টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

দুঃখী মা’ বাবার ঈদ বৃদ্ধাশ্রমে নিতে আসেনি কোনো সন্তান

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১
  • ১৫৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফ নিউজ ডেস্ক :: ছোট বেলা থেকে আমার ছেলেটা ঈদের আগের দিন কত বায়না করত। ও রে পটকা কেনার টাকা দিতে হইবো। শার্ট, গেঞ্জি পছন্দ না হলে বার বার পাল্টাইতে হইবো। ওর বাপ একটু বেশি রাগী ছিল। তাই ভয়ে সব কিছু আমারেই কইতো। ওর (ছেলের) বাপ রে লুকাইয়া, ওরে যে (ছেলেকে) কত টেকা দিছি। এখন তো ওরই অনেক টেকা।’
পৃথিবীতে মা-বাবা এমন এক আশ্রয় সংস্থা যার তুলনা পৃথিবীর কোনো বাটখারায় পরিমাপ করা যায় না। যায় না সেই পরম স্নেহের ওজন দেয়া কোনো ওয়েট মেশিনে। সুতরাং এই মা এবং বাবা শেষ বয়সে কেন বৃদ্ধাশ্রমে থাকবে প্রশ্নটি সচেতন প্রতিটি সন্তানের বিবেকের কাছে রইল। মা-বাবা না থাকলে আমরা পৃথিবীর আলোই দেখতে পেতাম না। যে মা পরম স্নেহে শত অবর্ণনীয় কষ্ট, আঘাত, যন্ত্রণা সহ্য করে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করলো আবার জন্মের পর থেকে লালন-পালন করা, পড়ালেখা শেখানো, সন্তানদের হাসিখুশি রাখতে কত ত্যাগ স্বীকার করলো সেই বাবা-মায়েদেরই বৃদ্ধ বয়সে থাকতে হচ্ছে বৃদ্ধাশ্রমে। মানবতার প্রতি এ এক চরম উপহাস। দু’দশক আগেও দেশে বৃদ্ধাশ্রম তেমন একটা ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিন্তু কেন এই বৃদ্ধাশ্রমে? এই প্রশ্নের উত্তর বড়ই করুণ। ছোটবেলায় যে বাবা-মা ছিল সব সময় নিরাপদ আশ্রয়স্থল, আজ সেই বাবা-মাকেই ঝামেলা মনে হচ্ছে। বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলার, তাদের সঙ্গে সময় কাটানোর বা দেখভাল করার এতটুকু সময় আজ আমাদের নেই। শুধু তাই নয় অনেকেই আবার পিতা-মাতার ওপরে হাত উঠানোর মত ঘৃণ্য, নিন্দনীয় ও ইসলামবহির্ভূত কাজও করে থাকেন। অনেক পরিবারের বউ হয়ত শ্বশুর-শাশুড়িকে নিজের বাবা-মায়ের মতো করে মন থেকে মেনে নিতে পারে না। আবার অনেকেই এমন স্ত্রীর পিতা-মাতার ওপরে আনীত বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বিরোধী হয়ে যায়। ফলে তাদের স্থান হয় বৃদ্ধাশ্রমে। এটা কোনো সমাধান নয়। দেখা যায়, এক সময় যারা নামিদামি বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, চাকরিজীবী ছিলেন তাদের অনেকেই আজ নিজ সন্তানদের অবহেলা, অযত্ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে বৃদ্ধাশ্রমের স্থায়ী বাসিন্দা হতে বাধ্য হচ্ছেন। সবকিছু থাকতেও সন্তানহারা এতিম হয়ে জীবন যাপন করছেন। এমন দুঃখী পিতা-মাতাদের বুকভরা কষ্ট থেকে সন্তানকে লেখা চিঠি প্রায়ই পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়। যা পড়ে চোখের পানি সংবরণ করা যায় না। আমরা যারা তাদেরকে অবহেলা ও বোঝা মনে করে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসছি, তারা কি একবার ভেবেছি আমাদেরকেও একদিন বৃদ্ধ হতে হবে। খুব বেশি দূরে নয় আমাদেরকেও নিজ সন্তানের অনুরূপ আচরণের শিকার হয়ে শেষ বয়সে এই বৃদ্ধাশ্রমেই বাকি জীবন কাটাতে হতে পারে। সত্যিই বিবেকের কাছে আজ আমরা পরাজিত আর বড়ই অকৃতজ্ঞ। আজ আমরা চাকরি করে, ব্যবসা করে বা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছি, সুনাম কুড়াচ্ছি। তারপর বিয়ে করে নতুন সংসার নিয়ে আলাদাভাবে থাকছি। অন্যদিকে বৃদ্ধ পিতা-মাতা কি খাচ্ছে, কি পরছে, কোন কোন জটিল ও কঠিন রোগে ভোগছে সেদিকে বিন্দুমাত্র কোনো খেয়াল নেই। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসার একটি গল্প বলছি- কোনো এক অসহায় মা তার সন্তানকে নিয়ে শহরে থাকতেন। ছেলের বুঝ জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখে আসছে একটা চোখ না থাকাতে মাকে কুৎসিত দেখায়। মা একদিন স্কুলের পাশ দিয়ে কোথাও যাওয়ার সময় ছেলেকে দেখতে গেলেন। এই কুৎসিত দেখানোর কারণে সহপাঠীরা হাসাহাসি করবে এই লজ্জার ভয়ে ছেলে সেদিন দেখা করেনি। মা কিছু না বলে ফিরে এলেন। ছেলে এক সময় বড় হয়ে চাকরি পেলো। বিয়ে করে মায়ের আর কোন খোঁজ-খবর না রেখে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিল। কয়েক বছর পর ছেলে তার স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের পুনর্মিলনী দাওয়াত পেয়ে আসলো। এই ফাঁকে মাকে দেখতে গেলে জানতে পারে যে ভাড়া বাসায় মা থাকতেন সেখানে এখন অন্য কেউ থাকে। পাশের বাড়ির মায়ের বয়সী এক মহিলা তাকে একটা চিঠি দিয়ে বললেন, তোমার মা মারা যাওয়ার আগে তোমাকে এটা দিতে বলে গেছেন। চিঠিতে লেখা ছিল- “বাবা! আমি জানি আমার একটা চোখ না থাকাতে কুৎসিত দেখানোর কারণে অন্যদের মতো তুমিও আমাকে পছন্দ করতে না। আমার চোখ না থাকার কারণটা জানতে পারলে তুমি নিশ্চয় আমাকে আর ঘৃণা করতে না। তুমি ছোট থাকা অবস্থায় তোমার আব্বু, আমি আর তুমি সহ একদিন এক গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হই। সেদিন তোমার আব্বু মারা যান, আমি গুরুতর আহত হই আর তোমার একটি চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। অপারেশন করিয়ে আমি আমার একটি চোখ তোমাকে দিয়ে দিই

কথাগুলো বলতে বলতেই হু হু করে কেঁদে ফেললেন মর্জিনা বেগম। ঈদের সময়ের স্মৃতিগুলো মনে করে ৭০ বছর বয়সী এই নারী বার বার তার মুখে কাপড় দিয়ে চোখ মোছার চেষ্টা করছিলেন।

advertisement
বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে হয়তো বা এখন অনেক কিছু মনে পড়ে না তার। অথবা কিছু মনে করতেও চান না তিনি।

তাই তো কোনো ভাবেই তার সেই ছেলের নাম বা পরিচয় কিছুই বলতে রাজি হননি এই মা। কারণ এই মায়ের খবর নেওয় না সেই ছেলে বা পরিবারের অন্য কোনো আপনজন
মর্জিনা বেগমের ঠিক ৪/৫ গজ দূরে বসে মুখে হাত দিয়ে এদিক সেদিক তাকাচ্ছিলেন আরেক মা। তারও বয়স ষাটোর্ধ। তিনিও জেনে গেছেন কাল ঈদ। তাই নিজের ফেলে আসা সুখ-দুঃখের স্মৃতি গুলো মনে পড়ছে তার।

তবে মুখে তেমন কিছু বলতে পারেন না এ অভাগী মা। শুধু ঈশারায় কিছু বোঝান তিনি। কয়েক মাস আগে সড়কে পড়েছিলেন এই মা। পরে তাকে পুলিশের সহায়তায় আনা হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে।

আরেক জন মা জহুরা খাতুন। বয়স আনুমানিক ৯০ বছর। পরিবার, সন্তান জমিজমা থাকলেও শেষ বয়সে ঘর সংসার ছাড়া হতে হয়েছে তাকে। স্বামীর মৃত্যুর পরে সন্তানেরাও জায়গা দেয়নি বৃদ্ধ মাকে।

ঘর ছেড়ে বেরিয়ে তাই রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে অসুস্থ হয়ে গেছেন তিনি। অসুস্থ সেই মা-কেও রাস্তা থেকে তুলে এনে বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় দিয়েছেন। সারা বছর তো নয়ই এমনকি ঈদের সময়ও তার খোঁজ নিতে আসেনি কোনো সন্তান বা আপনজন।

শুধু মাত্র এই মায়েরাই নয়, বৃদ্ধাশ্রমে থাকা ৭৫ জন মা জানেন রাত পোহালেই ঈদ। কিন্তু অন্যদের মতো ঈদের আনন্দ নেই কারও মনেই। নেই কোনো আপনজনের অপেক্ষা। কারণ তারা জানেন কোনো আপনজনই তাদের আর খোঁজ নেবে না।

এক সময় স্বামী, সন্তান, বাবা- মা এবং পরিবার সবই ছিল তাদের । কিন্তু ভাগ্যের কষাঘাতে তারা এখন বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা । কোনো আপনজন থেকেও নেই তাদের।

আপনজনহীন এসব মায়েদের আপন করে নিয়েছে ” আপন নিবাস’ নামের একটি বৃদ্ধাশ্রম। রাস্তায় পড়ে থাকা অসুস্থ মায়েদের তুলে এনেছেন তারা। করছেন সেবা যত্ব, ব্যবস্থা করেছেন চিকিৎসার এবং থাকা খাওয়ার।

শুধু তাই নয়, মৃত্যুর পরে এই মায়েদের দাফন কাফন সবই করে “আপন নিবাস’ বৃদ্ধাশ্রম। রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান মৈনারটেকে ছোট একটা বাড়িতে গড়ে উঠেছে এই বৃদ্ধাশ্রমটি।

“আপন নিবাস’ কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা দীর্ঘ ১২ বছর ধরে রাস্তায় পরে থাকা অসহায় মা এবং বোনদের জন্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আর দশটা বৃদ্ধাআশ্রম এর মতো আপন নিবাস এ টাকা দিয়ে অথবা পরিবার দিয়ে গেছে এমন কাউকে রাখা হয় না। যে মানুষ গুলোর এই পৃথিবীতে আপনজন বলতে থেকেও কেউ নেই। কেবল তাদের কেই আপন করে নিয়েছে আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম।

অপর দিকে সব মায়ের ভাগ্যে সন্তানের ভালোবাসা জোটে না। সন্তানসহ পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনের শেষ সময়টুকু আনন্দে কাটাতে পারেন না অনেকেই। এমন মায়েদরই পরম যত্নে আগলে রেখেছে উত্তরখানের মৈনারটেক এলাকায় অসহায় ও দুস্থ নারীদের জন্য বৃদ্ধাশ্রম ‘আপন নিবাস’। এখন প্রায় ৭৫ জন নারী বসবাস করছেন। তাদের বয়স ৬০-৭০ বছরের বেশি। তাদের কেউ হয়তো রাস্তায় পড়েছিলেন, কেউ মাজারে। দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে দিন চলত অনেকের। কোনো দিন হয়তো একবেলা খাবার পর্যন্তও জুটত না। প্রচণ্ড অসুস্থতা নিয়ে কেউ হয়তো কাঁপছিলেন হাসপাতালের পাশে। এসব অসহায়, দুস্থ নারীদের নিয়েই গড়ে উঠেছে ‘আপন নিবাস’ নামের এ বৃদ্ধাশ্রমটি।

বৃদ্ধাশ্রমটিতে থাকা নারীরা যৌবনে কেউ ছিলেন কর্মজীবী নারী, কেউ ছিলেন গার্মেন্টকর্মী আবার কেউ ছিলেন কারও স্ত্রী বা কোনো সন্তানের মা। নিজের জীবনের সোনালী দিনগুলো উজাড় করে দিয়েছেন সন্তানের জন্য কিংবা পরিবারের জন্য। জীবনের শেষ সময়ে এসে সেই মানুষটির ঠাঁই হয়নি সংসারে।

আপন নিবাসের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দা সেলিনা হক শেলী দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনকে বলেন, ‘২০১০ সালের ৮ মার্চ ৭ জন অসহায় বয়স্ক নারীকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমের। শুরুতে আশ্রম চলত মুষ্টিচাল সংগ্রহের মাধ্যমে। উত্তরখান ও আশপাশের গ্রামগুলো থেকে চাল সংগ্রহ করে তা দিয়েই চলতো বৃদ্ধাশ্রমটি। কোনো নির্দিষ্ট সহায়তাকারী বা দাতা আমাদের ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, “মাঝে-মধ্যে অনেক পরিচিত ব্যক্তিরা আর্থিক সাহায্যে এগিয়ে আসেন। মাসের কোনো একদিন খাবার নিয়ে চলে আসেন কেউ কেউ। সবাইকে খাইয়ে দিয়ে যান। তবে খাবারের সমস্যা এখন কিছুটা কমেছে।এখন প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ বা কোনো সংগঠন খাবার দিয়ে যায়।’

সৈয়দা সেলিনা হক শেলী বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের আপন নিবাস এ ৭৫ জন মা এবং বোন রয়েছেন যাদের সেবায় নিয়োজিত আছেন ১৫ জন সেচ্ছাসেবক । প্রায় প্রত্যেকেরই রয়েছে মানসিক এবং শারিরিক প্রতিবন্ধকতা। তাদের খাবার খরচ থেকে শুরু করে ওষুধ কাপরসহ প্রয়োজনীয় সব কিছুর চাহিদা মেটাচ্ছে আপন নিবাস।’

‘এতগুলো মানুষের এত খরচ আমাদের একার পক্ষে কখনোই বহন করা সম্ভব ছিল না যদিনা অন্যরা এগিয়ে না আসতেন। আপনাদের সকলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দান এবং ভালোবাসায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি আমাদের এখানে আশ্রয় পাওয়া মা এবং বোনদের ভালো রাখতে পারছি’, যোগ করেন তিনি।

‘আপন নিবাসের’ অসহায় মায়েদের জন্য একটা নিজস্ব বাড়ি তৈরি করতে চেষ্টা করছেন পরিচালক সৈয়দা সেলিনা হক শেলী । এ বিষয়ে তিনি বলেন, ““আপন নিবাসের” নামের অত্র এলাকায় আমরা ইতিমধ্যে একটি জমি কিনেছি। এখন জমিটা ভরাট করতে পারলেই সেখানে বাড়ির কাজ শুরু করতে পারব। তবে আপাতত জমি ভরাট করার মতো তেমন আর্থিক অবস্থা আমাদের নেই।এসব অসহায় মায়েদর জন্য যেন দ্রুতই একটা ভালো থাকার স্থায়ী ব্যবস্থা করতে পারি।’

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT