টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
টেকনাফে ৪ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড টেকনাফ হাসপাতালে ‘মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ’ বান্দরবানে রোহিঙ্গা ‘ইয়াবা কারবারি বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত রামুতে পাহাড় ধসে ২ জনের মৃত্যু দেশের ১০ অঞ্চলে আজ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না: গ্রেডিং বিহীন সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে রোহিঙ্গা বিষয়ক বৈঠক বৃহস্পতিবার মেজর সিনহা হত্যা মামলা বাতিল চাওয়া আবেদনের শুনানি ১০ নভেম্বর মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ক্যাশ আউট চার্জ কমানোর উদ্যোগঃ নগদ’এ ক্যাশ আউট হাজারে ৯.৯৯ টাকায় ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড ৮৫টি প্রশ্ন

ঠিক হয়নি হজের ফ্লাইটসূচি, ভোগান্তির শঙ্কা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১২
  • ২৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার মাত্র এক মাস বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত ফ্লাইটসূচিই তৈরি করতে পারেনি রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ‘শিডিউল’ নিয়ে জটিলতায় এবার হজযাত্রী এবং হজ এজেন্সিগুলোকে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি জামাল উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মাত্র এক মাস সময় আছে আমাদের হাতে। অথচ এখনো হজ ফ্লাইটের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি বিমান। তারা আরো সপ্তাহখানেক সময় চেয়েছে। এখনই সিদ্ধান্ত না জানালে মক্কা-মদীনায় বাড়ি ভাড়া পেতেও সমস্যায় পড়তে হবে।” গত ১৮ জুলাই বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে হজযাত্রী পরিবহন নিয়ে এক প্রস্তুতি সভায় ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ অক্টোবর হজ ফ্লাইট চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। আর ফিরতি ফ্লাইট চালানোর সিদ্ধান্ত হয় ৩০ অক্টোবর থেকে ২৯ নভেম্বর। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ বিমানের প্রথম হজ ফ্লাইট যাবে ২১ সেপ্টেম্বর। তাদের ফ্লাইট শেষ হবে ২২ অক্টোবর। বিমান ফিরতি ফ্লাইট শুরু করবে ১ নভেম্বর, শেষ করবে ২ ডিসেম্বর। চলতি বছর হজের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছে ২৬ অক্টোবর। এবার সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৫১৫ জন বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এর মধ্যে ৫৬ হাজার ৫০০ জন যাত্রী বহন করবে বাংলাদেশ বিমান; ৪০ হাজার যাত্রী নেবে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স। অবশিষ্ট ১৬ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স অনুমোদিত অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে হজে যাবেন।

বাংলাদেশ বিমান, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স এবং তাদের মনোনীত এয়ারলাইন্সগুলোকে এক সপ্তাহের মধ্যে নিজ নিজ ফ্লাইটসূচি ও কর্মপরিকল্পণা মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয় ওই সভায়।

হাব সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, “শিডিউলের পাশাপাশি হজযাত্রী বহনকারী তৃতীয় সংস্থা (থার্ড ক্যারিয়ার) নিয়েও পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছি আমরা।”

ফ্লাইটসূচি ও ‘থার্ড ক্যারিয়ার’ নির্ধারিত না হওয়ায় হজ যাত্রীদের এবার চূড়ান্ত ভোগান্তিতে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহেদুল আলমও।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবে বাড়ি ভাড়া নিয়ে। রোজার মধ্যে বাড়ি ভাড়া না করতে পারলে পরে মক্কা বা মদিনায় বেশি ভাড়া দিয়েও বাড়ি পাওয়া কঠিন হবে। এতে হজযাত্রীরা বড় ধরনের সঙ্কটে পড়বেন।”

“তাছাড়া বিমান কতোজনকে নিতে পারবে, তাও এখনো স্পষ্ট করেনি। তারা ঘোষণা দিয়েছে, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলান্সের সাথে ভাগাভাগি করে যাত্রী পরিবহন করবে। বিমান যদি পরে বলে যে, তারা অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না, তাহলে বাকিরা কীভাবে যাবেন”, প্রশ্ন ওয়াহেদের।

বিষয়গুলো নিয়ে এখনই খোলামেলা আলোচনা না হলে অনেকেরই হজে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন তিনি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিপণন ও বিক্রয় বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে ফ্লাইটসূচির প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি। ১৫ রোজার মধ্যে শরিক অন্য বিমান সংস্থাগুলো তাদের প্রস্তাব দেবে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।”

এ অনুমোদন কবে নাগাদ আসতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “রোজার ঈদের আগে হওয়ার সুযোগ কম”

হজ যাত্রী পরিবহনে তৃতীয় বিমান সংস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বছর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে বাংলাদেশ ও সৌদি বিমান সংস্থার বাইরে কোনো সংস্থাকে অনুমোদন দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে বিমান পরিবহন করবে অর্ধেক যাত্রী। বাকিদের পরিবহন করবে সৌদি আরবের বিমান সংস্থাগুলো।”

এর মধ্যে ৩৩ থেকে ৪০ হাজার যাত্রী বহন করবে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলান্স এবং ১৫ থেকে ২০ হাজার বহন করবে সেদেশেরই অন্য কোনো বেসরকারি বিমান সংস্থা।

তিনি বলেন, “যাত্রীদের যেন ভোগান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে বিমান। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।”

বিমান কর্মকর্তারা জানান, এ বছর বিমানের নিজস্ব দুটি বোয়িং ৭৭৭ ও ভাড়ায় আনা বোয়িং ৭৪৭ দিয়ে নির্ধারিত ফ্লাইটের বাইরে হজযাত্রী পরিবহন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শুধু হজযাত্রী পরিবহনের জন্য তিনটি বোয়িং ৭৪৭-৪০০ ইআর মডেলের উড়োজাহাজ তিন মাসের জন্য ভাড়া (পাইলট, কেবিনক্রুসহ) আনার কথা চলছে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT