার বিষয়ে পাঠদান করবে এ প্রশ্ন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে। শিক কর্মচারীরা সরকারী ও বেসরকারী অন্যান্য সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে মূলত কলেজটিতে অনার্স কোর্স চালু করার পায়তারা চালাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় সাংসদ আবদুর রহমান বদির মত একজন সৎ লোক কিভাবে উখিয়া ডিগ্রী কলেজের মত একটি প্রতিষ্ঠানে একজন দূর্ণীতিবাজকে অধ্যকে পদে এনে বসিয়েছেন তা কে জানে। কথিত দূর্ণীতিবাজ অধ্য ফজলুল করিমের নিকট থেকে কমপে ৫ ল টাকা নিয়ে ঐ টাকা জায়েজ করতে তাকে ঐ পদে বহাল করা হয়েছে। এছাড়াও শিক- কর্মচারী নিয়োগের েেত্র কলেজটিতে চলছে স্বজনপ্রীতি ও আত্মীয়করণ। দূর্ণীতিবাজ অধ্যরে আত্মীয় হলে উখিয়া কলেজে চাকুরী পেতে বেগ পেতে হয় না। কথিত কলেজ পরিচালনা কমিটির গভর্ণিং বডি নামধারী কতিপয় দূর্ণীতিবাজ লোকজনের আশ্রয়ে অধ্য কলেজটির পড়া লেখার বারোটা বাজাচ্ছে। সেই সাথে লোপাট করে নিয়ে যাচ্ছে কলেজের অর্থ। প্রতিষ্ঠানটির এসব দৈন্য দশা দূর না হলে পড়ালেখার মান ভবিষ্যতে আরো সূচনীয় অবস্থায় পৌছবে বলে ধারণা করছেন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা। অনেকেই জানান, কলেজটিতে অনার্স কোর্স চালুর পরিবর্তে যেইটুকু আছে সেটুকু নিয়ে সন্তুষ্ট থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের কাসে ভাল পাঠ দানে উৎসাহিত করলে তা মঙ্গল হবে। দূর্ণীতিবাজ অধ্যরে কলেজের তহবিল তছরুপ থেকে শুরু করে তার অবৈধ সম্পদের আয়ের উৎস অনুসন্ধানের সরকারী কোন উদ্যোগ না থাকায় দিন দিন দূর্ণীতির ঢালপালা মেলছে। কলেজের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, ভাই অধ্যরে হুমকির মূখে ও লাগামহীন কর্মকান্ডে আমরা অসহায়। কথায় কথায় ছোট কর্মচারীদের হুমকি ধমকির পাশাপাশি চাকুরী খাবারও দম্ভোক্তি করেন। স্থানীয়রা অবিলম্বে দূর্ণীতিবাজ অধ্যকে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অপসারণ করে একজন সৎ, যোগ্য ও আদর্শবান শিককে অধ্যরে পদে নিয়োগ দিয়ে কলেজটিকে দূর্ণীতিমুক্ত করার দাবী জানান। এ ব্যাপারে উখিয়া ডিগ্রী কলেজের দূর্ণীতিবাজ অধ্য ফজলুল করিমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে মতাসীন দলের নেতাদের তোষামোদ করে এ পদে ফিরেছি। বিপুল পরিমাণ অর্থও দিতে হয়েছে তাদেরকে। এই টাকা তুলতে দূর্ণীতির আশ্রয় গ্রহণ করছি।

আবদুর রহিম সেলিম উখিয়া, কক্সবাজার। ০১৭৩৪৪৩৭৬৭২ ধৎংবষরসঁশ@মসধরষ.পড়স

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT