টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশীদের আহবান/ যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে প্রহসনের নাটক বন্ধ করুন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
  • ১০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে ইসলামী নেতাদের বিচার বন্ধ করুন। ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীদের উপর নির্যাতনের প্রহসন দেখতে দেখতে এসরকারের উপর থেকে জনগণের আস্থা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। একথা সবাই জানেন- আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে নাটক সাজিয়েছেন। আমাদের ধারণা সত্যিকারের কোন বিচারের টার্গেট আওয়ামীলীগের আদৌ নেই। সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বপ্নাধীকারের দেশপ্রেম ও সীমান্ত হত্যার ভূমিকা নিয়ে জনগণ ফুঁসে উঠছেন। যখন বিশ্বজিতকে ছাত্রলীগ প্রকাশ্যে দিবা লোকে পুলিশের সামনে রাজপথে কুপিয়ে হত্যা করে, যখন ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হাতে ১০ বছরের শিশু প্রাণ হারায়, যখন জাতীয় সন্ত্রাসী বিকাশ, যশোর আওয়ামীলীগের দুর্ধর্ষ ক্যাডার শিমু কারা মুক্তি পায়, যখন ডজন খুনের মামলার ফাঁসীর আসামীরা রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ক্ষমা পায়, তখন শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ক্যাম্পাসে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, যখন বিগত ৪টি বছরে ১৯ জন সাংবাদিক হত্যা করে দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে, ঠিক তেমনি সময়ে সরকার চিহ্নিত ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ১৯৭৩ সনের ক্রাইম এ্যাক্ট আইনকে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুন্যাল নাম দিয়ে ৪১ বছর পরে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় চরিতার্থ করার জন্য যুদ্ধাপরাধ বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করেছেন। সারা বিশ্বে এ বিচারের মান সচ্ছতা ও সততা নিয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ তাঁদের ভিন্ন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এদিকে ৯০% মুসলমানের দেশে ইসলামের নবী-রাসুলের কটাক্ষকারী নাস্তিক, কুলাঙ্গার রাজিবের মত ব্যক্তিদের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে শহীদ বলে শোক প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। যা আমাদের মতে দেশ ও জাতীর জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। অপরদিকে দেশের শীর্ষ ইসলামী ব্যক্তিদের ফাঁসীর দাবীতে শাহবাগে তরুণদের নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় নাটক সাজিয়েছেন। এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের উপর সরকারী পেঠোয়া বাহিনী নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। রাজিবের হত্যাকান্ড নিয়ে পল্লবী থানা পুলিশ তার এজাহারে লিখেছেন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে ও হত্যাকান্ডের আগে তার বান্ধবী বাসা থেকে তাকে ডেকে নিয়েছিল এবং তার পরিবারের কেউ জামায়াত-শিবিরকে দোষারোপ করেননি। তাহলে দেশের একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে তাঁর বাসায় গিয়ে বিনা তদন্তে এ্যাডভান্স জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে কিভাবে বলতে পারেন- এদেশে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি করার অধিকার নেই? স্বজনদের বিস্তারিত তদন্তের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুদ্রাদোষ সম্বলিত ডায়ালগ কই? আসলে সরকারের এসব নাটক বিশ্ববাসীর কাছে দিবালোকের মত ষ্পষ্ট  হয়ে গিয়েছে। আমরা প্রবাসীরা সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি।###########
প্রেরণকারী ঃ
[email protected]

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT