টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ পাহাড়ী জনপদের বাসিন্দারা ভূমি ধ্বস আতংকে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৩
  • ৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হুমায়ূন রশিদ=টেকনাফে চলতি বর্ষায় সাগরে সর্তক সংকেত জারি,অনবরত বৃষ্টি এবং ভ্যাপসা গরমে সাধারন থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে পর্যন্ত প্রভাব ফেলছে। পাহাড়ী জনপদের বাসিন্দাসহ উপকূলের জনসাধারন প্রাকৃতিক দূর্যোগ আতংকে রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়-গত ২৫জুন হতে জেলার সাগর ও নাফনদী উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়া সর্তক সংকেত বলবৎ থাকার পাশাপাশি দিন-রাত ব্যাপী টানাবৃষ্টি সত্বেও ভ্যাঁপসা গরম অব্যাহত থাকায় সাধারন মানুষের জন-জীবন অস্থির হয়ে উঠে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় খেটে খাওয়া মানুষের রোজগার ব্যাহত হচ্ছে। কাজের সন্ধানে ছুটলেও কাজ করতে না পারায় অনেকে নিরাশ হয়ে বাড়ি ফেরত গেছে। আবার অনেকে আশংকা করছে আবহাওয়ার বিরূপ আচরন দেখে মনে হচ্ছে জলোচ্ছাস, বন্যার মতো প্রাকৃতিক দূর্যোগ হওয়ার আশংকায় রয়েছে। এদিকে সাগর ও নদীতে জোয়ারের পানি কিছুটা কম থাকায় নিমাঞ্চলের কয়েকটি স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ পৌর ও সদর, হ্নীলা, হোয়াইক্যং সহ বিভিন্ন স্থানে সাধারন মানুষের চলাচলের রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। ভাইরাসজনিত বিবিধরোগে আবাল-বৃদ্ধবণিতা সকলে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হচ্ছে। এদিকে প্রবল বর্ষণ অব্যাহত থাকায়-

টেকনাফ পৌর এলাকার পুরাতন পল্লান পাড়ার ফকিরামুরা ও ওরুমজুরা, নাইট্যং পাড়া, সদরের পল্লানপাড়া, মোরাপাড়া, জাহালিয়া পাড়া, হাবিবছড়া, রাজারছড়া, হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া, জাদিমোরা, নয়াপাড়া, লেদা, আলীখালী, রঙ্গিখালী, উলুচামরী, লেচুয়াপ্রাং, পশ্চিম পানখালী, পশ্চিম সিকদারপাড়া, খন্দাকাটা, মরিচ্যাঘোনা, রোজারঘোনা, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কেরুনতলী, ঘিলাতলী, কাটাখালী, মনিরঘোনা, বালুখালী, দৈইংগ্যাকাটা, আমতলী, তেচ্ছিব্রীজ, রইক্যং, পুটিবনিয়া,  লম্বাবিল, লাতুরীখোলা, জোয়ারীখোলা,তুলাতলী, আমতলী, কুতুবদিয়া পাড়া, করাচিপাড়া, কাঞ্জরপাড়া, বটতলী, নয়াপাড়া, ঝিমংখালী, মিনাবাজার, পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া, পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া, কম্বনিয়া পাড়া, ও রোজারঘোনা এবং বাহারছড়া উপকূলীয় এলাকার শাপলাপুর, চৌকিদার পাড়া, বৃহত্তর শীলখালী, বাইন্যা পাড়া, জাহাজপুরা, হাজমপাড়া, মাথাভাঙ্গা, বড়ডেইল, মারিশবনিয়া, নোয়াখালী পাড়ার টিলা ও পাহাড় সমুহে জনবসতি আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। টেকনাফের ইতিহাসে ২০১০সালের চলতি জুন মাসে প্রবল ভারী বর্ষণ ও ভয়াবহ পাহাড় ধ্বসে ৩৩জনের করুণ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি ৩দিনের টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের তলদেশ ও পাদদেশে বসবাসকারী জনসাধারনের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

##########################

#######

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT