টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ নদী ও সমুদ্র্র উপকূলীয় বন উজাড়..মারাত্মক পরিবেশ বিপযর্য়ের আশংকা

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১২
  • ১৮২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সাঈদুর রহমান সোহেল…টেকনাফের নদী ও সমুদ্র সৈকতে সরকারী সৃজিত ঝাউ ও কেউড়া বন অব্যাহত থাকায় মারাত্ব পরিবেশ বিপর্যয়ে আশংকা দেখা দিয়ে দিয়েছে। ভুমিগ্রাসী আসাধূ মহল টেকনাফস্থ উপকূলীয় বনবিভাগের আওতাধীন এলাকাজুড়ে পৃথকভাবে ভুমি জবরদখল বন উজার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

বির্স্তীণ উপকুলীয় ্এলাক্ াবাহারছরার শামলাপুর, মনখালী এলাকায় গভীর রাতে ঝাউবন নিধন কাজ চলছে। এলাকার পৃথক কাঠ পাচারকারী সিন্ডিকেট মূল্যবান ঝাউগাছ উজাড় করে বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। অথচ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারো খবর নেই। নাফনদী ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, মনখালী, শীলখালী, শামলাপুর এলাকার সাগর তীরবর্তী ঝাউবন নির্বিচারে উজাড় করা হয়েছে। বিভিন্ন বনে ঝাউগাছ উজাড়ের পর মূল উপড়ে ফেলেছে। আবার বিভিন্ন স্থানে বনের বড় বড় গাছগুলো কেটে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।সম্প্রতি মিয়ানমারের হাজার হাজার অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনে অবস্থান নেওয়ার পর বন উজারসহ পরিবেশ ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পায় বলে স্থানীরা অভিমত প্রকাশ করেন। এভাবে একের পর এক ঝাউবন উজাড়ের ফলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

সূত্র জানায়, টেকনাফের বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী ও নাফ নদী সংলগ্ন প্রায় ১৫০ কি.মি. লম্বালম্বি উপকূলীয় ভূমিতে সরকার গত বিভিন্ন সনে ঝাউ, কেউড়া ও বাইন বাগান সৃজন করেন। বর্তমানে নির্বিচারে এসব বন উজাড়ের ফলে অনেক বন নিচিহ্ন হয়ে পড়েছে। বেদখল হয়ে পড়েছে বনভূমি। গত ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শাহপরীররদ্বীপ রেঞ্জের আওতাধীন ঝাউবাগান ও অন্যান্য বাগান উজাড় করে জমি দখলের ঘটনা ঘটে। এ কারণে চলতি সনে সাগরের রাক্ষুসী গ্রাসে উজাড় হওয়া বিশাল ভুমিসহ পাড়া-মহল্লা তলিয়ে যায় বলে পরিবেশবাদীরা মনে করেন। বন সুরক্ষা থাকলে ভাঙ্গন রোধ হত এমন মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।

বর্তমানেও টেকনাফ সমুদ্র সৈকতের জবরদখলদারীত্বে বহাল রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে আরো জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার ৯টি ও উখিয়া উপজেলার ২টি মৌজাসহ ১১টির মৌজার টেকনাফ উপকূলীয় রেঞ্জের আওতাধীন বনভূমিতে সৃজিত বন রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চরম গাফেলতীর অভিযোগ রয়েছে। ফলে দেদারছে বন উজাড় অব্যাহত রয়েছে। উপকূলীয় বন উজাড় রোধে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী উঠেছে। ###########

###########

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT