টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
দেশের ৮০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর নির্যাতনের শিকার’ এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৩১০ হেফাজতের বর্তমান কমিটি ভেঙে দিতে পারে: মামলায় গ্রেফতার ৪৭০ জন মৃত্যু রহস্য : তিমি দুটি স্বামী – স্ত্রী : শোকে স্ত্রী তিমির আত্মহত্যাঃ ধারণা বিজ্ঞানীর দেশে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ মানুষ দাঙ্গা দমনে পুলিশের সাঁজোয়া যান সাজছে নতুনরূপে শ্রমিকের সস্তা জীবন, মায়ের আহাজারি আর ধনীর ‘উন্নয়ন’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত নেতাদের বৈঠকে মূলত তিনটি বিষয় সরকারের পতন ঘটাতে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সখ্য ছিল মামুনুলের ধর্মীয় নেতাদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

টেকনাফ স্থল বন্দরে ২০ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ জুলাই, ২০১৩
  • ৩৮৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

 

 

 

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম,টেকনাফ ২৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৬১ হাজার ৯৪২ টাকা মূল্যের পণ্য আমদানি ও ১৫কোটি ৭১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৮৪ টাকা মূল্যের পণ্য রপ্তানী করেও টেকনাফ স্থল বন্দর কাস্টমস্ রাজস্ব আয়ের ল্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। ২০ কোটি ৭ লাখ ৬ হাজার ৫১৪ টাকা রাজস্ব ঘাটতি মাথায় নিয়ে গতকাল ৩০ জুন টেকনাফ স্থল বন্দর কাস্টমস্ ২০১২-২০১৩ অর্থবছর সম্পন্ন করেছে। শুধু  কাস্টমস্ খাতে তো নয়-ই, সব মিলিয়েও রাজস্ব আয়ের ল্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে টেকনাফ স্থল বন্দর কাস্টমস্ শুধু কাস্টমস্ খাতে রাজস্ব আয় করছে ৪৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৮৬ টাকা । জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই অর্থ বছরে বার্ষিক রাজস্ব আয়ের ল্যমাত্রা নিধার্রন করে দিয়েছিল ৬৫ কোটি টাকা । তবে সব মিলিয়ে কাস্টমস্ রাজস্ব আয় করেছে ১ হাজার ৭৪৮টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ৬২ কোটি ৮৬ ল ৩৮ হাজার ৪৬০ টাকা। এই এক বছরে টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পন্য রপ্তানী হয়েছে ৫৩০টি বিল অব এক্সপোর্ট এর মাধ্যমে ১৫ কোটি ৭১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৮৪ টাকা মূল্যের । আমদানীকৃত ২৭৮ কোটি ৪৭ লাখ ৬১ হাজার ৯৪২ টাকা মূল্যের পন্যের মধ্যে ২৬৯ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার ৭৪০ টাকা মূল্যের পন্য শুল্কযুক্ত এবং ৯ কোটি ৬ লাখ ৯১ হাজার ৫৯২ টাকা মূল্যের পন্য শুল্কমুক্ত। অবশ্য এই রাজস্ব ঘাটতির জন্য কোন মতেই কাস্টম্স একক ভাবে দায়ী নয়। ঘন ঘন হরতাল, উভয় দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মিয়ানমারের আরকান রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিম-রাখাইন জাতিগত সংঘাত, বাংলাদেশ সীমান্তে ইয়াবা চোরাচালানের প্রসার ইত্যাদি কারণে টেকনাফ মংডু সীমান্ত বানিজ্য খাতে সরকারী রাজস্ব আয়ে ধ্বস নেমেছে বলে দাবী করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। মাসওয়ারী সব মিলিয়ে রাজস্ব আয় ও রপ্তানী মূল্যের খতিয়ান হচ্ছে ঃ জুলাই মাসে ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৮০৪ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১৮ লক্ষ ১৮ হাজার ৩১০ টাকা মূল্যের পণ্য। আগষ্ট মাসে ৮ কোটি ৬৫ লক্ষ  ৯৬ হাজার ৭৬৬ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ৩৮ লক্ষ ৭ হাজার ৫২৮ টাকা মূল্যের পণ্য। সেপ্টেম্বর মাসে ৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৯ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৭১৮ টাকা মূল্যের পণ্য। অক্টোবর মাসে ৪ কোটি ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৯১৫ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ৭৯ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৯৩ টাকা মূল্যের পণ্য। নভেম্বর মাসে ৬ কোটি ২৪ লক্ষ ২২ হাজার ৫৯৮ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১ কোটি ১৮ লক্ষ ২৬ হাজার ২৩০ টাকা মূল্যের পণ্য। ডিসেম্বর মাসে ৭ কোটি ৫৯ লক্ষ ৪০ হাজার ৩৪০ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১ কোটি ৯৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৬৮ টাকা মূল্যের পণ্য। জানুয়ারী মাসে ৮ কোটি ৬ লক্ষ ১৫ হাজার ৯২৬ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১ কোটি ৭৯ লক্ষ ৬২ হাজার ৮০৯ টাকা মূল্যের পণ্য। ফেব্রুয়ারী মাসে ৫ কোটি ২৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৬৯৬ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৫ হাজার ৩১৯ টাকা মূল্যের পণ্য। এপ্রিল মাসে ৪ কোটি ৪ লক্ষ ৮৮ হাজার ৫৩৮ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে  ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ৮০ হাজার ১১১ টাকা মূল্যের পণ্য, মে মাসে  ৪কোটি ৫ লক্ষ ৩৭৫ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে  ১ কোটি ৭২ লক্ষ ১৭ হাজার ৭০০ টাকা মূল্যের পণ্য, জুন মাসে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ ৭১ হাজার ৯১৫ টাকা রাজস্ব আয় এবং রপ্তানী হয়েছে ১কোটি ২০ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩৬৩ টাকা মূল্যের পণ্য। জানা যায়- এই অর্থবছর জুড়েই টেকনাফ স্থল বন্দরে বিরাজমান ছিল নানা ধরণের সমস্যা। সর্বোপরি মিয়ানমারের আরকান রাজ্যে রোহিঙ্গা-রাখাইন জাতিগত সংঘাত ঘটনার পর থেকে আমদানী- রপ্তানী একেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এমনিতেই সীমান্তে ইয়াবা ব্যবসার ফলে সীমান্ত বাণিজ্যে মারাতœক বিরুপ প্রভাব পড়েছে। উপরšত্ত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা আরও বেশী নেতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। ইয়াবা চোরাচালানের বিরূপ প্রভাব, বন্দরে শ্রমিকসহ বহুমূখী সমস্যার কারনে টেকনাফ স্থল বন্দর কাস্টম্স রাজস্ব আয়ের ল্যমাত্রার মূখ দেখছেনা। টেকনাফ- মংডু সীমান্ত বানিজ্যের আমদানী খাতেও বড় ধরনের ধ্বস নেমেছে। এ বন্দরটি স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিতি লাভ করলেও বাস্তবে যাবতীয় কার্যক্রম চলছে নৌ-বন্দর হিসেবে। মিয়ানমার থেকে বানের ¯্রােতের মত ইয়াবা এবং অবৈধ চোরাই পয়েন্ট দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ বৃদ্ধি পাওয়াতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টির একমাত্র কারন। ধারাবাহিক ভাবে রাজস্ব আয়ে ধ্বস নামায় ব্যবসায়ী ও কর্তৃপরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। টেকনাফ স্থল বন্দরে আমদানী ও রপ্তানী পরিসংখ্যানে দেখা গেছে- পর্যায়ক্রমে মিয়ানমারের আমদানী ও রপ্তানীর হার কমে গেছে। মায়ানমারে বাংলাদেশী পণ্যের বাজার সৃষ্টি না হওয়ায় দিন দিন বানিজ্য ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ-মায়ানমার বানিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধিতে দ্বি-পাকি সভাও হয়। সীমান্ত বানিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও এর সমাধান স্বল্প সময়ের মধ্যে করতে হয়। তাই দু’দেশের সরকার স্থানীয় পর্যায়ে দু’টি কমিটির মাধ্যমে যৌথভাবে বাংলাদেশে ও মায়ানমারে সভা ডেকে সীমান্ত বানিজ্যকে সম্প্রসারিত করে দু’দেশের বানিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার জন্য প্রচেষ্টা চালালেও ব্যবসায়ীরা দিন দিন নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছেন। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আমদানীকৃত পন্যের মধ্যে রয়েছে- শুটকী  মাছ, বাঁশ, বেত, ওমপাতা, হিমায়িত মাছ, আদা, সুপারি, মাসকলাই, আচার, শুকনা বরই, তেতুল, সীমের বীচি, বিভিন্ন প্রকার ডাল, ছোলা, মসলা জাতীয় পণ্য, চাল, সেনেকা মাটি, রাবার ও প্লাষ্টিকের সেন্ডেল, কাঠ  ও ডিম ইত্যাদি। মিয়ানমার থেকে চাল আমদানী হতো, বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। অন্য দিকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে রপ্তানী হয় -হাঁঙ্গর মাছ, কচ্ছপের খোলস, এ্যালোমোনিয়াম প্রোডাক্ট্স, সিমেন্ট, রড, ফেয়ার এন্ড লাভলী, মশারীরর কাপড়, সেমাই, মানুষের চুল, কচু,নলকূপ, লুঙ্গি, আলু,ষাড়ের লিঙ্গ, গেঞ্জি, তৈরী পোষাক, গেঞ্জির কাপড়,গাজী ট্যাংক, ঔষধ, ইত্যাদি। মিয়ানমারের পন্য মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এখন মিয়ানমারের সাথে বানিজ্য করতে তেমন আগ্রহী নয়। আমদানী-রপ্তানী পরিমান কমে যাওয়ায় মিয়ানমারে বাংলাদেশী পন্যের বাজার সংকুচিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে কায়ুকখালী খাল, নাইট্যং পাড়া, টেকনাফের লামার বাজার, সাবরাং, নয়াপাড়া, ও শাহপরীরদ্বীপের জালিয়াপাড়া  ও ঘোলা পাড়া সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে মালামাল চোরাচালান হচ্ছে সর্বাধিক। সীমান্ত বানিজ্যের কয়েকজন প্রবীন ব্যবসায়ী জানান, বিগত  বছর গুলোতে  মিয়ানমার থেকে বানের ¯্রােতের মত ইয়াবা প্রবেশ করছে। এ ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় ব্যবসায়ীরা সেদিকে ঝুঁকছে। টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা ব্যবসা বিস্তার করার প্রেেিত টাকা মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে। সেই সাথে সীমান্ত বানিজ্যের কতিপয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং মিয়ানমারের নাগরিক সীমান্ত বানিজ্যের আড়ালে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। এসব কারনে বৈধ সীমান্ত বানিজ্য কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। চোরাই পথে পন্য আসা যাওয়া এবং ইয়াবা ব্যবসা বিস্তারের কারনে মুদ্রার মান কমে যাওয়া ও বানিজ্য হ্রাস পাওয়া এর অন্যতম কারন বলে অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীদের ধারনা। বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ও পন্য রপ্তানী বৃদ্ধিতে দেশীয় ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা খুব দ্রুত উদ্যোগ না নিলে টেকনাফ স্থল বন্দর এক সময়ে অচল হয়ে পড়বে বলে মনে করেন সচেতন মহল। এদিকে সীমান্ত বানিজ্যের আওতায় মিয়ানমারে বাংলাদেশী ঔষধ রপ্তানীর প্রচুর  সম্ভাবনা রয়েছে । মায়ানমারের বাজারে বাংলাদেশী ঔষধের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে তেমন রপ্তানী হচ্ছেনা। অনুসন্ধানে জানা গেছে- বাংলাদেশের কয়েক’শ ঔষধ প্রস্তুতকারী কোম্পানী গুলোর মধ্যে টেকনাফে বর্তমানে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ঔষধ সরবরাহ করে আসছে। তার মধ্যে স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল, একমি, গ্লোব, ইনসেপ্টা, ইবনে সিনা, বায়ো ফার্মা, বেক্সিমকো, জেনারেল, ওরিয়ন, ইউনাইটেড, অপসোনিন, এমভি, নভো, নাভানা, এসিআই, ইউরো, অর্গানিক, এশিয়াটিক, রয়েল, সুপ্রিম, সেন্টার, ইটেলাভ, জিসকা, ফার্মাসিয়া, এপেক্স, আরকে, বেলসন, নোভার্টিস, ইমরোস, কমোদিনি, সার্জ কেমিঃ, সানস্ বাংলাদেশ, এসএপিএল, ড্রাগ ইন্টার, টেকনো, হলমার্ক, জেনিথ, বিলিষ্টার, সিনথো,  এড্রোক, হার্ডসন, একজিম, সিলভা, পুপুলার, টপিকেল, ইন্দোবাংলা, ফার্মিক, রোভিসথা, হেলপ কেয়ার, ফার্মাদেশ, গ্রামো, হামদর্দ লিঃ, ইটলাভ, এরিষ্টোফার্মা, জনকল্যান, জনসেবা, গ্লাস্কো, সিলভা, জেসন, জেএমআই, মনিকো, এভারেষ্ট, এলকো, এমিকো, ডিসেন্ট, মেফনেস, ইউনিয়ন, গ্রামীণ, মডার্ণ, ব্রাদার্স, মেডিমেট, সোমাটেক, বিকল্প ফার্মা ও রাইজ ইন সান ইন্টার ন্যাশনাল, প্রগ্রেসিভ প্রভৃতি। সীমান্ত বানিজ্যের আওতায় খুব অল্প পরিমান ঔষধ বৈধভাবে মায়ানমারে রপ্তানী হয়েছে। চোরাই পথে মায়ানমারে ঔষধ পাচার অব্যাহত থাকলেও বৈধ পথে ঔষধ রপ্তানী না হওয়ার কারন হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে মায়ানমারে ঔষধ রপ্তানীর েেত্র শুল্ক বা ট্যাক্সের সমস্যা না হলেও আমদানীর েেত্র মায়ানমারের ব্যবসায়ীদের সে দেশে প্রচুর ট্যাক্স দিতে হয়। ফলে মায়ানমারের ব্যবসায়ীরা বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথে ঔষধ নিতে আগ্রহী বেশি।  উল্লেখ্য ২০১১-২০১২ অর্থবছরে টেকনাফ স্থল বন্দর কাষ্টমসের ল্যমাত্রা ছিল- ৮৪ কোটি ২১ লাখ ৯৬ টাকা। সবমিলিয়ে রাজস্ব আয় করে ছিল ৫২ কোটি ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ৫৫২ টাকা। বিল অব এন্ট্রি ছিল ২হাজার ৯৭টি রপ্তানী হয়েছিল ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের পন্য। বিল অব এক্সপোর্ট ছিল ৫২২টি।   ####

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT