টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফ আল-জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার ভবনে ধস-আতঙ্ক..সাহায্যের আবেদন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৩
  • ১৮৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

madrashaটেকনাফ প্রতিনিধি…১৯৫৯ সালে নির্মিত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার আল-জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভবনের দোতলা ভবনের বারান্দার মেঝেতে দেখা দিয়েছে বড় বড় গর্ত। ছাদ ধসে না পড়ার জন্য দেওয়া হয়েছে বাঁশের ঠেস। চিড় ধরেছে ভবনের প্রায় সব কক্ষের দেয়ালে।
ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনে প্রায় এক হাজার ৪০০ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। ৪০০ শিক্ষার্থী ও ৩৬ জন শিক্ষক ওই ভবনে রাতযাপনও করেন। গত মাসে মাদ্রাসা কমিটি ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলেও ভাঙার কাজ শুরু করা যায়নি পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে।
মাদ্রাসার মোহতারেম (প্রধান) মুফতি কিফায়েতুল্লাহ শফিক বলেন, ‘ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বাধ্য হয়ে আমাদের থাকতে হচ্ছে। ভবন ভাঙার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই আমাদের। এ ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতায় এগিয়ে এলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব।’
কেবল এটিই নয়, টেকনাফে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ভবনগুলো চিহ্নিত করে ভাঙার কাজ শুরু না করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের তিনটি ভবনের মধ্যে দুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এর মধ্যে একটি ভবন ১৯৬০ সালে ও অপরটি ১৯৭২ সালে নির্মিত হয়। ঝুঁকিপূর্ণ দুটি ভবনের একটিতে মৎস্য অধিদপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, কৃষি বিভাগ, খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও সমবায় কার্যালয়ের কাজ চলছে। অপর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও রেড ক্রিসেন্টের কার্যালয় রয়েছে।
এ ছাড়া উপজেলার সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন, থানা ভবন, পুলিশ কোয়ার্টারস, প্রেসক্লাব, অস্থায়ী পৌর ভবন, খাদ্যগুদাম ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডরমেটরির অবস্থা নাজুক।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ হুমায়ুন মোরশেদকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘মেঝেতে বড় বড় ফাটল। দেয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তারা। চিড় ধরেছে ছাদে। তবু এই ভবনেই প্রতিদিন অফিস করতে হয়। যতক্ষণ অফিসে থাকি মনে হয়, এই বুঝি ছাদ ধসে পড়ল।’ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিন উল্লাহ জানান, ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হলেও প্রতিবছর সংস্কারে লাখ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মোজাহিদ উদ্দিন ভবনগুলোর ভগ্নদশার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমার বাসভবনের অবস্থাও খুবই নাজুক। সামান্য বৃষ্টিতে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। উপজেলা পরিষদ ও আবাসিক ভবনগুলো নতুনভাবে নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার পরিষদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। পাশাপাশি উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোরও তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT