টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফে শত্র“তামুলকভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ১ ব্যক্তিকে থানায় সোর্পদ করায় বিজিবির বিরুদ্ধে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,টেকনাফ…সীমান্ত জনপদ টেকনাফে বিশেষ মহলের ইন্দনে ১দোকানদারকে প্রকাশ্যে দিবালোকে আটকের পর ব্যাপক মারধর করে থানায় সোর্পদ করার জেরধরে আটক ব্যক্তির পরিবার এর প্রতিকার চেয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেছে।
৯ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী গ্রামের নিজবাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিজিবির হাতে আটক হেলাল উদ্দিনের সহধর্মীনি জোবাইদা আক্তার। তিনি বলেন আমার স্বামী হেলাল উদ্দিন একজন মুদির দোকানদার ও রাইচ মিলের পরিচালক।এভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চলতি বছরের গত কোরবানের ঈদের পর আমার স্বামী স্থানীয় চৌধুরী পাড়া এলাকায় জনৈক কেবাচিং রাখাইনের কাছ থেকে ধান মাড়াইয়ের মিলিং চার্জের বকেয়া টাকা উত্তোলন এবং আমার স্বর্ণালংকার মেরামত করলে গেলে হ্নীলা বিওপির গোয়েন্দা সদস্য সাহেবুল আলম (পদবী নং-৫৮৭৩৯) শত্র“মহলের প্ররোচনায় আমার স্বামী হেলাল উদ্দিনকে ইয়াবা ব্যবসায়ী উল্লেখ করে তল্লাশীর নামে স্বর্ণালংকার ও চালানীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আমার স্বামী এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় উক্ত গোয়েন্দা সদস্য বিওপিতে খবর দিয়ে ইয়াবার চালান আটকের নামে নিজের অপকর্ম ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাস্থলে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান মীর কাশেম টেকনাফ থেকে ফেরার পথে এ ঘটনা দেখে নেমে পড়েন এবং উক্ত গোয়েন্দা সদস্যের এ ঘটনা দেখে চেয়ারম্যান নিজেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে চেয়ারম্যান দু’পক্ষকে মিলিয়ে আপোষ করে দেন। এরপর থেকে শত্র“মহলের ইন্দন ও মোটার অংকের প্রলোভনে ঐ গোয়েন্দা সদস্য আমার স্বামীর পিছনে উঠে পড়ে লাগে এবং সুযোগ খুঁজতে থাকে।
এরই জের ধরে গত ৭ ডিসেম্বর উক্ত গোয়েন্দা সদস্য সাহেবুল আলম সকাল হতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা বিওপির আওতাধীন চৌধুরী পাড়া রাখাইন পল্লীতে অবস্থান নেয়। কতিপয় যুবকের মাধ্যমে আমার স্বামী হেলাল উদ্দিনকে চা খাওয়ানোর ভান করে ডেকে নেয় এবং উক্ত গোয়েন্দা সদস্য লাথি মেরে গাড়ী থেকে ফেলে দেয়। এরপর হ্নীলা বিওপির কোম্পানী কমান্ডার মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও সঙ্গীয় জওয়ানরা বেধড়ক পেটাতে থাকে। এরপর গোয়েন্দা সদস্য সাহেবুল ঘটনাস্থলে উপস্থিত কতিপয় প্রত্যক্ষদর্শীর সামনে মোটর সাইকেলের সীট উল্টিয়ে একটি ইয়াবার প্যাকেট ঢুকিয়ে দেয়। এ সময় লোকজন হৈ চৈ শুরু করলে লোকজনকে ধাওয়া করে তারা হেলালকে আটক করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এরপর নিজেদের কাছে সুরক্ষিত ১২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে আমার স্বামীকে থানায় সোপর্দ করে।
প্রকৃতপক্ষে আমার স্বামী জানামতে ইয়াবাসহ কোন অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল না এবং ইতিপূর্বে এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ বা মামলা ছিল না। আমার স্বামীকে এ মামলায় জড়িত করায় ২ শিশু সন্তান নিয়ে আমার জীবনে অন্ধকার নেমে এসেছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে বিজিবির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাতে চাই, বর্তমানে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী টেকনাফে বিজিবি জওয়ানরা লোক দেখানো চোরাচালান দমন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধ করার অঙ্গিকার দেখালেও বাস্তবে তার রূপ উল্টো দিক। এ কথার সত্যতা প্রমাণ করতে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দেখুন।
আমি আপনাদের মাধ্যমে বিজিবির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন বিজিবি ও গোয়েন্দা সদস্যের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন  না করে স্বার্থের জন্য একপক্ষের ইন্দনে অপর পক্ষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী, বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধমকি আমি আশা করি না। আমি সংবাদকর্মী ভাইদের মাধ্যমে এ সবের প্রতিকার  কামনা করছি।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT