টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে

টেকনাফ সমুদ্র সৈকত বিলীন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৫
  • ২২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম,টেকনাফ…
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ সৃষ্টি বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের ছোট্ট উপ-শহর সৈকত নগরী টেকনাফ। যার পশ্চিমে বিশাল বগ্ঙোপসাগর,পূর্বে নদী নাফ ও মিয়ানমার,দক্ষিণে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট-মার্টিন,উত্তরে নেটং পাহাড়। এতকিছুর সম্মিলন হয়তো পৃথিবীর কোথাও দেখতে পাওয়া দরুহ ব্যাপার। এমন রুপ বৈচিত্র্য পরিদর্শনে প্রতিবছর হাজারো পর্যটক ছুটে আসে পর্যটনের অন্যতম স্হান টেকনাফে।আর টেকনাফের পর্যটন স্পটের অন্যতম স্হান হচ্ছে সমুদ্র সৈকত।  এই সৈকতের অপরুপ সৌন্দর্য একসময় বিমোহিত করত সমুদ্রের নুনা জলে ঢেউয়ের মিথালী অবলোকন করতে আসা অগনিত ভ্রমণপিপাসুদের মনকে। সাগরের আগ্রাসী ঢেউয়ের থাবায় আজ দিন দিন ধ্বংসলীলায় পরিনত হচ্ছে কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণের অন্যতম পর্যটন স্পট টেকনাফের সমুদ্র সৈকত। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় কোমনের আঘাটে কক্স্রবাজার জেলার অন্তর্গত সমুদ্র সৈকতটির ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। যেখানে চোখ যায় সেখানে দেখা মেলে পড়ে থাকা ধ্বংস¯ু‘পের নিদর্শন। সৈকত হারিয়েছে  তার অপরুপ সৌন্দর্য্য,হারিয়েছে জৌলস। ভ্রমণে আসা পর্যটকরা হয়েছে বিমূখ। সৈকতের কিনারায় গড়ে উঠা হ্যাচারী শিল্পের হয়েছে প্রচুর পরিমান ক্ষয়-ক্ষতি। ভেঙ্গেছে হ্যাচারী শিল্পের অনেক স্হাপনা।ক্রমাগত ভাঙ্গনে মালিকপক্ষ  গুটিয়ে নিচ্ছে তাদের প্রতিষ্ঠান। ঢেউয়ের থাবায় ভেসে গেছে ঝাউ বাগানের ব্যাপক অংশ। বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধ্বংসলীলার চিহ্ন। অথচ কোমনের আঘাতের আগে নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যরে বেলাভ’মিটির এই অবস্হা কখনও এমন হয়নি। সৈকতে আসা অনেকের মতে,আমাদের সৈকতটি কক্সবাজার ও ইনানী সৈকতের চেয়ে কোন অংশে কমনা। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ না থাকায় সমুদ্র সৈকতটি তার অবস্হান জানান দিতে পারছে না  আজ। আর এরই মাঝে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও কোমেনের আঘাতে সৈকত নগরী হারিয়েছে তার চিরচেনা রুপ-প্রকৃতি। তাদের মতে, আজ দেশের অন্যতম পর্যটন স্পটটি বারবার ঢেউয়ের আঘাতে ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্হ হয়ে এইভাবে পড়ে থাকবে কোনদিন ভাবিনি।যেখানে তাকায় সেখানেই দেখা মিলে  ক্ষয়-ক্ষতির চিহ্ন। তাই আমাদের পর্যটন শিল্পের প্রধান আকর্ষন সমুদ্র সৈকত ও তার কিনারায় গড়ে উঠা হ্যাচারী শিল্পকে বাঁচাতে ‘ জি-ব্যাগ’ দিয়ে ইনানী ও হিমছড়ির ন্যায় বাঁধ দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করতে হবে। যা সরকারি পর্যায়ে হউক অথবা  বা বেসরকারি পর্যায়ে হউক। যত দ্রুত সম্ভব ততই ভালো হয় অন্যথায় কক্সবাজার জেলার মানচিত্র থেকে  ধাপে ধাপে বিলীন হয়ে যাবে অন্যতম দর্শনীয় বেলাভ’মি রুপের নন্দীনি   টেকনাফের সমুদ্র সৈকত।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT