টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ডিসেম্বরে চকরিয়া ও টেকনাফের পৌর নির্বাচন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৫
  • ৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
টেকনাফ নিউজ…

ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দলীয় পরিচয়ে জামায়াত নির্বাচন করতে না পারলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুুতি নিচ্ছে জামায়াত। এছাড়াও জামায়াত আগামি পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকারের নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে করার জন্য সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় নড়েচড়ে বসেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একাধীক প্রার্থী দেখা গেলে বিএনপি রয়েছে স্বস্থিতে। এ ছাড়াও জামায়াতেও নেই একাধীক প্রার্থী।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় নির্বাচন কমিশন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করায় দল হিসাবে আর নির্বাচনে আসতে পারছে না জামায়াত।
বিএনপি সমর্থিত একজন ইউপি চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বিএনপি সাংসদ নির্বাচনে না এলেও বিভিন্ন ইউনিয়নে দলের একক প্রার্থী নির্বাচন করবে। নির্বাচনে বিএনপির প্রাথীরাই বিজয়ী হবে।
চকরিয়া বদরখালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানদের ইউনিয়নে উন্নয়নমুলক কাজ হয়েছে। অন্যদল থেকে নির্বাচিতদের এলাকায় তেমন কাজ হয়নি। তারা কাজের চেয়ে সরকার বিরোধী কাজে বেশী সময় কাটিয়েছে।
মহেশখালী ধলঘাট ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ বাচ্চু জানিয়েছেন, সরকার সমর্থিত চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হলে এলাকার উন্নয়ন হয় না। বিরোধী দলের চেয়ারম্যানরা এলাকার উন্নয়নে কাজ করে না। বর্তমান সাংসদের সময়ে যে উন্নয়নমুলক কাজ হচ্ছে এতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানের বিকল্প নেই।
কক্সবাজার জেলা জামায়াতের একজন শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না
করার শর্তে জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াত দলীয় পরিচয় গোপন রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবে। কোন ভাবেই কাউকে ছাড় দেবে না। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপিকে যেভাবে ছাড় দেওয়া হয়নি ঠিক একই ভাবে ছাড় দেবে না জামায়াত। তারা বিএনপিকে বুঝাতে চায় কক্সবাজারে বিএনপির চেয়ে জামায়াত অনেক শক্তিশালী। তবে ২০ দলীয় জোট কেন্দ্রিয়ভাবে আসন ভাগ করে দিলে সে অনুয়ায়ী নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে। একই সাথে জামায়াত সমর্থিত বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান ও মেয়ররা নির্বাচনে অংশ নেবে। এ ছাড়াও ওয়ার্ড মেম্বার ও কাউন্সিলর পদে লড়বে জামায়াত। ইতোমধ্যেই জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডঃ শামীম আরা স্বপ্না জানিয়েছেন, দেশে নির্বাচনের পরিবেশ নেই। এই সরকারের অধীনে যত নির্বাচন হয়েছে সবকটি নির্বাচনে ভোট কারচুপি হয়েছে। আমরা কেন্দ্রিয় নির্দেশ মোতাবেক কাজ করব। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের বিষয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। তবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য এ অগণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো। আমরা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট এ কে আহমদ হোসেন জানিয়েছেন কেন্দ্র থেকে নির্দেশ আসার সাথে সাথে কাজ শুরু হবে। এখনো নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হবে কিনা তা চুড়ান্ত নয়। আমরা দলের একক প্রার্থীদের বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় জেলার ৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়ন ছাড়া ৭০ টি ইউনিয়নে নির্বাচন শুরু হবে ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে। কক্সবাজার পৌরসভা ছাড়া অন্য ৩টি পৌরসভা চকরিয়া ও টেকনাফের নির্বাচন হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে ও মহেশখালী পৌরসভার নির্বাচন হবে ১৬ সালের মার্চে। – See more at: http://www.dainikcoxsbazar.net/?p=70894#sthash.SsYpEO5e.dpuf

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT