টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পভিত্তিক মালয়েশিয়া আদম পাচারকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে।

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১২
  • ১৫০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এটি এন ফায়সাল,টেকনাফ…
টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত বস্তি ও নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পভিত্তিক মালয়েশিয়া আদম পাচারকারী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।স্থানীয় কয়েকটি প্রভাবশালী চক্রের ছত্র-ছায়ায় রোহিঙ্গা বস্তির আদম পাচারকারী দালাল ডাঃ কবির, টালের চেয়ারম্যান নামে খ্যাত হাফেজ আইয়ুব,শেড মাঝি নাজির হোছাইন, মৌলভী মোহাম্মদ ইয়াহিয়া ও আলীখালী এলাকার মোহাম্মদ মিয়া,নয়াপাড়ার ইদ্রিস,ছিয়লের ঘিরা বুইজ্জা,আবুল আলম, বি-ব্লকের বাইট্টা জাফর, মোহাম্মদ আলম মাঝি,ইয়াবা ব্যবসায়ী জুবায়ের ভাই, ক্যাম্প ইনচার্জের বাবুর্চি সি ব্লকের  গুরা মিয়া, এইচ ব্লকের মহিলা কমিটির সদস্য নুর বাহার, মাহমুদুল হাসান,হাসান আহমদ, ছৈয়দ আহমদ, জামাল মাঝি, দোকানদার শাহ আলম, কমিটি ফয়েজ, দাড়িওয়ালা মোঃ সালাম, ডি ব্লকের মোঃ সালাম মাঝি, মৌলভী কামাল, লোকমান মাঝি,ই ব্লকের আন্ডাইংগা লিডার মোহাম্মদ আলম, আই ব্লকের সোলতান হাজি, এবাদুল্লাহ, মৌলভী মোহাম্মদ হোছনের ছেলে তারেক,সহ ২০/২৫জনের শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বস্তি ও ক্যাম্পে অবস্থানের সুবাদে মোবাইলে যোগাযোগ করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দোহাই তুলে মিয়ানমার থেকে কিশোর-যুবক এনে এবং স্থানীয় সহজ-সরল লোকজনকে ভাল কাজ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে শতাধিক লোক যোগাড় করে তাদের কাছ থেকে ৫০/৬০ হাজার টাকা করে আদায় করে উপজেলার শাহপরীরদ্বীপ, সাবরাং, বাহারছড়া, উখিয়া, কক্সবাজারের মাঝির ঘাট, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, ও চট্টগ্রামের চাকতাইসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচার করে আসছে। বর্তমানে উল্লেখিত দালালদের অধীনে মালয়েশিয়া যাওয়ার অপেক্ষায় শত শত অবৈধ রোহিঙ্গা নাগরিক নয়াপাড়া ও লেদা বস্তিতে অবস্থান করছেন। নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ১নং অংশে পুলিশ গেইটের সামনে সাইনবোর্ড দিয়ে ক্যাম্প ইনচার্জ বিনানুমতিতে বাহিরের লোকজন প্রবেশ নিষেধ দিলেও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা এবং রোহিঙ্গা কমিটির লোকজন টাকার বিনিময়ে ঐ আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের ভিতরে নিয়ে রাখছে। সময় সুযোগে সংশ্লিষ্ট দালালেরা এসব জড়ো করা লোকজনকে মালয়েশিয়া গমনের জন্য নির্দিষ্ট পয়েন্টে পাঠিয়ে দিচেছ। কিন্তু ক্যাম্পে আইন-শৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্য না দেখার ভাঁন করে বসে থাকে। অরপদিকে লেদা বস্তি অনিবন্ধিত হওয়ার কারনে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের সাথে বস্তির দালালদের যোগ-সাজশের মাধ্যমে সমান ভাগে লভ্যাংশ ভাগাভাগির ভিত্তিতে রাতারাতি কোটি পতি বনে যাচ্ছে।
উৎকোচের বিনিময়ে স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় সদস্যরা ম্যানেজ হওয়ায় এসব অপকর্ম কেউ দেখেও দেখছেনা। ##############################

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT