টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে

টেকনাফে সহিংস ঘটনার ৩ বছর, রামুর সেই উত্তম বড়ুয়ার খোঁজ এখনও মিলেনি

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ = রামুর ঘটনার জের ধরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং বড়–য়া পল্লীতে সহিংস ঘটনার ৩ বছর পুর্ণ হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং বড়–য়া পল্লীতে সহিংস ঘটনার পরদিন ১ অক্টোবর হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন আইসি এএসআই মাহফুজ এবং বড়–য়া পল্লীর সাধন মল্লিক বাদি হয়ে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করেছিলেন। উভয় মামলায় এজাহার নামীয় আসামীর সংখ্যা ছিল ৭০ জন। অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ শত। উক্ত ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পুনর্বাসন করেছিল সরকার। এদিকে রামুর সেই উত্তম বড়ুয়ার খোঁজ তিন বছরেও মিলেনি। ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর ফেসবুক আইডিতে পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগে দুষ্কৃতকারীরা রামুর ডজনাধিক প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার পুড়িয়ে দেয়। পরে সরকারিভাবে গঠিত পুলিশের বিভাগীয় তদন্তে ২০৫ জনের মধ্যে ১ নম্বর অভিযুক্ত হন উত্তম বড়ুয়া। ঘটনার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাকে হন্য হয়ে খোঁজ করেছিল। ঘটনার পর শিশুপুত্রসহ নিখোঁজ থাকলেও কয়েক মাস পর ফিরে এসে রামুতে বসবাস করছেন উত্তম বড়ুয়ার স্ত্রী রিতা বড়ুয়া। তিনি জানান, উত্তম বড়ুয়ার হদিস তার পরিবারের কেউ পাচ্ছে না। কোনো খোঁজ খবর আছে কী-না জানতে চাইলে তার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে নিশ্চিত করেন তার স্ত্রী রিতা বড়ুয়া। উত্তম বড়ুয়া রামু সদরের চেরাংঘাটা গ্রামের সুদত্ত বড়ুয়ার ছেলে। তিনি রামু সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক ছিলেন। তার স্ত্রী রিতা বড়ুয়া ছেলে আদিত্য বড়ুয়াকে (৫) নিয়ে স্বামীর বাড়িতে রয়েছেন।
রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহারের সহকারী পরিচালক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু জানান, উত্তম হয়তো অপরাধ করেছেন। প্রশাসন চাইলে তাকে যেকোন মুহূর্তে আটক করতে পারে। কিন্তু তার কারণে তার নিরীহ স্ত্রী ও অবুঝ শিশুটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কোরআন অবমাননার একটি ছবি পোাস্টিং-এর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রামুতে সংঘটিত হয় ভয়াবহ সহিংসতা। এতে রামুর ১১টি বৌদ্ধমন্দির ও বেশ কিছু বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়। এর পরের দিন ৩০ সেপ্টেম্বর একই ঘটনা সংঘটিত হয় কক্সবাজারের সদর, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং। এসব উপজেলায় ৮টি বৌদ্ধ মন্দির ও বেশ কিছু বসতি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এঘটনায় কক্সবাজারের ৪টি উপজেলায় ১৯টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এর মধ্যে রামু থানায় ৮টি, উখিয়া থানায় ৭টি, কক্সবাজার সদর থানায় ২টি ও টেকনাফ থানায় ২টি। মামলায় আসামি করা হয় ১৫ হাজার লোককে। এদের মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি ৩৭৫ জন। চলতি বছর ১৯টি মামলারই চার্জশিট আদালতে দাখিল করে পুলিশ। ##

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT