টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ শাপলাপুরে এবার বনভূমি বিক্রি হচ্ছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১২
  • ১৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

টেকনাফের স্থানীয় প্রভাবশালী বন লুটেরাদের লুন্টনের পাশাপাশি এবার বন কর্তৃপক্ষরাও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা সরকারের চাকুরিজীবি হওয়া সত্বেও দিন দাহাড়ে একশ্রেনীর পেশাজীবি কাঠচোর মাধ্যমে বনাঞ্চলের মূল্যবান বন সম্পদ কর্তন করে অবৈধভাবে হাটবাজারে বিক্রি করার পর এবার শুরু করেছে বনভূমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া। গত ৩ মাসের ব্যবধানে উখিয়া ও টেকনাফে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলের প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট সবুজ পাহাড়ি টিলা সংলগ্ন পৃথক পৃথক কমপক্ষে শতাধিক হেক্টর বনভূমি বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছেজানা গেছে, টেকনাফের হোয়াইক্ষ্যং রেঞ্জের আওতাধীন উপকূলীয় শাপলাপুর বনবিটে ৬৪০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। উক্ত বনভূমিতে সরকার ১৯৯১-৯২সনের সৃজিত বনায়নে সেগুন,গর্জন,মেহগনিসহ নানা জাতের গাছ রোপন করে। কিন্তু অসাধু বিট কর্মকর্তা আঃ চোবহান এফ,জি, ও হোয়াইক্ষ্যং রেঞ্জ কর্মকর্তার পরস্পর যোগসাজশে ওই বিটের আওতাধীন বনসম্পদ উজাড় করার পর বনভূমি বিক্রি শুরু করার অভিযোগ স্থানীয় গ্রামবাসির। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক ভিলেজার জানান, শাপলাপুর পুরানপাড়ার মোহাম্‌দ হোছনের পুত্র মোহাম্মদ শরীফ, কবির আহম্মদের পুত্র হোছন আহমদ, নুর আহাম্মদের পুত্র আমান উল্লাহ,আছমদ শরীফের পুত্র সিকদার আলী, শাহদাত আলী, আবদুল করিম, নুরুল হক,আবদুল্লাহ,ও শাহ আলম সহ অনেকেই বনভিাগের কর্তা-ব্যক্তিদের কাছ থেকে বনভূমি খরিদ করে। পরে ওই বনভূমি দখল করে বসতবাড়ী নির্মান সহ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করে আসছে। স্থানীয় সচেতন মহল এব্যাপারে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করলেও বন কর্তৃপক্ষ কোন আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করছেনা। ফলে শাপলাপুর সমুদ্র তীর বর্তী বনভূমি বেহাত ও বন সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। এদিকে বনভূমি দখলকারীরা যথাক্রমে-শাপলার ছড়া, বাইল্যার ছড়া, পানের ছড়া ও মরিচ্যার চড়া এলাকায় বনভূমিতে রাতদিন মাটি কেটে ঘর নির্মাণের জন্য মাটির শ্রেণী পরিবর্তন করছে। এব্যাপারে জানতে চাইলে, হোয়াইক্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা মহিউদ্দিন বলেন, ওই সব এলাকায় বনভূমি বেদখল হওয়ার ব্যাপারে আমার জানা নেই। তাছাড়া ও নিয়মিত পুরো এলাকায় বনবিভাগের টহল রয়েছে। বনভূমি বিক্রির অভিযোগ তিনি উড়িয়ে দেন। স্থানীয় মেম্বার মোক্তার আহাম্মদ বলেন, বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্তা-ব্যক্তিদের কারনে বনভূমি উজাড় ও বেদখল হয়ে যাচ্ছে। শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি কক্সবাজার কলাতলী থেকে শাপলাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত সমুদ্র অঞ্চলের জমির মূল্য কোটি টাকার উপরে হওয়ায় পার্শ্ববর্তী বনভূমির জমির উপর জবরদখলকারীদের নজর কাড়ে। ফলে অসাধু সংশ্লিষ্টদের অর্থের মাধ্যমে ম্যানেজ করে এ পর্যন্ত শতাধিক হেক্টর বনভূমি সম্পত্তি জবর দখলে চলে গেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। তিনি বলেন, পর্যটনের স্বার্থে সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলের অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে অচিরেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। নচেৎ বনভূমির অস্থিত্ব থাকবেনা বলে মতামত ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

One response to “টেকনাফ শাপলাপুরে এবার বনভূমি বিক্রি হচ্ছে”

  1. Rakib says:

    সব তো চুরের দল এরা পারলে সমুদ্র ও খাবে, আমার তো মনে হয় সব খেয়ে তারপর মানুষ মানুষে খেয়ে তারপর শেষ হবে……..হা…..হা………।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT